বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের নতুন যুগের সূচনা হতে যাচ্ছে আগামী ৫ জুন। ইউরোপের দেশ সান ম্যারিনোর বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ দিয়ে প্রধান কোচ টমাস ডুলির অধীনে প্রথমবারের মতো মাঠে নামবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এই ম্যাচকে সামনে রেখে ২৩ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।
ঘোষিত দলে সবচেয়ে বড় চমক গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকোর প্রত্যাবর্তন। দীর্ঘ তিন বছর পর জাতীয় দলের জার্সিতে ফেরার সুযোগ পেয়েছেন অভিজ্ঞ এই গোলরক্ষক। একই সঙ্গে প্রাথমিক দলে জায়গা পাওয়ার পর চূড়ান্ত স্কোয়াডেও নিজের অবস্থান ধরে রেখেছেন ডিফেন্ডার ঈসা ফয়সাল। তবে প্রাথমিক দলে ডাক পেলেও শেষ পর্যন্ত স্কোয়াডে জায়গা হয়নি সেন্টারব্যাক মঞ্জুরুর রহমানের। প্রত্যাশিতভাবেই দলে রয়েছেন ইংল্যান্ডে বেড়ে ওঠা মিডফিল্ডার হামজা দেওয়ান চৌধুরী ও কানাডাপ্রবাসী শমিত সোম। এছাড়া তরুণ ফুটবলার জায়ান আহমেদ ও ফাহামেদুল ইসলামও জায়গা পেয়েছেন চূড়ান্ত দলে। অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের সমন্বয়ে গড়া এই দল নিয়ে আশাবাদী কোচ ডুলি।
গোলরক্ষক হিসেবে জিকো, মিতুল মারমা ও সুজন হোসেনকে রাখা হয়েছে। রক্ষণভাগে আছেন তারিক কাজী, তপু বর্মণ, বিশ্বনাথ ঘোষ ও সাদ উদ্দিনদের মতো পরিচিত মুখ। মাঝমাঠে জামাল ভূঁইয়া, হামজা, শমিত, শেখ মোরসালিন ও সোহেল রানাদের উপস্থিতি দলকে বাড়তি শক্তি দেবে বলে মনে করা হচ্ছে। আক্রমণভাগে ফাহামেদুল ইসলাম, শাহারিয়ার ইমন, ফয়সাল আহমেদ ফাহিম ও রফিকুল ইসলামের ওপর থাকবে গোল করার দায়িত্ব।
সান ম্যারিনোর বিপক্ষে ম্যাচটি শুধু টমাস ডুলির অভিষেকই নয়, বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসেও একটি বিশেষ অধ্যায়। কারণ এই প্রথম ইউরোপের মাটিতে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। নতুন কোচের অধীনে দলের পারফরম্যান্স কেমন হয়, সেদিকে নজর থাকবে দেশের ফুটবলপ্রেমীদের।
বাংলাদেশের চূড়ান্ত স্কোয়াড:
গোলরক্ষক: মিতুল মারমা, সুজন হোসেন, আনিসুর রহমান জিকো;
ডিফেন্ডার: তারিক কাজী, তপু বর্মণ, জায়ান আহমেদ, শাকিল আহাদ তপু, বিশ্বনাথ ঘোষ, সাদ উদ্দিন, তাজ উদ্দিন, ঈসা ফয়সাল;
মিডফিল্ডার: জামাল ভূঁইয়া, মোহাম্মদ সোহেল রানা, সোহেল রানা, মোহাম্মদ হৃদয়, শেখ মোরসালিন, হামজা দেওয়ান চৌধুরী, শমিত সোম, সৈয়দ কাজেম কিরমানি শাহ্;
ফরোয়ার্ড: ফাহামেদুল ইসলাম, শাহারিয়ার ইমন, ফয়সাল আহমেদ ফাহিম ও রফিকুল ইসলাম।
