নবীগঞ্জে সংঘর্ষে নিহত রিমনের দাফন সম্পন্ন
নবীগঞ্জ শহরে দুইপক্ষের সংঘর্ষের নিহত রিমন মিয়া (৪০) জানাযার নামাজ শেষে দাফন সম্পন্ন হয়েছে। রবিবার (১৩ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫ টায় নবীগঞ্জ পৌর এলাকার আনমনু পশ্চিম মাঠে রিমন মিয়ার জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
জানাযার নামাজে অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী সদস্য সাবেক এমপি শেখ সুজাত মিয়া, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন, বাহুবল-নবীগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার জহিরুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান চৌধুরী শেফু, নবীগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র ছাবির আহমদ চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মতিউর রহমান পেয়ারা, খালেদ আহমদ পাঠান, কুর্শি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সৈয়দ খালেদুর রহমান খালেদ, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক শিহাব আহমেদ চৌধুরী, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি সাইদুল হক চৌধুরীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) রাতে তিমিরপুর গ্রামের খরচু মিয়া তালুকদারের সঙ্গে ইনাতগঞ্জ ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি আশাহিদ আলী আশার কথাকাটাকাটি হয়। এরপর যুবলীগ নেতা আশার পক্ষে আনমনু গ্রামের লোকজন তিমিরপুর গ্রামের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এর জের ধরে শুক্রবার (৪ জুলাই) রাতেও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।সোমবার (৭ জুলাই) দুপুরে পূর্ব তিমিরপুর ও চরগাঁও গ্রামের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে আনমনুসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের লোকজন। বিকেল সাড়ে ৬টা পর্যন্ত চলা এই সংঘর্ষে পূর্ব তিমিরপুর গ্রামের ফারুক মিয়া নামে এক ব্যক্তি নিহত হন এবং দেড় শতাধিক মানুষ আহত হন।এসময় বেসরকারি ইউনাইটেড হাসপাতালসহ শহরের অন্তত ৫০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর করা হয় এবং ১০টি দোকানে অগ্নিসংযোগ করা হয়। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হন আনমনু গ্রামের আউয়াল মিয়ার ছেলে রিমন মিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। রিমনের অবস্থার অবনতি হলে তাকে হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করে চিকিৎসা প্রদান করা হয়। সংঘর্ষের ঘটনার ৫ দিন পর শনিবার রাত ৮টার দিকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসাধীন অবস্থায় রিমন মিয়ার মৃত্যু হয়। রিপনের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।








