পারিবারিক বিরোধ মীমাংসায় বাহুবলে কমছে মামলা: সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনে প্রশংসিত ওসি
হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় পারিবারিক বিরোধ মীমাংসায় অনন্য ভূমিকা রেখে প্রশংসা কুড়িয়েছেন বাহুবল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুল ইসলাম। পারিবারিক কলহ, জায়গা-জমির বিরোধ ও স্বামী-স্ত্রীর দ্বন্দ্বসহ নানা বিষয়ে থানায় আসা অভিযোগগুলো তিনি মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিতে সমাধান করছেন, ফলে এলাকায় শান্তি ও স্থিতি ফিরেছে।
সেনারকান্দি গ্রামের গৃহবধূ রাহিমা আক্তার জানান, “আমার শ্বশুরের সঙ্গে জায়গা-জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। বিষয়টি থানায় লিখিতভাবে জানালে ওসি সাহেব নিজে আমাদের দু’পক্ষকে বসিয়ে কথা বলেন। তার মধ্যস্থতায় আমরা মীমাংসায় পৌঁছাই। আমি খুবই সন্তুষ্ট।এছাড়া সুন্দ্রাটিকি গ্রামের তাছলিমা আক্তার বলেন, “স্বামীর সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনে আমি থানায় অভিযোগ করতে বাধ্য হই। কিন্তু ওসি স্যারের সহানুভূতিশীল আচরণ ও ন্যায়সংগত সিদ্ধান্তে আমাদের মধ্যে বোঝাপড়া হয়। এখন আমরা সংসার টিকিয়ে রেখেছি।স্থানীয় ব্যবসায়ী আব্দুল করিম বলেন, আগে পারিবারিক ঝামেলায় অনেকেই মামলা-মোকদ্দমায় জড়িয়ে পড়তেন। এখন মানুষ থানায় এসে ওসি সাহেবের কাছে ন্যায়বিচার পান। তিনি ধৈর্যসহকারে কথা শোনেন, সমাধানও দেন। জনপ্রতিনিধি আফরোজ মিয়া তালুকদার বলেন, ওসি জাহিদুল ইসলাম শুধু আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তা নন, তিনি সমাজের অভিভাবকের মতো ভূমিকা রাখছেন। তার কারণে বাহুবলে পরিবারগুলো অনেকটা নিরাপদ ও স্থিতিশীল।
ওসি মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, “থানায় পারিবারিক বিরোধ নিয়ে কেউ এলে প্রথমেই সমঝোতা ও আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করার চেষ্টা করি। তবে যদি কোনো পক্ষ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকে বা বিষয়টি গুরুতর হয়, তখন আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করি। তার এ উদ্যোগে বাহুবল এলাকায় মামলার হার কমেছে বলে অনেকেই মনে করেন। সামাজিক শান্তি ও সৌহার্দ্য রক্ষায় তিনি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বিশিষ্টজনরা।








