মাধবপুরে ফুটপাত-রাস্তা দখলে দোকানপাট যানজটে শহরবাসী
যানজটের যন্ত্রণা থেকে কিছুতেই মুক্তি মিলছে না হবিগঞ্জের মাধবপুর পৌরসভার বাজারে। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পৌর বাজার এলাকায় যানজট এখন নিত্যদিনের সঙ্গী। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন এলাকাবাসী।
সরেজমিনে দেখা যায়, পৌরসভার হাইওয়ে-সংলগ্ন ফুলপট্টি রোড থেকে বিউটি হোটেল হয়ে সোনালী ব্যাংক ও কাঁচা বাজার পর্যন্ত চারদিকে সর্বক্ষণই যানজট লেগে থাকে। ফুটপাথ ও রাস্তার দুই পাশে গড়ে উঠেছে অসংখ্য ভ্রাম্যমাণ ও অস্থায়ী দোকান। এসব দোকানের নেই ট্রেড লাইসেন্স কিংবা কোন অনুমোদন। রাস্তার মাঝে রাখা ভ্যানগাড়ি, টমটম ও অটোরিকশার কারণে যান চলাচল প্রায় অচল হয়ে পড়ে।”
স্কুলগামী শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষ ও হাসপাতালে আসা রোগীরা যানজটের কারণে ভোগান্তিতে পড়ছেন। বাজার কমিটি নামমাত্র একজন নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ করলেও তাতে কোনো সুফল মিলছে না।”
স্থানীয়রা বলছেন, সরকারের পরিবর্তন হলেও মাধবপুর পৌর বাজারের যানজট যেন এক চিরস্থায়ী সমস্যা। বারবার অভিযানে সাময়িক উন্নতি দেখা গেলেও স্থায়ী সমাধান মেলেনি। তাদের দাবি সিন্ডিকেট ভেঙে অবৈধ দোকান ও হকার উচ্ছেদ করতে হবে। ক্রমাগত মোবাইল কোর্টের তদারকি রাখতে হবে। কেউ সেখানে চাঁদাবাজি করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।”
স্থানীয় সংগঠক আনোয়ার হোসেন বিল্লাল বলেন, যানজটের কারণে আমরা দেয়ালে ঠেকে গেছি। ওসির কার্যকর উদ্যোগ দরকার। প্রশাসনের লোক দেখানো মোবাইল কোর্ট নয়—নিয়মিত তদারকি চাই।”
বাজার এলাকার একাধিক দোকানদার অভিযোগ করে বলেন, কিছু অসাধু ব্যক্তি রাস্তা দখল করা দোকানদারদের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা নিচ্ছেন। এজন্যই তাদের উচ্ছেদ কার্যকর হচ্ছে না।”
মাধবপুরের ইউএনও ও পৌর প্রশাসক জাহিদ বিন কাসেম বলেন, বাজার কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে দিনের বেলা লোড-আনলোড না হয় এবং বাজারে কোনো যানবাহন প্রবেশ করতে না পারে। ফুটপাথ দখলকারীদের তালিকা তৈরি হচ্ছে, প্রয়োজনে জরিমানা করা হবে। আশা করছি, এ সপ্তাহেই উন্নতি দেখা যাবে।








