বিশ্বনাথে এসএসসি ও দাখিলে পাশের হার কমেছে
২০২৫ সালে অনুষ্ঠিত ‘এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষা’র ফলাফলে সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় গত বছরের চেয়ে কমেছে ‘মোট পাশে হার এবং জিপিএ-৫’। শতভাগ পাশের সাফল্য অর্জন করতে পারেনি ‘এসএসসি ও দালিখ পরীক্ষায়’ অংশগ্রহন করা ৩২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং ১৬টি মাদ্রাসার মধ্যে কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
এসএসসি পরীক্ষায় এবছর উপজেলার মোট পাশের হার ৭৪.০২% এবং মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ২৮ জন শিক্ষার্থী। উপজেলার ৩২টি মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয়ের ২ হাজার ৮১৩ জন শিক্ষার্থী এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে ২ হাজার ৮২ জন শিক্ষার্থী বিভিন্ন গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছেন। ওই ৩২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে মাত্র ১২টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা কম-বেশি জিপিএ-৫ পেলেও বাকী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো রয়েছে জিপিএ-৫ শূন্য।
পাশের হারের দিক দিয়ে উপজেলায় সর্বোচ্চ ৯৫% শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন জনকল্যাণ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এবং সর্বোচ্চ ৫টি জিপিএ-৫ পেয়েছেন আলহাজ্ব তাহির আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সর্বনিন্ম ৩৯.৪০% উত্তীর্ণ হয়েছে দেওকলস দ্বি-পাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ’র শিক্ষার্থীরা।
তবে এবারের পরীক্ষায় পাশের হার ও জিপিএ-৫’র দিক হয়ে চরম হতাশা করেছে উপজেলা সদরের দুই ‘রামসুন্দর সরকারি অগ্রগামী মডেল উচ্চ বিদ্যালয় (পাশের হার ৭১.৫৬% ও ২টি জিপিএ-৫) এবং হাজী মফিজ আলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ (পাশের হার ৬২% ও জিপিএ নেই)’র ফলাফল।
দাখিল পরীক্ষায় এবছর উপজেলার মোট পাশের হার ৫৬.৫০% এবং মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ৫ জন শিক্ষার্থী। উপজেলার ১৬টি মাদ্রার ৯৩১ জন শিক্ষার্থী এবারের দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে ৫২৬ জন শিক্ষার্থী বিভিন্ন গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছেন। ওই ১৬টি মাদ্রাসার মধ্যে মাত্র ৩টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা কম-বেশি জিপিএ-৫ পেলেও বাকী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো রয়েছে জিপিএ-৫ শূন্য।
পাশের হারের দিক দিয়ে উপজেলায় সর্বোচ্চ ৮৪.৩৮% শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন নতুন হাবড়া বাজার দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা এবং সর্বোচ্চ ৩টি জিপিএ-৫ পেয়েছেন বিশ্বনাথ দারুল উলুম ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। সর্বনিন্ম ৩৩% উত্তীর্ণ হয়েছে করিমুন্নেছা ইসলামিয়া বালিকা দাখিল মাদ্রাসা’র শিক্ষার্থীরা। তবে এবারের ফলাফলের দিক দিয়ে চরম হতাশা করেছে উপজেলা সদরের বিশ্বনাথ দারুল উলুম ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা (পাশের হার ৬০.০৪%)’র ফলাফল।
এদিকে কারিগর (ভোকেশনাল) পরীক্ষার ফলাফলে পাশের হার ৫৮.৬২% হলেও নেই কোন জিপিএ-৫। এবারের পরীক্ষায় ‘রামসুন্দর সরকারি অগ্রগামী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়’র ২৯ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহন করে বিভিন্ন গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৭ জন।








