যুক্তরাজ্যে অবৈধ অভিবাসীদের তল্লাশি করতে পারবে পুলিশ
এই নতুন ক্ষমতা মূলত ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে মানবপাচারকারীদের সহায়তায় ব্রিটেনে প্রবেশকারী অভিবাসীদের যাত্রাপথ সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহে পুলিশকে সহায়তা করবে। মানবপাচারকারী গ্যাংগুলো প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ফোন নম্বর ব্যবহার করে অভিবাসীদের ছোট নৌকায় যাত্রার জন্য প্রলুব্ধ করে।
যুক্তরাজ্যের পুলিশ এখন থেকে অবৈধভাবে প্রবেশ করা অভিবাসীদের মোবাইল ফোন বা সিম কার্ড খুঁজে বের করার উদ্দেশ্যে তাদের কোট, জ্যাকেট বা দস্তানা খুলতে বাধ্য করতে পারবে এবং প্রয়োজনে মুখের ভেতরও তল্লাশি চালাতে পারবে। সোমবার দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। খবর রয়টার্স।
দেশটির সরকার বলেছে, এই নতুন ক্ষমতা মূলত ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে মানবপাচারকারীদের সহায়তায় ব্রিটেনে প্রবেশকারী অভিবাসীদের যাত্রাপথ সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহে পুলিশকে সহায়তা করবে। মানবপাচারকারী গ্যাংগুলো প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ফোন নম্বর ব্যবহার করে অভিবাসীদের ছোট নৌকায় যাত্রার জন্য প্রলুব্ধ করে—এমনটি জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
লেবার সরকারের নতুন অভিবাসন কঠোরতাকে মূলত পপুলিস্ট ‘রিফর্ম ইউকে’ দলের বাড়তে থাকা জনপ্রিয়তার জবাব হিসেবে দেখা হচ্ছে। নতুন আইনটি শিগগিরই ‘রয়্যাল অ্যাসেন্ট’ পেতে পারে, যা কেবল সাংবিধানিক আনুষ্ঠানিকতা।
আগে পুলিশের মোবাইল ফোন তল্লাশি করার ক্ষমতা থাকত শুধুমাত্র গ্রেফতারের পর। কিন্তু নতুন বিধিতে পুলিশ অভিবাসীদের কাছ থেকে দ্রুততর তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে বলে জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, যার নেতৃত্বে আছেন শাবানা মাহমুদ।
এদিকে সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, ব্রিটিশ ভোটারদের কাছে এখন অর্থনীতির চেয়ে অভিবাসনই সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয়। গ্রীষ্মজুড়ে আশ্রয়প্রার্থীদের সরকারি খরচে হোটেলে রাখার প্রতিবাদে রাজপথেও উত্তেজনা দেখা গেছে।
নতুন নীতি মানবাধিকার সংগঠনগুলোর তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে। তাদের মতে, এসব পদক্ষেপ অভিবাসীদের দোষারোপ করে বর্ণবাদ ও সহিংসতা উসকে দিচ্ছে।







