শান্তিগঞ্জে রাতের আঁধারে জলমহালের মাছ লুট
শান্তিগঞ্জের কাওয়াজুড়ি হাওরে মব সৃষ্টি করে রাতের আঁধারে টর্চ লাইট জ্বালিয়ে জলমহালের অর্ধকোটি টাকার মাছ লুট করা হয়েছে। আশপাশের ৭—৮ গ্রামের হাজার মানুষ একযোগে জলমহালে প্রবেশ করে ৬০ থেকে ৭০ লক্ষ টাকার মাছ লুট করে নিয়ে গেছে বলে জানান জলমহাল ইজারাদাররা।
জানা যায়, শুক্রবার ইফতারের পর থেকেই জাল, পলো, টেটা সহ মাছ ধরার নানা উপকরণ নিয়ে জলমহাল সীমানায় ভিড় করতে থাকেন শান্তিগঞ্জ উপজেলার কাওয়াজুরী, উফতিরপাড়, লাউগাঙ্গ, দিরাই উপজেলার নগদিপুর, ছোট নগদিপুর, ধীতপুর, ফুকিডর ও দৌলতপুর গ্রামের হাজারো মানুষ। পরে মব সৃষ্টি করে জলমহালের পাহারাদারকে সরিয়ে চালানো হয় লুটপাট।
ইজারাদার আঙ্গুর মিয়া জানান, ছয় মাস আগে শান্তিগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের অধীনে খাস কালেকশনের মাধ্যমে ১৬ লাখ টাকা রাজস্ব দিয়ে কাওয়াজুরী জলমহাল ইজারা নেন। জলমহালের রক্ষণাবেক্ষণ, পোনা অবমুক্তকরণ ও অন্যান্য ব্যবস্থাপনায় তিনি আরও প্রায় ২৪ লাখ টাকা ব্যয় করেন। মাছ ধরার সময় আসলে আহরণের আগেই জলমহালের সকল মাছ পরিকল্পিত ভাবে লুটে নিয়ে যায়। এতে কম হলেও ৬০ থেকে ৭০ লক্ষ টাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তিনি। ভবিষ্যতে যেন এই জলমহাল কেউ ইজারা নেওয়ার সাহস না দেখায় তাই পরিকল্পিতভাবে এমন লুটপাট করানো হয়েছে বলে অভিযোগ তার। মব সৃষ্টি করে হাজার হাজার মানুষ মাছ লুট হলেও কিছুই জানে না পুলিশ। শান্তিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ অলি উল্যাহ জানান, মাছ লুটপাটের ব্যাপারে কিছু জানি না। জলমহালের ইজারাদার বা সংশ্লিষ্ট কেউ এখনো আমাদের এই ব্যাপারে জানায় নি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।






