সীমান্তের রেলওয়ে বন্দর স্থাপনের সম্ভাবনা, পরিদর্শনে বিভাগীয় কাস্টমস কর্মকর্তারা
মৌলভীবাজারের বড়লেখার উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের লাতু সীমান্তের জিরো পয়েন্টে রেলওয়ে বন্দর স্থাপনের লক্ষ্যে সিলেট বিভাগীয় কাষ্টমসের এসিস্টেন্ট কমিশনার ইসলামুল হক ও বিভাগীয় রাজস্ব কর্মকর্তা শ্রাবন্তী আফরোজ পরিদর্শন করেন।
রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে নির্মাণাধীন রেলস্টেশন, রেললাইন ও সীমান্তের জিরো পয়েন্ট সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশে কর্মকর্তারা এলাকা পরির্দশন করেন বলে জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন।
জানা গেছে, কুলাউড়া-শাহবাজপুর রেল পুনর্বাসন প্রকল্পের আওতায় ২০১৭ সাল থেকে কুলাউড়া-শাহবাজপুর ৫২.৫৪ কিলোমিটার রেললাইন পুনঃনির্মাণের কাজ চলছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে ভারতীয় রেলনির্মাণ প্রতিষ্ঠান ‘কালিন্দি রেল নির্মাণ’। এই রেললাইনটি ভারতের আসাম রাজ্যের সাথে যুক্ত রয়েছে। ইতিমধ্যে প্রকল্পের ৬০/৭০ ভাগ কাজ বাস্তবায়ন হয়েছে। যদিও চুক্তি অনুয়ায়ি চলিত বছরের ৩০ জুনের মধ্যে প্রকল্পের শতভাগ কাজ সম্পন্নের কথা ছিল।
প্রকল্পকাজের অগ্রগতির সাথে স্থানীয়সহ বিভিন্ন মহল থেকে দাবি ওঠে ভারত-বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের উন্নয়নে বড়লেখা উপজেলার শাহবাজপুর (লাতু) স্টেশন এলাকায় রেলওয়ে বন্দর স্থাপনের। বিষয়টি নজরে আসে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের। এরই পরিপ্রেক্ষিতে কাষ্টমস ও রাজস্ব বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সীমান্তের জিরো পয়েন্ট ও রেল স্টেশন এলাকা পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শন শেষে কাষ্টমসের সিলেট বিভাগীয় এসিস্টেন্ট কমিশনার ইসলামুল হক ও বিভাগীয় রাজস্ব কর্মকর্তা শ্রাবন্তী আফরোজ জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের বলেন, এখানে সরকারের রেলওয়ে বন্দর স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। রেলবন্দর স্থাপনের যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। বন্দর স্থাপনের পক্ষে তারা রিপোর্ট দিবেন। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন আহমদ, রেলনির্মাণ প্রকল্প সংশ্লিষ্ট লোকজন ও ৫২ বিজিবি’র লাতু বিওপির ক্যাম্পের সদস্যরা।







