যুক্তরাজ্যে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করলেন সিলেটের মুহিব
যুক্তরাজ্যের খ্যাতনামা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইউনিভার্সিটি অব ওলভারহ্যাম্পটন থেকে ইন্টারন্যাশনাল রিলেশন্স (আন্তর্জাতিক সম্পর্ক) বিষয়ে গবেষণাভিত্তিক উচ্চতর ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন সিলেটের সন্তান মুহিবুর রহমান।
২৮ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত সমাবর্তন অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে ডিগ্রি গ্রহণ করেন তিনি।
মুহিবুর রহমান সিলেট নগরীর নবাব রোড এলাকার বাসিন্দা মরহুম আশরাফ আলী মরহুমা আনোয়ারা বেগম দম্পত্তির ছোট ছেলে।
যুক্তরাজ্যের খ্যাতনামা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইউনিভার্সিটি অব ওলভারহ্যাম্পটন শিক্ষালাভের পূর্বে তিনি সিলেটের ঐতিহ্যবাহী দি এইডেড স্কুল এন্ড কলেজ এবং সিলেট মেট্রাপলিটন ইউনিভার্সিটিতে অধ্যয়ন করেছেন।
ডিগ্রি অর্জনকারী মুহিবুর রহমান সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য ছিলেন।
তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তিনি অল্প বয়স থেকেই ছাত্ররাজনীতি, সিলেটের বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এবং সামাজিক কল্যাণমূলক উদ্যোগে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন। ব্যস্ত রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি তিনি সবসময় পড়ালেখায় মনোযোগ ধরে রাখার চেষ্টা করেছেন এবং একাডেমিক অগ্রযাত্রাও সফলভাবে অব্যাহত রেখেছেন।
তিনি আরও জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে দেশের অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং পরিবারের সিদ্ধান্তে তিনি দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন। স্থায়ীভাবে যুক্তরাজ্যে বসবাসের সুযোগ থাকলেও তিনি উচ্চশিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে একজন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী হিসেবে যুক্তরাজ্যে যাওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
মুহিবুর রহমান জানান, তাঁর মূল লক্ষ্য উচ্চশিক্ষা ও অর্জিত অভিজ্ঞতাকে দেশের মানুষের কল্যাণে কাজে লাগানো। তিনি বলেন, দেশে ফিরে পুনরায় রাজনীতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হতে চান। তাঁর বিশ্বাস, যুক্তরাজ্যের স্বনামধন্য ইউনিভার্সিটি অব ওলভারহ্যাম্পটন থেকে অর্জিত আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে গবেষণাভিত্তিক উচ্চতর ডিগ্রি দেশের মানুষের সেবায় এবং জাতীয় উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে সহায়ক হবে।
মুহিবুর রহমান সিলেট নগরীর দি এইডেড হাই স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র। পরবর্তীতে তিনি সিলেট মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর সিলেট ল’ কলেজ থেকে এলএলবি সম্পন্ন করে সিলেট জজ কোর্টে একজন শিক্ষানবিশ আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি তিনি দীর্ঘদিন ধরে ছাত্ররাজনীতি ও বিভিন্ন সামাজিক-স্বেচ্ছাসেবী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে জনসেবামূলক কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন।
তার এই সাফল্যে তাঁর পরিবার, সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং রাজনৈতিক সহযোদ্ধারা আনন্দ ও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে তাঁর ভবিষ্যৎ জীবনের সাফল্য কামনা করেছেন।







