মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের বড় সাফল্য অর্জন
উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা অঙ্গনে অনন্য মাইলফলক অর্জন করেছেন দেশের অন্যতম শীর্ষ বেসরকারি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির আইন ও বিচার বিভাগের শিক্ষার্থীরা। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ সোসাইটি আয়োজিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে শিক্ষার্থীদের আটটি গবেষণাপত্রের সারসংক্ষেপ গৃহিত হয়েছে। একইসঙ্গে এতো বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থীর গবেষণাপত্রের সারসংক্ষেপ আন্তর্জাতিক সম্মেলনে গৃহিত হওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য সম্মান বয়ে এনেছে।
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ সোসাইটি ‘আন্তর্জাতিক রিসার্চ সামিট ২০২৬’ এর আয়োজন করেছে। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) থেকে শুরু হয়ে এই সম্মেলন চলবে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত।
এই সম্মেলনের জন্য মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির আইন ও বিচার বিভাগের শিক্ষার্থী শাহ সুলতানা তাকিয়া, শাহরিয়ার আলম মেহেদী তাপাদার, জয়ন্ত সেন, মো. তারেক মিয়া, শাহ ফজলে ইলাহি, রায়হান আহমদ তালুকদার, নুসরাত জাহান দোহা, খাতুনে জান্নাত ফাতেমা চৌধুরী সোনামণি, মনোয়ার আহমেদ তারেক, হোসাইন আহমেদ, নূরাহ সহিদ জোয়ারদার, মোছা. সামিয়া আক্তার হাফসা এবং মো. বিপ্লব আহমেদের গবেষণাপত্রের সারসংক্ষেপ গৃহিত হয়েছে। এসব শিক্ষার্থী সাংবিধানিক আইন, মানবাধিকার, পরিবেশ ন্যায়বিচার, লিঙ্গ সমতা, মানসিক স্বাস্থ্য, চিকিৎসা অবহেলা এবং বিচারিক উদ্ভাবনসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে গবেষণা করেছেন।
শিক্ষার্থীদের এমন সাফল্যকে অভিনন্দিত করেছেন মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ড. তৌফিক রহমান চৌধুরী, বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান তানভীর রহমান চৌধুরী এবং উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ ইসরাত ইবনে ইসমাইল। শিক্ষার্থীরাও তাঁদের অনুপ্রেরণা ও অব্যাহত সহযোগিতার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
এছাড়াও একাডেমিক পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করায় মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির স্কুল অব ল’র ডিন অধ্যাপক শেখ আশরাফুর রহমান, আইন ও বিচার বিভাগের প্রধান ড. এম জেড আশরাফুল এবং অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দের প্রতিও কৃতজ্ঞা জ্ঞাপন করেছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের মতে, শিক্ষকদের দিকনির্দেশনা, গবেষণাবান্ধব পরিবেশ এবং নিরবচ্ছিন্ন পরামর্শের ফলেই শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মানের গবেষণায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানান, মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি আইন ও বিচার বিভাগের শিক্ষার্থীরা শুরু থেকেই আন্তর্জাতিক ও দেশীয় পর্যায়ে গবেষণা, উদ্ভাবন এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। এবার আরেকটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তাদের গবেষণাপত্রের সারসংক্ষেপ গৃহিত হওয়া প্রমাণ করে, সৃজনশীল চিন্তা, একাডেমিক উৎকর্ষতা এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন গবেষণা চর্চার মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে বিশ্বমানের গবেষক তৈরি করা সম্ভব। এই সাফল্য কেবল একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নয়, এটি বাংলাদেশের তরুণ গবেষণা সংস্কৃতির এক উজ্জ্বল প্রতিচ্ছবি।







