দানশীলতার অন্য নাম আশরাফ উদ্দিন
নবীগঞ্জের দত্তগ্রামের কৃতি সন্তানের মানবসেবার অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী দত্তগ্রামের কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও দানশীল ব্যক্তিত্ব আশরাফ উদ্দিন এলাকার মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার পাত্রে পরিণত হয়েছেন। নিঃস্বার্থভাবে অবহেলিত ও অসচ্ছল মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি রূপ নিয়েছেন এক অনন্য মানবসেবকে।
দীর্ঘদিন ধরে এলাকার শিক্ষা, চিকিৎসা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান উন্নয়ন এবং দারিদ্র্য বিমোচনে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। বিশেষ করে কোনো ধরনের প্রচার-প্রচারণার আশা না করেই দুস্থ পরিবারের আর্থিক সহায়তা, অসচ্ছল মেয়েদের বিয়েতে সহযোগিতা, শীতবস্ত্র বিতরণ এবং বেকার যুবকদের স্বাবলম্বী করার মতো মহৎ কাজগুলোতে তাকে সর্বদা সামনের সারিতে পাওয়া যায়।
এলাকাবাসীর মতে, দত্তগ্রামের সন্তান আশরাফ উদ্দিন বরং সমগ্র নবীগঞ্জ সদর ইউনিয়নসহ পুরো উপজেলায় সামাজিক ও কল্যাণমূলক কার্যক্রমে অনন্য ভূমিকা রেখে চলেছেন। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, যেমন—মসজিদ, মাদ্রাসা ও কবরস্থানের সংস্কার এবং উন্নয়নে তাঁর আর্থিক অবদান অসামান্য।
আশরাফ উদ্দিনের এই মানবিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে স্থানীয়রা জানান, “তিনি আমাদের গর্ব। নিজের অর্জিত সাফল্য ও সামাজিক অবস্থানকে তিনি সাধারণ মানুষের কল্যাণে ব্যবহার করছেন। যেকোনো দুর্যোগ বা কঠিন সময়ে নবীগঞ্জবাসী আশরাফ উদ্দিনকে পাশে পায়।”
নিজের সামাজিক কর্মকাণ্ড নিয়ে অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে আশরাফ উদ্দিন জানান, “মানবসেবা কোনো অহংকারের বিষয় নয়, এটি দায়িত্ব। জন্মস্থান দত্তগ্রাম এবং প্রিয় নবীগঞ্জ উপজেলার মানুষের মুখে সামান্য হাসি ফোটাতে পারাটাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় স্বার্থকতা। আজীবন আমি অবহেলিত ও অসহায় মানুষের পাশে থেকে সেবা করে যেতে চাই।”
এলাকার সুশীল সমাজ ও তরুণ প্রজন্ম আশরাফ উদ্দিনের এই ত্যাগ ও মানবিক কাজকে অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখছে। তাঁদের মতে, সমাজে তাঁর মতো বিত্তবান ও মানবিক মানুষদের এগিয়ে আসা বর্তমান সময়ে অত্যন্ত জরুরি।








