ঔষধ বিক্রেতাদের সচেতনতা বৃদ্ধি প্রশিক্ষণে দায়িত্বশীলদের অনিয়ম
হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে ঔষধ বিক্রেতাদের সচেতনতা বৃদ্ধি প্রশিক্ষণে দায়িত্বশীলদের অনিয়মের তথ্য পাওয়া গেছে। আজমিরীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেে ডায়রিয়া চিকিৎসায় ওআরএস এবং জিংক ট্যাবলেট ব্যবহারের মাধ্যমে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের অসুস্থতা ও মৃত্যুহার কমানোর কর্মসূচির অধিনে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে ঔষধ বিক্রেতাদের নিয়ে একটি প্রশিক্ষণের আয়োজন করে। তবে সেখানে লাইসেন্সধারী অনেক বিক্রেতাই পাননি নিমন্ত্রণ।
রবিবার (১ মার্চ) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সভা কক্ষে ঔষধ বিক্রেতাদের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ নেয় দায়িত্বরত কর্মকর্তাগণ।
৩০ জন ঔষধ বিক্রেতাদের নিয়ে প্রশিক্ষণে শিশুদের অসুস্থাসহ শিশুদের মৃত্যু হার কমানো নিয়ে এবিষয়ে আলোচনা করেন দায়িত্বরত কর্মকর্তারা। প্রশিক্ষণ শেষে প্রত্যেক ঔষধ বিক্রেতাদের উপস্থিত সম্মানি ৫০০ করে টাকা ওহ ইফতারী দেওয়া হয়।
গোপন সূত্রে জানা গেছে, প্রশিক্ষণে উল্লেখিত তালিকায় যাদের নাম রয়েছে তাদের ৩০ জনের মধ্য ২০ জনের উপরে বিক্রেতাদের নেই ড্রাগ লাইসেন্স। অনেকের নেই কোনো রকম অভিজ্ঞতার সনদপত্রও। প্রকৃত ঔষধ বিক্রেতাদের নাম না দিয়ে নিজেদের মনগড়া তথ্য দিয়ে তালিকা তৈরি করেন দায়িত্ব কর্মচারীরা। নিজেদের চাহিদা মতো ব্যাক্তি দিয়ে অংশগ্রহণ করান প্রশিক্ষণে। ভূয়া বাজারের নাম দিয়ে বিক্রেতাদের নাম রয়েছে তালিকায়। উপজেলায় রুদ্র নগর ও মেলোয়া নামে কোনো বাজারের তথ্যও মিলেনি। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পাশে ফার্মেসিতে থাকলেও কাউকে নেওয়া হয়নি প্রশিক্ষণে।
ঔষধ বিক্রেতাদের নামে উল্লেখ করে জিংক ও ওআরএস ব্যাবহার ব্যবহার বলা হলেও সেই তালিকায় হোমিওপ্যাথিক ঔষধ বিক্রেতাদের নামও রয়েছে। ৩০ জনের মধ্য বেশ কয়েকজনকে কল দিলে ৯ জনই জানান তারা প্রশিক্ষণে অংশ নেয়নি।
তারা তাদের নির্ধারিত সম্মানিও পাননি। অনুপস্থিত ব্যাক্তিদের টাকা কে বা কারা নিয়েছেন তা নিয়ে তৈরি হয়েছে সমালোচনা। এমন করে প্রতিটি মিটিং অনিয়ম করে আসছে বলে জানা গেছে দায়িত্বরতরা।
বিষয়টি নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স অফিস সহকারী রতিশ রায় মুটোফোনে কথা হলে জানায়, তালিকায় সবাই উপস্থিত ছিলো। সবাইকেই টাকা দেওয়া হয়েছে। একই সময় অনুপস্থিতির বিষয়ে জানতে চাইলে জানান ৩ জন মনে হয় কম ছিলো।তালিকা আমার কাছেই দেওয়া হয়েছে আমিই দিয়েছি। প্রশিক্ষণ বরাদ্দেরর তালিকা দিতে নারাজ তিনি।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেন সরাসরি এই বিষয়ে বলেন, আগামিতে তালিকা হলে আপনাদেরকে বলেই করব। যারা ট্রেনিং করিয়েছেন তারাই তালিকা বিষয়ে জানেন। বিষটি আমি দেখবো।







