পাইলগাঁও জমিদার বাড়ির সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

ইতিহাস ও ঐতিহ্যের পরিচয় বহন করে পুরোনো জমিদার বাড়ি গুলোর অন্যতম তালিকায় রয়েছে সুনামগঞ্জ জেলার অন্তর্গত জগন্নাথপুর উপজেলার সু-প্রাচীন জমিদার বাড়ি, পাইল গাঁওয়ের জমিদার বাড়ি।
বর্তমানে গ্রামটির নামে উপজেলার আটটি ইউনিয়নের একটি হলো পাইল গাঁও ইউনিয়নের নাম। এই গ্রামের নামকরণ পাল বংশের সাথে সামঞ্জস্য রেখে করা হয়েছে কি না এর সঠিক তথ্য না থাকলেও ধারণা করা যায় পাল বংশ থেকেই এই গ্রামের নামকরণ। জানা যায় পাল বংশের বসতি এই গ্রামেই ছিলো।
যেভাবে জমিদার বাড়ি হয়ে ওঠে এই বাড়িটি
এখানে পাল বংশের পুরুষ পদ্মলোচনের এক মেয়ে ছিলো তার নাম ছিলো রুহিনী। এই রুহিনীকে বিয়ে করে ঘরজামাই হন কানাইলাল ধর নামের এক ব্যক্তি, যার কয়েক প্রজন্ম পরে বালকদাস নামের একজন বংশ বিস্তার করেন তৎপর ওই বংশে জন্ম গ্রহন করেন উমানন্দ ধর ওরুফে বিনোদ রায় এবং এই বিনোদ রায়ের পঞ্চম পুরুষ হলেন হুলাসরাম।
বানিয়াচংয়ের দেওয়ান উমেদ রাজার প্রধান কর্মচারীর পদে আসিন ছিলেন মোহন রামের ছেলে হুলাস রাম। দেওয়ান উমেদ রাজা তাকে চাষাবাদের অনুপযোগী কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ বিশাল আয়তনে যে জমি দান করেছিলেন হুলাসরাম এই জমি একসময় নিজ আওতাভুক্ত এনে বন্দবস্ত করেন। দেওয়ানের দান কৃত ভূমি থেকেই হুলাসরাম পাইল গাঁও জমিদার বাড়ির ইতিহাস রচনা করেন।
হুলাসরামের পিতা- মোহন রাম তার পিতা- মদন রাম তার পিতা- মাধব রাম তার পিতা- বিনোদ রায়। প্রাচীন স্হাপনা গুলোর অন্যতম নিদর্শন পাইল গাঁওয়ের এই জমিদার বাড়ি এখন শুধুই স্নৃতি।






