রঙের আলোয় আলোকিত দিন

কথাসাহিত্যিক, ইমদাদুল হক মিলন
বাংলার সবুজ প্রান্তরে দাঁড়িয়ে আছেন সাতজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। আকাশের দিকে উত্তোলিত হাতে অস্ত্র। পেছনের আকাশ আলোকিত হয়েছে লাল সূর্যের আলোয়। উনিশ শ একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের কাল। যুদ্ধজয়ের কোনো এক মুহূর্তের ছবি। পাশেই ঢাকা শহরের একটি বাড়ির ছাদ। ছোট্ট শিশুটি একাকী দাঁড়িয়ে আছে ছাদে। গভীর কৌতূহল নিয়ে তাকিয়ে আছে বাড়ির সামনের রাস্তার দিকে।
সেই রাস্তায় আন্দোলনরত হাজার হাজার মানুষ। শিশুটির মাথার ওপরকার আকাশে স্থির হয়ে আছে আততায়ী হেলিকপ্টার। এ হচ্ছে ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের কোনো এক দিনের ছবি। একই ক্যানভাসে অতি যত্ন আর মমতায় ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে আমাদের জাতীয় জীবনের দুই গৌরবের ছবি।
এই ছবি গভীর মনোযোগ দিয়ে আঁকছিল এক শিশুকন্যা। সে বসেছে আসনপিঁড়ির ভঙ্গিতে। কোলের ওপর বোর্ডে আটকানো সাদা কাগজ। পাশেই ছড়ানো-ছিটানো অনেকগুলো রং পেনসিল। পেনসিল ঘষে ঘষে সে তার কল্পনার পৃথিবী থেকে একটার পর একটা রং টেনে এনে ফুটিয়ে তুলছিল দুই সময়কার দুই ছবি।
আমি অনেকক্ষণ ধরে তার পাশে দাঁড়িয়ে আছি। মুগ্ধ বিস্ময়ে তার ছবি আঁকা দেখছি। সে একবারও আমার দিকে ফিরে তাকায়নি। নিজের কল্পনার ভুবন থেকে, বহু রঙের মাখামাখি হয়ে থাকা জগৎ থেকে বাস্তব জগতে ফিরছেই না। যেন সে ডুবে আছে রবীন্দ্রনাথের সেই গানের মায়াবী ভুবনে—‘আমি আপন মনের মাধুরী মিশায়ে তোমারে করেছি রচনা…।’
ছবিটি সেই কন্যার একান্তই নিজস্ব। পৃথিবীর কোনো শিল্পকর্মের সঙ্গে তার ছবিটির কোনো মিল নেই। মিল আছে শুধু ইতিহাসের। দুই গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের দুটি মুহূর্তকে নিজস্ব ভঙ্গিতে সাদা কাগজে ফুটিয়ে তুলতে চেয়েছে সে। বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার বিষয়ই ছিল ‘একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ ও চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান’। একই ক্যানভাসে ফুটিয়ে তুলতে হবে দুই সময়কার ছবি।
এত বড় চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা বাংলাদেশে কখনো হয়েছে বলে আমার জানা নেই। মাস দেড়েক ধরে প্রস্তুতি চলছিল। ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের পত্রিকাগুলোতে, টেলিভিশন আর অনলাইনে প্রচারিত হচ্ছিল এই প্রতিযোগিতার বিজ্ঞাপন। দুই ক্যাটাগরিতে হবে প্রতিযোগিতা। ক্যাটাগরি-১-এ থাকবে তৃতীয় থেকে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা। সপ্তম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ক্যাটাগরি-২। শেষ পর্যন্ত সারা দেশ থেকে রেজিস্ট্রেশন করল ১০ হাজার ৩৩ জন শিক্ষার্থী। ১২ ডিসেম্বর শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয় প্রতিযোগিতা। সব মিলিয়ে প্রায় ছয় হাজার শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। সঙ্গে ছিলেন তাদের অভিভাবকরা। সর্বমোট ১২-১৩ হাজার মানুষের মিলনমেলা।
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার স্পোর্টস জোনেই বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ। সেদিন সকালবেলার আলোয় দেখা গেল শিক্ষার্থী আর অভিভাবকের মিছিল চলেছে সে দিকটায়। এত বড় আয়োজন নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করার জন্য পরিবহনের ব্যবস্থা করা হয়েছিল বসুন্ধরা গ্রুপ থেকে। গ্রুপের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানস্থলে। প্রায় ৭০০ কর্মসহযোগী ছিল শিশুশিল্পীদের নির্ধারিত স্থানে পৌঁছে দেওয়ার জন্য আর অভিভাবকদের তাঁদের জন্য নির্ধারিত স্থানে পৌঁছে দেওয়ার জন্য। প্রত্যেককেই দেওয়া হয়েছিল খাবারের প্যাকেট আর পানির বোতল। অংশগ্রহণকারীদের দেওয়া হয়েছিল ছবি আঁকার কাগজ। তাদের তত্ত্বাবধানের জন্য স্বেচ্ছাসেবীর বিশাল দল ছিল।
নিরাপত্তার জন্য ছিল বসুন্ধরা গ্রুপের নিজস্ব নিরাপত্তারক্ষীরা। সব মিলিয়ে নিখুঁত ও নিশ্ছিদ্র ব্যবস্থা। প্রতিটি শিশুর প্রতি লক্ষ রাখা হয়েছে, প্রত্যেক অভিভাবকের প্রতি লক্ষ রাখা হয়েছে। কোথাও কোনো বিশৃঙ্খলা বা অনিয়মের চিহ্ন ছিল না। ক্যাটাগরি-১-এর আঁকিয়েরা বসেছিল স্কুলের ক্লাসরুমগুলোতে। তাদের অভিভাবকরা বসেছিলেন বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের দক্ষিণ দিককার বিশাল মাঠটিতে। সেখানে শামিয়ানা টানিয়ে চার-পাঁচ হাজার মানুষের বসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।
স্কুল ভবনে খুদে আঁকিয়ের সংখ্যা ছিল তিন হাজারের কাছাকাছি। ক্যাটাগরি-২-এর আঁকিয়েদের আঁকার জায়গা নির্ধারিত হয়েছিল ইনডোর স্টেডিয়ামে। সেখানেও তিন হাজারের মতো শিক্ষার্থী। মেঝেতে সুন্দর কম্বল পেতে তাদের বসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। একদিকে শিক্ষার্থীদের নানা রঙের পোশাক, অন্যদিকে তাদের সামনে রাখা বোর্ডে আঁকা হচ্ছে বহুবর্ণের ছবি। সব মিলিয়ে এ যেন এক রঙিন পৃথিবী। আমি যে কন্যাটির ছবি আঁকা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছিলাম, জায়গাটা ছিল ইনডোর স্টেডিয়াম। দেড় লাখ বর্গফুটের একটি জায়গায় তিন হাজারের মতো ছেলেমেয়ে বসে ছবি আঁকছে, এ রকম দৃশ্য জীবনে দেখিনি। আর দেখব কি না তা-ও জানি না। স্মৃতিতে অম্লান হয়ে থাকবে দৃশ্যটি।
এই প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের সর্বমোট ৩০ লাখ টাকা মূল্যমানের ১৪৩টি পুরস্কার দেওয়া হবে। দুই বিভাগের প্রথম পুরস্কারের অর্থমূল্য তিন লাখ করে টাকা। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে এক লাখ টাকার বিশেষ পুরস্কার। এ-ও এক রেকর্ড। বাংলাদেশে কোনো চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় এত টাকা পুরস্কারের ইতিহাস নেই। নিরাপত্তাব্যবস্থা ছিল অসাধারণ। স্বেচ্ছাসেবীরা অতিযত্নে তাদের দায়িত্ব পালন করেছেন। এত বড় আয়োজনে চুল পরিমাণ বিচ্যুতি ঘটেনি কোথাও। অংশগ্রহণকারী ও অভিভাবকরা প্রত্যেকেই তাঁদের মুগ্ধতা প্রকাশ করে গেছেন আয়োজন দেখে।
চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার এই অভিনব ধারণাটি এসেছিল বসুন্ধরা গ্রুপের মাননীয় চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানের মাথা থেকে। বিজয়ের মাস সামনে নিয়ে একাত্তর ও চব্বিশের কথা স্মরণে রেখে প্রতিযোগিতার আয়োজন করার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। সার্বিক দায়িত্ব দেওয়া হলো কালের কণ্ঠের নির্বাহী সম্পাদক হায়দার আলীকে। তাঁর সহযোগী হিসেবে নির্ধারণ করা হলো নিউজ টোয়েন্টিফোরের আশিকুর রহমান শ্রাবণকে। তাঁদের সঙ্গে যুক্ত করা হলো কালের কণ্ঠের পরিকল্পনা সম্পাদক শিল্পী মাহবুবুল হককে। এই তিনজনের সঙ্গে যুক্ত করা হলো বসুন্ধরা গ্রুপের ঊর্ধ্বতন আরো কয়েকজনকে। যুক্ত হলেন বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. আনিছুর রহমান। প্রতি শনিবার স্কুল ভবনে একত্রিত হয়েছেন এইসব মানুষ। প্রতিযোগিতাটি কতটা নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করা যায়, সেই আলোচনা চলেছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা।
প্রাথমিকভাবে ছবি বাছাইয়ের জন্য শিল্পী মাহবুবুল হকের নেতৃত্বে আরো ১৪ জন অত্যন্ত মেধাবী চিত্রশিল্পীর একটা টিম করা হয়েছিল। তাঁদের ওপরে ছিল পাঁচজন বিশিষ্ট শিল্পীর সমন্বয়ে গঠিত একটি প্যানেল। সেই প্যানেলের প্রধান ছিলেন বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী মনিরুল ইসলাম, ছিলেন আবদুস শাকুর শাহ্। শিল্পী ফরিদা জামান ছিলেন, ছিলেন বহুমাত্রিক শিল্পী, অভিনেতা ও নির্মাতা, কবি ও কথাশিল্পী আফজাল হোসেন, ছিলেন শিল্পী ও লেখক ধ্রুব এষ। সকাল ১০টায় প্রতিযোগিতা শুরু হওয়ার কথা। শুরু হলো সাড়ে ১০টায়। কারণ তখনো অনুষ্ঠানস্থলে এসে হাজির হতে পারেনি বহু প্রতিযোগী।
সাড়ে ১০টায় অনুষ্ঠান শুরু হয়ে গেল। দেখা গেল তখনো দুজন চারজন করে প্রতিযোগী আসছেই। সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো, কোনো প্রতিযোগীকেই ফেরত পাঠানো হবে না। দুপুর ১২টায় প্রতিযোগিতা শেষ হওয়ার কথা। এই সময়ের মধ্যে যে প্রতিযোগীই আসবে, তাকেই অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হবে।একজন প্রতিযোগীর কথা মনে পড়ছে। সে এলো ১১টা ৪০-এ। এসে প্রস্তুতি নিতে আরো মিনিট পাঁচেক লাগল তার। তারপর ঠিক ১০ মিনিট সময়ের মধ্যে অতি সরল আঙ্গিকে অসামান্য একটি ছবি আঁকল। ১২টা বাজার পাঁচ মিনিট আগেই সে তার ছবি আঁকার সরঞ্জাম গুটিয়ে হাসি হাসি মুখ করে বসে রইল।
মাহবুবুল হকের নেতৃত্বে যে ১৪ জন তরুণ শিল্পী ছিলেন, তাঁরা ঘুরে ঘুরে প্রতিটি ক্লাসে যাচ্ছিলেন। ছবি আঁকার তদারকি করছিলেন। ইনডোর স্টেডিয়ামে গিয়েও দায়িত্ব পালন করে এলেন। ১১টার মধ্যে মূল বিচারকদের চারজনই চলে এলেন। শাকুর সাহেব আসতে পারলেন না। তিনি অসুস্থ। ধ্রুব এষ সাধারণত কোনো অনুষ্ঠানে যান না। তাঁর জীবন হচ্ছে সন্ন্যাসীদের মতো। তিনি হচ্ছেন সংসারে এক সন্ন্যাসী। ঘরে বসে ছবি আঁকেন, লেখালেখি করেন। নিজের ওইটুকু চৌহদ্দির বাইরে তাঁকে বলতে গেলে দেখাই যায় না। এই অনুষ্ঠানে এসে তিনি খুবই উচ্ছ্বসিত।
ঘুরে ঘুরে শিশুদের ছবি আঁকা দেখছেন। শিশুদের মতোই মুগ্ধ হচ্ছেন। ফরিদা জামান বসুন্ধরা আবাসিক এলাকাতেই থাকেন। তাঁর উচ্ছ্বাসও ছিল লক্ষ করার মতো। প্রাণ খুলে আড্ডা দিচ্ছিলেন। নানা ধরনের স্মৃতিচারণা করছিলেন। একটা সময় দেখি মনিরুল ইসলাম, ফরিদা জামান, আফজাল হোসেন আর ধ্রুব এষ প্রিন্সিপাল সাহেবের রুমে বসে তুমুল আড্ডায় মেতে উঠেছেন। মনির ভাইয়ের রসবোধের তুলনা নেই। এত প্রাণবন্ত ভঙ্গিতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলছিলেন, আমরা মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম তাঁর কথা শুনতে শুনতে। আড্ডার ফাঁকে ফাঁকে আফজাল হোসেন তাঁর মোবাইলে একের পর এক ছবি তুলছিলেন। চার শিল্পীরই সাক্ষাৎকার নিতে জড়ো হয়েছিলেন টিভি, অনলাইন ও প্রিন্ট ভার্সনের সাংবাদিকরা। আড্ডার ফাঁকে ফাঁকে চা-কফি খেতে খেতে সাক্ষাৎকারও দিয়ে যাচ্ছিলেন শিল্পীরা।
এক অভূতপূর্ব দৃশ্য দেখা গেল ১২টা বাজার পরপরই। স্কুল ভবনের বিভিন্ন তলা থেকে সার ধরে নেমে আসছিল শত শত খুদে আঁকিয়ে। দৃশ্যটি দেখে বিচারক শিল্পীরা বাকরুদ্ধ হয়ে সেই দৃশ্যের দিকে তাকিয়ে রইলেন। আফজাল একের পর এক ছবি তুলে গেলেন। তাঁর মুগ্ধতা ছিল লক্ষ করার মতো। অতি সুশৃঙ্খল ভঙ্গিতে খুদে আঁকিয়েরা সারি ধরে বেরিয়ে যাচ্ছে। বাইরে অপেক্ষায় আছেন অভিভাবকরা। শিশুটি ঠিকমতো পৌঁছে যাচ্ছে অভিভাবকের কাছে।
তারপর শুরু হয়েছিল ছবি বাছাইয়ের কাজ। দুই ক্যাটাগরিতে কম-বেশি ছয় হাজার ছবির মধ্য থেকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হলো শ পাঁচেক ছবি। এই কাজটি করলেন মাহবুবের নেতৃত্বে ১৪ জন তরুণ শিল্পী। সেখান থেকে বাছাই করা হলো ১৪৩টি ছবি। এই বাছাইকর্মটি করলেন মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে অন্য চার শিল্পী। আমি দাঁড়িয়ে আছি শিল্পীদের পাশে। মাহবুবকে নিয়ে তরুণ ১৪ শিল্পীও আছেন। লক্ষ করলাম, ছবি বাছাই করতে হিমশিম খাচ্ছেন তাঁরা। কোন ছবি রেখে কোনটি নির্বাচন করবেন? একই মানের ছবি অনেক। তারপর চুলচেরা বিশ্লেষণ। ঘণ্টা তিনেক লেগেছিল পুরস্কার বিজয়ী ছবিগুলো নির্বাচন করতে। এক বিস্ময়কর প্রতিযোগিতার কাজটি শেষ হলো এইভাবে।
শিল্পী মনিরুল ইসলাম আমার অত্যন্ত প্রিয় ব্যক্তিত্ব। সকাল ১১টায় এসেছিলেন তিনি। সারাটা দিন অক্লান্তভাবে কাটিয়ে দিলেন আমাদের সঙ্গে। ফাঁকে ফাঁকে তুমুল আড্ডা চলল। স্পেনের মাদ্রিদে জীবনের ৫০টি বছর অতিবাহিত করেছেন। স্পেনের রানির হাত থেকে সে দেশের সর্বশ্রেষ্ঠ সম্মাননা গ্রহণ করেছেন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে, বিভিন্ন চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার বিচারক হয়ে গিয়েছেন। সেইসব অভিজ্ঞতার কথা সরস ভঙ্গিতে বললেন। এই মহান শিল্পীর পাশে এতটা সময় কাটানোর সৌভাগ্যে আমি উদ্বেলিত। আমাদের আয়োজন নিয়ে তিনি বললেন, ‘বাংলাদেশের একটি জায়গায় ছয় হাজার শিশু একসঙ্গে একটি প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে, এটি আমার দেখা প্রথম ঘটনা। এমন সুশৃঙ্খল আয়োজন, রং কাগজের সুবিন্যস্ততা, এত মানুষের পরিশ্রম, এটি নিজেই এক বিশাল শিল্প।’
লিখেছেন : কথাসাহিত্যিক এবং উপদেষ্টা, বসুন্ধরা গ্রুপ







