ভারত–পাকিস্তান মুখোমুখি আজ

২০২৫ এশিয়া কাপের ফাইনালে সর্বশেষ দেখা হয়েছে ভারত ও পাকিস্তানেররয়টার্স কলম্বোর হোটেলে জায়গা নেই। প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামের ৩৫ হাজার আসনের সব টিকিটও শেষ। কালোবাজারে মিললেও দাম চার গুণ বেশি। ভারত থেকে কলম্বো যাওয়ার ফ্লাইটে টিকিটের দামও আকাশছোঁয়া। শ্রীলঙ্কার ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট থেকে জানা গেছে, ফেব্রুয়ারির প্রথম ১০ দিনে শ্রীলঙ্কায় আসা ১ লাখ পর্যটকের প্রায় ২০ শতাংশই এসেছেন ভারত-পাকিস্তান ম্যাচটি দেখতে।
আজ সেই ম্যাচ—যে ম্যাচ হবে কি না, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে হারিয়ে যেতে বসেছিল ক্রিকেটটাই। শেষ পর্যন্ত আইসিসির কূটনৈতিক তৎপরতায় এ ম্যাচ ও ক্রিকেট পুনরুদ্ধার হলেও একটি প্রশ্ন থেকেই যায়। ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ এমনিতেই ক্রিকেটে সবচেয়ে আকর্ষণীয় লড়াই, এবার টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে রাজনৈতিক কারণে ম্যাচটি নিয়ে শঙ্কা তৈরি হওয়াই কি মানুষের আগ্রহের পারদ চূড়ায় ওঠার কারণ? নইলে বার্তা সংস্থা এএফপি কীভাবে ধারণা করে ‘শোডাউন ইন কলম্বো’য় ভাঙতে পারে দর্শকের রেকর্ড!
অথচ কিছুদিন আগে ক্রিকেটপ্রেমীদের মনই ভেঙে যেতে বসেছিল। মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ায় বাংলাদেশ দলকে নিরাপত্তাশঙ্কায় ভারতে পাঠাতে রাজি হয়নি বিসিবি। কিন্তু বিসিবির শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ আইসিসি যেমন মানেনি, তেমনি বাংলাদেশও নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকায় শেষ পর্যন্ত তাদের ছাড়াই হচ্ছে এবারের টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপ।
ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে অনিশ্চয়তা শুরুর জ্বালামুখ ছিল বাংলাদেশের বাদ পড়ার ঘটনাই। কারণ, পাকিস্তান এরপরই কলম্বোর আজকের ভারত ম্যাচ বয়কটের ঘোষণা দেয়। স্বয়ং দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ঘোষণা দেন—বাংলাদেশের পাশে থাকতেই তাঁদের এই সিদ্ধান্ত।
পাকিস্তানে সিদ্ধান্ত অটল থাকলে বিশ্ব ক্রিকেটই বড় আর্থিক ক্ষতির মধ্যে পড়ত। আইসিসি তাই উদ্যোগী হয়ে লাহোরে পিসিবি ও বিসিবির সঙ্গে যৌথ সভা করে সংকট নিরসনের জন্য। সেই সভায় আইসিসি বেশ কিছু শর্ত পূরণের আশ্বাস দেওয়ার পরই পাকিস্তান সরকার পিসিবিকে ম্যাচটি খেলার অনুমতি দেয়।





