ওয়ালটন প্লাজার কিস্তি ক্রেতার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা
ওয়ালটন প্লাজার ‘কিস্তি ক্রেতা ও পরিবার সুরক্ষা নীতি’র আওতায় আর্থিক সহায়তা পেলেন মৃত এক কিস্তি ক্রেতার পরিবার। ওই পরিবারের বাকি সব কিস্তি মওকুফ করার পাশাপাশি নগদ ৫০ হাজার টাকা তুলে দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, গত ২৯ মার্চ চুনারুঘাটের রাজ্জাকপুর গ্রামের বাসিন্দা মোছাঃ আমেনা বেগম ওয়ালটন প্লাজা থেকে কিস্তিতে একটি ফ্রিজ কেনেন। গত ১১ আগস্ট তিনি স্ট্রোক করে মারা যান। এই পরিস্থিতিতে ওয়ালটন প্লাজা কর্তৃপক্ষ তাদের সুরক্ষা নীতির আওতায় আমেনা বেগমের পরিবারের পাশে দাঁড়ায়।
গত ৭ সেপ্টেম্বর শায়েস্তাগঞ্জের ওয়ালটন প্লাজা শাখায় এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমেনা বেগমের স্বামী মোঃ ফারুক মিয়ার হাতে এই আর্থিক সহায়তা তুলে দেওয়া হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন প্লাজার রিজিওনাল ক্রেডিট ম্যানেজার সাব্বির আহমেদ, শায়েস্তাগঞ্জ থানার সেকেন্ড অফিসার কাওছার আহমেদ, সাবেক কাউন্সিলর আলহাজ্ব আব্দুল মজিদ, প্লাজা ম্যানেজার মোঃ আব্দুল হক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
ওয়ালটন প্লাজার রিজিওনাল ক্রেডিট ম্যানেজার সাব্বির আহমেদ বলেন, “আমরা কিস্তিতে পণ্য কেনা গ্রাহকদের জন্য বিশেষ ‘কিস্তি ক্রেতা ও পরিবার সুরক্ষা নীতি’ চালু করেছি। এর মাধ্যমে কিস্তি চলাকালীন সময়ে কোনো ক্রেতার মৃত্যু হলে পণ্যমূল্যের ওপর ভিত্তি করে ৫০ হাজার থেকে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। যদি পরিবারের কোনো সদস্য মারা যান, সেক্ষেত্রে ২৫ হাজার থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত সহায়তা দেওয়া হয়।” তিনি আরও জানান, এই সহায়তার আগে পণ্যের বাকি থাকা কিস্তির টাকা সমন্বয় করা হয়।
আর্থিক সহায়তা পেয়ে ফারুক মিয়া ওয়ালটন প্লাজাকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, “অন্যান্য অনেক কোম্পানি কিস্তিতে পণ্য বিক্রি করলেও এমন আর্থিক সুবিধা দেয় না। ওয়ালটন প্লাজা ক্রেতাদের কথা চিন্তা করে এই অভাবনীয় কাজটি করে দেখাচ্ছে।” তিনি আরও বলেন যে এই ধরনের উদ্যোগ ওয়ালটনকে সবার থেকে আলাদা করে তুলেছে এবং ক্রেতাদের আস্থা বাড়াতে সাহায্য করছে।








