বড়লেখা সদর ইউনিয়ন উন্নয়ন ফোরামের উদ্যোগে রিং কুয়া, ঢেউ টিন, আর্থিক অনুদান
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় সদর ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি গ্রামগুলোর মধ্যে ডিমাইয়ের অধিকাংশ প্রান্তিক জনগোষ্ঠী সারা বছর ঝিরি ও ঝরনার পানির ওপর নির্ভর হয়ে জীবনধারণ করে। ঘরের নিত্য ব্যবহার্য কাজসহ পানি পানের জন্য এই ঝিরি ও ঝরনার পানি ব্যবহার করা হয়। সাধারণত বর্ষার সময় থেকে শীত মৌসুম পর্যন্ত এসব উৎস থেকে পানি সংগ্রহ করা গেলেও মাঘ-ফাল্গুন থেকে পাহাড়ে সুপেয় পানির সঙ্কট দেখা দেয়।
ডিমাই এলাকার অধিকাংশ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী পরিবার আশপাশের নিচু জায়গায় কুয়া থেকে পানি সংগ্রহ করলেও শুকনো মৌসুমেও এসব কুয়া শুকিয়ে যায়। ফলে সুপেয় পানির অভাবে ধুঁকতে হয় দুর্গম পাহাড়ি গ্রামের সাধারণ মানুষকে। আর তাদের সুপেয় পানির সংকট দূরীকরণে পাশে দাড়িয়েছেন বড়লেখা সদর ইউনিয়ন উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান ও সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুর রহমান শাহীন।
বড়লেখা সদর ইউনিয়ন উন্নয়ন ফোরামের উদ্যোগে রোববার (২৪ আগস্ট) দুপুর ১২টায় ডিমাই গ্রামের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কয়েকটি পরিবারকে সুপেয় পানি পান করার জন্য রিং কুয়া স্থাপনের উদ্বোধন করা হয়েছে। রিং কুয়া স্থাপনের যাবতীয় ব্যয়ভার বহন করেন সংগঠনটির চেয়ারম্যান ও বড়লেখা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুর রহমান শাহীন।
এ উপলক্ষে সদর ইউনিয়ন উন্নয়ন ফোরামের সদস্য সচিব মো. আতাউর রহমানের পরিচালনায় রিং কুয়া উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মুহিবুর রহমান ফারুক, এতে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সমাজসেবক আরব আলী।
বিশেষ অতিথি ছিলেন ক্রীড়া সংগঠক তুতিউর রহমান (তুতাব আলী), সমাজসেবক ও রাজনৈতিক সংগঠক মুজিব রাজা চৌধুরী, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা আবিদুর রহমান, ইউপি সদস্য আব্দুল কালাম, সমাজসেবক সেলিম চৌধুরী, বড়লেখা ফাউন্ডেশন ইউকে’র প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর শামীম আহমদ, মুজিবুর রহমান লাল প্রমূখ।
এছাড়াও বড়লেখা সদর ইউনিয়ন উন্নয়ন ফোরামের পক্ষ থেকে আধিবাসী মধু মনির মেয়ে রিবা লামিনকে একবান্ডিল ঢেউটিন, হত দরিদ্র আব্দুল আজিজের মেয়ের বিয়েতে আর্থিক অনুদান এবং একই গ্রামের দুরারোধ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত আছম আলী ছেলেকে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়।
এসময় বক্তারা বলেন, সমাজসেবক আব্দুর রহমান শাহীন ভবিষ্যতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং অবকাঠামো উন্নয়নে আরও বড় উদ্যোগ গ্রহণের পরিকল্পনা করবেন। আমরা তার এই সমাজিক উন্নয়নে সহযোগী হিসেবে কাজ করার চেষ্টা করবো।
তারা এই উদ্যোগের প্রশংসা করে আরও বলেন, বড়লেখা সদর ইউনিয়ন উন্নয়ন ফোরামের এই উদ্যোগ প্রমাণ করে যে তিনি এলাকার মানুষের জন্য কতটা নিবেদিতপ্রাণ। তার এই প্রচেষ্টা স্থানীয় মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সহায়ক হবে।








