বাগান ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে চা শ্রমিকদের মানববন্ধন

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার চন্ডিছড়া, পারকুল, সাতছড়ি, মাধবপুরের জগদিশপুরসহ ১৩টি চা-বাগানে ন্যাশনাল টি কোম্পানি ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এইচ এস এম জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে শৃঙ্খলা ও গতিশীলতা ফিরে এসেছে। তাঁর দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই এসব বাগানে কস্ট কন্ট্রোল, দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশ, চুরি প্রতিরোধ এবং চায়ের গুণগত মানের উন্নতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে শ্রমিক পর্যায় পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে জবাবদিহিতা ও কাজের গতি বেড়েছে। চা-বাগান সংশ্লিষ্টদের দাবি, এই অগ্রগতিতে ঈর্ষান্বিত হয়ে অতীতে দুর্নীতির দায়ে চাকরিচ্যুত একটি মহল আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তারা মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে শাহ হুমায়ুন কবির নামের একজনকে দিয়ে বাগানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, কর্মকর্তাবৃন্দ ও শ্রমিকদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। এসব অপপ্রচারের ফলে বাগানের স্বাভাবিক পরিবেশ হুমকির মুখে পড়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই পরিস্থিতিতে বুধবার সকালে তেলিয়াপাড়া চা-বাগানে শাহ হুমায়ুনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেন শতাধিক চা শ্রমিক। কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন বাগান পঞ্চায়েত সভাপতি খোকন পান তাঁতী, মহিলা সর্দার বিরেন্দ্র ভুনার্জি ও মহিলা নেত্রী প্রেম পান তাঁতী।
তারা বলেন, ‘চা-বাগানে শৃঙ্খলা ফেরাতে যারা নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন, তাদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যাচার কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না।’ তাঁরা হুমায়ুন কবিরের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করেন। পঞ্চায়েত সভাপতি কোখন পান তাতী বলেন, ‘আমরা শ্রমিকরা চা-বাগানকে ভালোবেসে পরিশ্রম করে যাচ্ছি। অথচ শাহ হুমায়ুন আমাদের কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করছে। সে হুমকি দিয়ে বলেছে, “আমার কথা না শুনলে ইউটিউবে তোমাদের মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে প্রচার করবো। এমন হুমকির ঘটনায় শ্রমিকদের মাঝে ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। শ্রমিকরা ঘোষণা দেন, শাহ হুমায়ুনকে দ্রুত আইনের আওতায় না আনা হলে তাঁরা কঠোর আন্দোলনে যাবেন। প্রয়োজনে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে কর্মসূচি ঘোষণা করারও হুঁশিয়ারি দেন তারা।
চা-শ্রমিকরা জানান, ইতিপূর্বে নানা অপকর্মের দায়ে একাধিক মামলা হয় হুমায়ুনের বিরুদ্ধে।







