মহানবী (সা.) কে কটূক্তির প্রতিবাদে
বানিয়াচংয়ের উলামায়ে কেরাম ও তৌহিদী জনতার সমাবেশ
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) কে নিয়ে কটূক্তিকারী পাপন চন্দ ঘোষের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বানিয়াচংয়ে সর্বস্তরের ওলামায়ে কেরাম ও তৌহিদী জনতা উদ্যোগে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ আগষ্ট) আসরের নামাযের পর বিভিন্ন স্থান থেকে খন্ড খন্ড বিক্ষোভ মিছিল সহকারে স্থানীয় শহীদ মিনারে এসে জড়ো হন হাজার হাজার তৌহিদী জনতা পরে সেখানে এক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় ।
প্রতিবাদ সমাবেশটি মাওলানা মুখলিছুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং মাওলানা মসিউর রহমানের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ডা. সাখাওয়াত হাসান জীবন, বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আহমেদ আলী মুকিব, বানিয়াচং থানার ওসি গোলাম মোস্তফা, দারুল কোরআন মাদ্রাসার শাইখুল হাদিস মাওলানা ফজলুর রহমান খান, বড় বাজার ব্যকসের সভাপতি আলহাজ্ব লুৎফুর রহমান, মাওলান মুজিবুর রহমান, মাওলান হাবিবুর রহমান, মাওলানা গোলাম কাদির, মাওললানা আব্দুল জলীল ইউসুফী, মাওলানা এখলাছুর রহমান রিয়াদ, মাওলানা মুনতাছির আলম সোহান, মাওলানা ইমরান আহমদ উসমানী, শরীফ উদ্দিন ঠাকুর সহ আর অনেকে।
এসময় ‘বিশ্ব নবীর অপমান, সইবে না রে মুসলমান; তোমার নেতা আমার নেতা, বিশ্বনবী মোস্তফা; তোমার আমার কালিমা, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ, জেগেছে রে জেগেছে, বিশ্ব মুসলিম জেগেছে; ভারতের দালালেরা হুঁশিয়ার সাবধান; জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ, দ্বীন ইসলাম জিন্দাবাদ; ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন হাজার হাজার তৌহিদী জনতা।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, নবীজী (সা.) কে নিয়ে কটূক্তিকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত করতে হবে। ইসলামের অবমাননা কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। এ জাতীয় কর্মকাণ্ডে প্রশাসনের নীরবতা জনগণের মাঝে ক্ষোভ সৃষ্টি করছে।
সমাবেশে আরও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলা হয়, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পাপন চন্দ ঘোষসহ জড়িতদের গ্রেফতার না করা হলে ২-৩ দিনের মধ্যে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। সমাবেশ থেকে দ্রুততম সময়ে ব্যবস্থা গ্রহণে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়।
আসামিকে আড়াল করা হলে বা তাকে গ্রেফতারে গাফিলতি হলে প্রশাসনকে এর জবাবদিহি করতে হবে। সমাবেশের শেষে বিশ্বের নিপীড়িত মুসলমানদের জন্য দোআ করা হয়।








