ঝড়ে ভেঙেছে ৮টি খুঁটি, বিদ্যুৎ নেই ৩৬ ঘন্টা
আজমিরীগঞ্জে প্রতিটি ইউনিয়নে বিদ্যুৎ থাকলেও শিবপাশা ইউনিয়নে বিদ্যুৎ নেই ৩৬ ঘন্টা ধরে। জরুরি সেবা মোবাইল চার্জ , ইন্টারনেট সেবা সহ সকল কিছুই অচল রয়েছে ইউনিয়নটিতে।
গত (২ এপ্রিল) ভোর বেলায় প্রাকৃতিক ঝড়ে আজমিরীগঞ্জ হতে শিবপাশা রাস্তায় প্রায় ৮ টি খুটি ভেঙে পড়ে। ২ এপ্রিল ভোর বেলা থেকেই বিদ্যুৎ বিহীন হয় শিবপাশা ইউনিয়নবাসী। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ, ইউনিয়ন অফিস, ক্লিনিক গুলো অন্ধকারাছন্ন হয়ে পরেছে। জরুরি সকল ধরনের সেবা বিদ্যুৎ না থাকায় বন্ধ রয়েছে।
সরজমিনে দেখা যায়, শিবপাশা সবুজ বাজারে টর্চ লাইট জ্বালিয়ে দোকানদারেরা ব্যাবসা করছেন। কিছু সংখ্যক ব্যবসায়ী প্রথম রাত আইপিএস ব্যাবহার করলে আজকে সকলেই মোমবাতি ও টর্চলাইট জালিয়ে ব্যবসা করছেন। শিবপাশা ইউনিয়নে প্রায় ৩ হাজার গ্রাহক ৩৬ ঘন্টা ধরে বিদ্যুৎহীন। চারপাশে অন্ধকার আর নিরবতা বিদ্যুৎতের অপেক্ষায় কাটছে গ্রাহকদের প্রহর। রাস্তা দেখা না মিলছে যানবাহনের। পায়ে হেটে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গা চলাচল করছে অনেকেই।
মোজাক্কির হোসাইন নামে এক ব্যাবসায়ী জানান, আমার কম্পিউটার দোকানে দুদিন ধরেই বিদ্যুৎ না থাকায় অনেকের জরুরি ডকুমেন্টস ও কাগজপত্র অনলাইন ও ফটোকপি করতে পারছিনা। বিদ্যুৎ কবে আসবে জানা নেই।
আলামিন নামে আরেক মুদি দোকান ব্যাবসায়ী জানান, বিদ্যুৎ না থাকায় বাজারে মানুষের সমাগম একেবারে কম।
অন্য দিনগুলোর তুলনায় জিনিসপত্র বিক্রি কম।
আকাশ মিয়া নামে এক বিদ্যুৎ গ্রাহক জানায় দুদিন বিদ্যুৎ না থাকায় ফ্রীজে থাকা সকল মাছ মাংসে পচা দুর্গন্ধ ধরেছে।
রাহিবুল নামে এক ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক চালক জানান, দুইদিন বিদ্যুৎ না থাকায় গাড়ী চার্জ করতে পারিনি। এমন করে সকল চালকরাই বাড়ীতে রয়েছে।
আজমিরীগঞ্জ পল্লি বিদ্যুৎ অফিসের এজিএম সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, আজমিরীগঞ্জ থেকে শিবপাশা রাস্তায় ৮ টি খুটি ভেঙে পড়েছে। আমরা দিনভর কাজ করছি ৬ টি খুঁটি ঠিক করতে পেরেছি বাকিগুলোর কাজ চলমান। রাতেও আমরা কাজ করে যাচ্ছি।







