কানাইঘাটে জাহাঙ্গীর হত্যা মামলার ৩ আসামীকে আদালতে প্রেরণ
সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার বড়বন্দ ৩য় খন্ড গ্রামের চাঞ্চল্যাকর জাহাঙ্গীর আলম (৩০) হত্যা মামলার ৩ আসামীকে গ্রেফতার পূর্বক মঙ্গলবার দুপুরে আদালতে প্রেরণ করেছে পুলিশ।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে সূত্রে জানা যায়, গত ১ জুলাই বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউনিয়নের বড়বন্দ ৩য় খন্ড গ্রামে করুনা সুন্দরী দিঘী সংলগ্ন রাস্তার উপর পারিবারিক বিরোধের জেরে জাহাঙ্গীর আলম (৩০) এর আসামী শামীম উদ্দিন (৪৫) তার ভাই ডালিম উদ্দিন(৩৫) নাঈম উদ্দিন (৩২) ও তারেক উদ্দিন (২৫) সহ অন্যান্য আসামীরা এলোপাথারি কোপাইয়া বাম পাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। পরে স্থানীয় লোকজন গুরুতর জখমি জাহাঙ্গীর আলমকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসামানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত ৯ টার দিকে তাকে মৃত ঘোষনা করেন। এই ঘটনায় ভিকটিমের ছোট ভাই মোঃ আলমগীর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে কানাইঘাট থানা পুলিশ হত্যা মামলা হিসাবে নথিভূক্ত করে।
এর পর থেকে সিলেট জেলার পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী যাবের সাদেক এর সার্বিক দিক নির্দেশনায় কানাইঘাট থানা পুলিশের এসআই শৈলেশ চন্দ্র দাসের নেতৃত্বে একদল পুলিশ আসামীদের গ্রেফতার করতে অভিযানিক কার্যক্রম শুরু করে।
তথ্যপ্রযু্ক্তিসহ নানা কৌশল অবলম্বন করে গত ৫ জুলাই শনিবার এজহার নামীয় ১নং আসামী শামীম উদ্দিন(৪৫) ২ নং আসামী ডালিম উদ্দিন(৩৫) ও ৪ নং আসামী তারেক উদ্দিন(২৫) এর অবস্থান নিশ্চিত হয়ে কানাইঘাট থানা পুলিশের অভিযানিক দল স্থানীয় থানা পুলিশের সহায়তায় কক্সবাজার থানা এলকা থেকে তাদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।গ্রেফতারকৃত শামীম উদ্দিন ও ডালিম উদ্দিন আপন দুই ভাই,তারা বড়বন্দ ৩য় খন্ড গ্রামের মৃত সিকন্দর আলীর পুত্র এবং আসামী তারেক উদ্দিন একই গ্রামের বিলাল উদ্দিনের পুত্র।
কানাইঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আমিনুল ইসলাম জানান,প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামীগন ভিকটিম জাহাঙ্গীর আলম (৩০)কে হত্যার ঘটনা স্বীকার করেছে।হত্যা মামলার অপর পলাতক আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ঘটনার দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামী গ্রেফতার করায় ভিকটিমের পরিবার পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।গ্রেফতারকৃত আসামীদের যথাযথ নিয়মে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।







