থাইল্যান্ডে স্কুলে ঢুকে শিক্ষিকা স্ত্রীকে হত্যা করলেন পুলিশ সদস্য
থাইল্যান্ডে এক পুলিশ কর্মকর্তা তার শিক্ষিকা স্ত্রীকে গুলি করে হত্যা করেছেন। বুধবার ব্যাঙ্ককের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত চোনবুরি প্রদেশে কিন্ডারগার্টেনে এই ঘটনা ঘটে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। তবে কিন্ডারগার্টেনের সব শিশু নিরাপদ রয়েছে।
আরব নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্ত্রীকে হত্যার পর বন্দুকধারী দক্ষিণ-পূর্ব ব্যাঙ্ককের চনবুরি প্রদেশে নিজের বাড়িতে ফিরে যায়। সেখানে পুলিশ তার আত্মসমর্পণ করানোর জন্য তার সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছিল। এর এক মাস আগেই দেশটিতে এক কিশোর তার দাদা-দাদিকে গুলি করার পর স্কুলের পাঁচজন কর্মী ও এক ছাত্রকে গুলি হত্যা করেন। এরপর তিনি নিজেও আত্মহত্যা করেন।
এই অঞ্চলে থাইল্যান্ডে বন্দুকের মালিকানার হার অন্যতম সর্বোচ্চ। অতীতে বন্দুক আইন কঠোর করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া সত্ত্বেও বারবার গোলাগুলির ঘটনা ঠেকানো যায়নি। নং প্লা লাই উপ-জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সায়ান ক্লোমাওন এএফপিকে জানান, ‘বন্দুকধারী এলাকারই একজন পুলিশ সদস্য।
তিনি স্থানীয় সময় সকাল প্রায় ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে স্কুলে এসে তার স্ত্রীকে গুলি করেন। গুলি করার আগে তিনি তার স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছিলেন।’
তিনি আরো বলেন, ‘ঘটনাটি শ্রেণীকক্ষের বাইরে ঘটায় কোনো ছাত্রছাত্রী তা দেখেনি। এরপর বন্দুকধারী বাড়ি চলে যান।’ চোনবুরির গভর্নর নারিস নিরামাইওং বলেন, ‘বন্দুকধারী যে বাড়িতে ছিল সেটি ঘিরে ফেলা হয়েছে এবং তার আত্মসমর্পণের জন্য আলোচনা করছে। তবে তার উদ্দেশ্যটি অস্পষ্টই রয়ে গেছে।’
ফেসবুকে দেওয়া এক বিবৃতিতে চোনবুরির গভর্নর নারিস নিরামাইওং নিশ্চিত করেছেন, ‘স্কুল থেকে তিনজন শিক্ষক ও অন্য তিনজন কর্মচারীসহ ৪৪ জন শিশুকেই নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে।’
গভর্নর রিস কিন্ডারগার্টেনটি বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং বলেছেন, ‘টনার প্রত্যক্ষদর্শী শিশু ও কর্মীদের মনস্তাত্ত্বিক সহায়তা প্রদান করা হবে।’ এর আগে বন্দুক ও ছুরি হাতে একজন প্রাক্তন পুলিশ সদস্য উত্তর থাইল্যান্ডের একটি নার্সারিতে হামলা চালিয়ে ২৪ জন শিশু ও ১২ জন প্রাপ্তবয়স্ককে হত্যা করে। যা ছিল দেশটির অন্যতম ভয়াবহ গণহত্যাগুলোর একটি।







