শান্তিগঞ্জে সেজদারত যুবককে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ, বাঁচাতে গিয়ে বাবা আহত
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে জুমার নামাজের সময় সেজদারত অবস্থায় নাহিদ ইসলাম (২৪) নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ উঠেছে। এসময় ছেলেকে রক্ষা করতে গিয়ে তার বাবা সাইফুর রহমান (৫৫) আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) উপজেলার বীরগাঁও পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে। আহত নাহিদ ইসলাম ও তার বাবা সাইফুর রহমান বীরগাঁও পশ্চিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
নাহিদের ভাই আবু বক্কর সিদ্দিক হিরুর অভিযোগ, জুমার নামাজের সময় নাহিদ ও তার বাবা মসজিদে নামাজ আদায় করছিলেন। এ সময় কয়েকজন তাদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় নাহিদকে ছুরিকাঘাত করা হয়। তাকে রক্ষা করতে গেলে তার বাবা সাইফুর রহমানও আহত হন। হামলায় রেজাউল, আফজল, জুনেল, সেবির, সুবাদসহ ৭-৮ জন অংশ নেন বলে তিনি দাবি করেন। এ সময় স্থানীয় ইউপি সদস্য জুবায়ের আহমেদ দাঁড়িয়ে থেকে হামলা করান বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নাহিদ ইসলাম ও পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জুবায়ের আহমেদের মধ্যে আগে থেকেই বিরোধ রয়েছে।
পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান রুজেল আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, জুবায়ের ও নাহিদের মধ্যে আগে থেকেই বিরোধ ছিল। ওই বিরোধের একটি ঘটনায় নাহিদ প্রায় দেড় থেকে দুই মাস কারাভোগ করে সম্প্রতি জামিনে বের হয়েছেন। শুক্রবার জুমার নামাজ পড়তে বীরগাঁও পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদে গেলে সেজদারত অবস্থায় তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়। এ সময় তার বাবা সাইফুর রহমানও আহত হন।
তবে হামলার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইউপি সদস্য জুবায়ের আহমেদ। তিনি বলেন, ঘটনার সময় তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না। একজন প্রকৌশলীর সঙ্গে একটি ব্রিজ পরিদর্শনে ছিলেন। নাহিদ কিছুদিন আগে একজনকে গুরুতর আঘাত করেছিলেন। এরপরও তিনি প্রকাশ্যে চলাফেরা করায় ক্ষুব্ধ হয়ে কেউ এ হামলা করেছে বলে তিনি খবর পেয়েছেন।
শান্তিগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক নুরুজ্জামান বলেন, এ ঘটনায় এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।







