মেক্সিকো উপকূলে নৌকাডুবির পর নিখোঁজ ১১
যুক্তরাষ্ট্রের মেক্সিকোর বাজা ক্যালিফোর্নিয়া উপকূলে নৌকাডুবির ঘটনায় এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ১১ জন। শুক্রবারের (১৬ অক্টোবর) এ দুর্ঘটনায় ১৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে উদ্ধার হওয়া কয়েকজনের শরীরে হাঙরের কামড়ের মতো গুরুতর ক্ষত পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের উপকূলরক্ষী বাহিনী।
উপকূলরক্ষী বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, নৌকাটিতে মোট ২৭ জন ছিলেন বলে জানিয়েছেন জীবিত উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাত ১টার দিকে নৌকা থেকে বিপৎসংকেত পাঠানো হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা পর উদ্ধারকারী হেলিকপ্টার ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
পরে উদ্ধারকারী সাঁতারুসহ একটি দল পানিতে থাকা ১৬ জনকে উদ্ধার করে। তাদের নিরাপদ স্থানে নিতে প্রায় দেড় ঘণ্টা সময় লাগে। উদ্ধার হওয়া কয়েকজনের শরীরে হাঙরের কামড়ের মতো গুরুতর ক্ষত ছিল। উদ্ধারের সময় তাদের জরুরি চিকিৎসাও দেওয়া হয়।
নিখোঁজ ১১ জনের সন্ধানে যুক্তরাষ্ট্রের উপকূলরক্ষী বাহিনী, নৌবাহিনী ও মেক্সিকোর নৌবাহিনী যৌথভাবে তল্লাশি চালাচ্ছে। এ কাজে একাধিক উড়োজাহাজ ও নৌযান ব্যবহার করা হচ্ছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) আরও একটি হেলিকপ্টার অভিযানে যুক্ত করার কথা জানানো হয়।
নৌকাটি মেক্সিকোর এনসেনাদা উপকূল থেকে প্রায় ২২৫ কিলোমিটার পশ্চিমে ডুবে যায়। এলাকাটি মাছ ধরা ও বিনোদনমূলক নৌভ্রমণের জন্য পরিচিত। তবে সেখানে চোরাচালানকারীদেরও যাতায়াত রয়েছে।
দুর্ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্রের জলসীমায় না ঘটলেও দেশটির উপকূলরক্ষী বাহিনী উদ্ধার অভিযানে সহায়তা করছে। বাহিনীর কর্মকর্তা চার্লি ভ্যালর জানান, সহায়তা করার সুযোগ থাকায় তাঁরা উদ্ধারকারী দল পাঠিয়েছেন।
এর আগেও মেক্সিকো থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী ও শরণার্থীদের নিয়ে যাওয়ার সময় প্রাণঘাতী নৌদুর্ঘটনা ঘটেছে। ২০২৫ সালের মে মাসে যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তের উত্তরে উপকূলে নৌকা উল্টে অন্তত তিনজনের মৃত্যু হয়। ২০২৩ সালে সান দিয়েগোর উপকূলে নৌকাডুবিতে আটজন নিহত হন।
এবারের দুর্ঘটনায় নিখোঁজ ১১ জনের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা এখনো জানা যায়নি। তাদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সূত্র: আল জাজিরা







