ঘাসফুল প্রতীকে নিষেধাজ্ঞা, পতাকা ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত
তৃণমূল কংগ্রেসের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে দলীয় নাম ও প্রতীক নিয়ে বিরোধের জেরে সম্প্রতি বড় পদক্ষেপ নিয়েছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। কমিশনের নির্দেশে আপাতত ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম ও ‘ঘাসফুল’ প্রতীকের ব্যবহার বন্ধ রাখা হয়েছে। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনের আগে কমিশনের এই সিদ্ধান্তে বিপাকে পড়েছেন রাজ্যটির পতাকা ব্যবসায়ীরা।
জানা যায়, হাওড়ার উনসানিতে তৃণমূলের জন্য তৈরি করে রাখা হয়েছে ‘ঘাসফুল’ প্রতীকের কয়েক লাখ পতাকা। এখন এই বিপুলসংখ্যক পতাকা কী হবে, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন ব্যবসায়ীরা।
উনসানির বাসিন্দা রাজু হালদারের পরিবারের দীর্ঘদিনের পেশা পতাকা তৈরি করা। সারা বছর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পতাকার পাশাপাশি জাতীয় ও ধর্মীয় পতাকাও তৈরি করেন তারা। তাদের তৈরি পতাকা শুধু পশ্চিমবঙ্গেই নয়, দেশের বিভিন্ন রাজ্যেও যায়।
রাজু হালদারের দাবি, তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য কয়েক লাখ ঘাসফুলের পতাকা তৈরি করে মজুত করে রাখা হয়েছিল। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের পর বিপুলসংখ্যক এসব পতাকা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে তাদের মধ্যে। ভবিষ্যতে ঘাসফুল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কী হয়, তার ওপরই ব্যবসায় বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তিনি।
মূলত নির্বাচন কমিশন আসন্ন উপনির্বাচনের জন্য তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীকেই আলাদা নাম ও প্রতীক দিয়েছে। ফলে মজুত থাকা ঘাসফুলের পতাকার ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নিয়ে এখন নির্বাচন কমিশনের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছেন উনসানির পতাকা প্রস্তুতকারীরা।







