শান্তিগঞ্জে গ্রামীণ সড়কের কোর নেটওয়ার্ক ও ‘রাইট অব ওয়ে’ সংরক্ষণে কর্মশালা
গ্রামীণ সড়ক ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, সড়কের তথ্যভাণ্ডার হালনাগাদ এবং সড়কের অধিকার (রাইট অব ওয়ে) সংরক্ষণের লক্ষ্যে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক, সড়ক অধিকার ও তথ্য যাচাইকরণ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুর ১২টায় শান্তিগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি), শান্তিগঞ্জ উপজেলা কার্যালয় এ কর্মশালার আয়োজন করে।
গ্রামীণ সড়ক মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন (জিআইএসভিত্তিক) প্রকল্পের আওতায় কর্মশালাটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পটি আরসিআইএমপি (RCIMP) ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB)-এর সহযোগিতায় পরিচালিত হচ্ছে।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এলজিইডি সুনামগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেন। এতে সভাপতিত্ব করেন শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অ.দা.) মো. ইসলাম উদ্দিন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এলজিইডি শান্তিগঞ্জের উপজেলা প্রকৌশলী মো. সাজেদুল আলম।
কর্মশালায় রিসোর্স পারসন হিসেবে গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক নির্ধারণ, সড়কের অধিকার সংরক্ষণ, তথ্য যাচাইকরণ এবং আধুনিক জিআইএস প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত উপস্থাপনা করেন জিআইএস স্পেশালিস্ট সাকিব হাসান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আনছার উদ্দিন, শান্তিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. ফারুক আহমেদ এবং শান্তিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাস্টার জলাল উদ্দিন।
এ সময় আরও বক্তব্য দেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী আতিউর রহমান, পশ্চিম পাগলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জগলুল হায়দার, দরগাপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ছুফি মিয়া, শিমুলবাক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিনুর রহমান, পাথারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সহিদুল ইসলাম, পশ্চিম বীরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লুৎফুর রহমান জায়গীরদার খোকন এবং পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান রুজেল আহমেদ।
এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী, মাঠপর্যায়ের প্রতিনিধি ও বিভিন্ন অংশীজন কর্মশালায় অংশ নেন।
বক্তারা বলেন, গ্রামীণ সড়কের সঠিক ও হালনাগাদ তথ্যের ভিত্তিতে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হলে সড়ক অবকাঠামোর উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ ও টেকসই যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা সহজ হবে। একই সঙ্গে সড়কের অধিকার বা ‘রাইট অব ওয়ে’ সংরক্ষণে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
আয়োজকরা জানান, এ ধরনের কর্মশালার মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের সড়ক-সংক্রান্ত তথ্য আরও নির্ভুল ও হালনাগাদ করা সম্ভব হবে। এসব তথ্য ভবিষ্যতে গ্রামীণ সড়ক উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণের কার্যকর পরিকল্পনা প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।







