১৫ দিনের মধ্যে মেয়াদের বাহানা বন্ধ না করলে সিম কোম্পানীগুলোর সামনে কর্মসূচীর ঘোষণা
সিলেট কল্যাণ সংস্থা, সিলেট বিভাগ যুব কল্যাণ সংস্থা ও সিলেট প্রবাসী কল্যাণ সংস্থার যৌথ আয়োজনে রবিবার (১৪ জুন ২০২৬) সিম কোম্পানীগুলোর মেয়াদের বাহানায় গ্রাহকদের জিম্মি করে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের প্রতিবাদে প্রচন্ড বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে বেলা ১১.০০ ঘটিকায় জিন্দাবাজার পয়েন্টে গণজমায়েত, বেলা ১১.১৫ ঘটিকায় জিন্দাবাজার পয়েন্ট হতে বন্দরবাজার ঐতিহাসিক কোর্ট পয়েন্ট, সিটি পয়েন্ট হয়ে সিলেটের জেলা প্রশাসকের কার্যালয় পর্যন্ত পদযাত্রা ও বেলা ১১.৩০ ঘটিকায় সিলেটের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ ৩৫০ জন সংসদ সদস্য বরাবর (মাধ্যমঃ জেলা প্রশাসক, সিলেট) স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। গণজমায়েত থেকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সিম কোম্পানীগুলো গ্রাহকদের সাথে মেয়াদের বাহানা বন্ধ না করলে সিম কোম্পানীগুলোর অফিসের সামনে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচীর ঘোষণা করা হয়।
জাতীয় যুব দিবস ২০১০ এ জাতীয় যুব পুরস্কার শ্রেষ্ঠ যুব সংগঠক পদকপ্রাপ্ত, সংস্থাগুলোর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সিলেট কল্যাণ সংস্থার কার্যকরী কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ এহছানুল হক তাহেরের সভাপতিত্বে ও সিবিযুকস’র বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন রশিদ চৌধুরীর পরিচালনায় গণজমায়েতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিবিযুকস’র বিভাগীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আজিজুর রহমান আজিজ। বক্তব্য রাখেন সিবিযুকস’র বিভাগীয় কমিটির সভাপতি আলহাজ্জ মুখতার আহমেদ তালুকদার, সিলেট মহানগর কমিটির সভাপতি জাকারিয়া মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন সাকের। গণজাগরণ, পদযাত্রা ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন সিবিযুকস’র বিভাগীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি দ্বীপক রঞ্জন রায় তালুকদার, হাজী মোঃ আশরাফ উদ্দিন, সহ-সভাপতি অবিনাশ চন্দ্র দাস, সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক মাসুম মিয়াজী, সহ-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুস সালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মুসলেহ উদ্দিন চৌধুরী মিলাদ, সিনিয়র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক চিত্ত রঞ্জন দাস, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কবি কামাল আহমদ, মোঃ আলী হোসেন, মোঃ জালাল উদ্দিন, মোঃ মহিবুর রহমান মুহিব, জামাল আহমদ, সহ-অর্থ সম্পাদক পিযোষ মোদক, মোঃ ইকবাল হোসেন, সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শাহীন আহমদ, মোঃ সাহেদ আহমদ শান্ত, সহ-দপ্তর সম্পাদক সুধাংশু শেখর দাস, সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সোহেল আলী, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ আল-আমিন আহমদ, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাক শাওন, আন্তর্জাতিক সম্পাদক মোঃ জহিরুল হক জাকির, যোগাযোগ ও সমন্বয় সম্পাদক শংকর বিশ্বাস, সহ-যোগাযোগ ও সমন্বয় সম্পাদক মোঃ পিকুল হোসেন, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক কবি মকসুদ আহমদ লাল, সহ-সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক ফয়সল আহমদ, সিলেট মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহবুব ইকবাল মুন্না, সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক বিজিত চন্দ, সহ-সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ইব্রাহীম, দিপক কুমার মোদক বিলু, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, মহানগর কমিটির সদস্য মোঃ জুয়েল মিয়া, সমাজ সচেতন নাগরিকদের মধ্য থেকে নুর আহমদ, সমসু মিয়া, কুমোদ হাজরা, হীরেন্দ্র তালুকদার, মোঃ মোসাদ্দেক উল হাসান, মানবেন্দ্র সরকার, তাপস কুমার সরকার, মাহবুবুর রহমান ও মোঃ সালিম। প্রচন্ড বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে গণজমায়েত, পদযাত্রা ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচীতে প্রায় শতাধিক নাগরিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
স্মারকলিপির বিষয়বস্তুঃ প্রায় ১২ কোটি গ্রাহকের মধ্য থেকে মোবাইল ব্যবহারকারী হিসেবে গভীর উদ্বেগের সাথে জানাচ্ছি যে, দেশের কয়েকটি সিম কোম্পানী কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই প্যাকেজের দাম বৃদ্ধি ও মেয়াদের বাহানায় গ্রাহকদের টাকায় কেনা এমবি, মিনিট কেটে নিয়ে অবৈধভাবে মুনাফা অর্জন করে যাচ্ছে। দেশের বিভিন্ন মোবাইল অপারেটর কোম্পানী গ্রাহকদের বঞ্চিত করে অর্থ আত্মসাৎ এবং নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষ হওয়ার অজুহাতে অব্যবহৃত ব্যালেন্স, ইন্টারনেট ডাটা, মিনিট ও অন্যান্য সেবা বাতিল করে দিচ্ছে। এর ফলে গ্রাহকরা তাদের ক্রয়কৃত সেবার পূর্ণ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এবং আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। গ্রাহকদের কথা বিবেচনায় নিয়ে প্রতিটি প্যাকেজের এমবি, মিনিট ও ম্যাসেজ মেয়াদবিহীন করা সিম ব্যবহারকারীদের প্রধান দাবী। দেশের প্রায় ১২ কোটি সিম ব্যবহারকারীদের স্বার্থ রক্ষার্থে আপনার সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করছি। আপনার বলিষ্ট নেতৃত্বে টেলিকম সেক্টরে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ^াস করি। সিম কোম্পানীগুলো মেয়াদ শেষ হওয়ার অজুহাতে অব্যবহৃত ডাটা, মিনিট ও এসএমএস বাজেয়াপ্ত করে। গ্রাহকের সম্মতি ছাড়া বিভিন্ন প্রোমোশনাল বা ভ্যালু-অ্যাডেড সার্ভিস চালু করে। প্যাকেজের শর্তাবলি অনেক সময় অস্পষ্ট থাকে, যা সাধারণ গ্রাহকদের বিভ্রান্ত করে। অভিযোগ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে অনেক গ্রাহক কাঙ্খিত প্রতিকার পান না। গ্রাহকের অর্থের বিনিময়ে কেনা সেবা নির্ধারিত সময়ের আগে বা অযৌক্তিক শর্তে সীমিত করে। সিম কোম্পানীগুলোর মেয়াদের অজুহাতে অর্থ আত্মসাৎ ও গ্রাহক স্বার্থবিরোধী কার্যক্রম দূর করতে আপনি যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে আমরা আশাবাদী। উপরোক্ত বিষয়ে বিচেনায় নিয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ পূর্বক ১২ কোটি গ্রাহকদের জিম্মিদশা থেকে মুক্তি দিতে আপনার যেন মর্জি হয়।







