বাঁধের ক্লোজার, সুইস গেট দিয়ে পানি প্রবাহ, দূর্ভোগে কৃষক, পাউবোকে চিঠি
বাঁধের ক্লোজার ও সুইস গেট দিয়ে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার শনি, মাটিয়ান হাওরসহ বিভিন্ন হাওরের পানি দ্রুত বেরিয়ে যাওয়ায় বোরো ধানের চারা রোপণ নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন হাজার হাজার কৃষকগন।
হাওরের পানি দ্রুত কমে যাওয়া ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরজমিন পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিপামনি দেবী।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার মাটিয়ান হাওরের নাইন্দা বাঁধ পরিদর্শন করেন।
এর পূর্বে গত ২৭ অক্টোবর ইউএনওর কার্যালয় থেকে বাপাউবোর তাহিরপুর শাখার কর্মকর্তার কাছে অনুরোধ জানিয়ে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডকে (বাপাউবো) চিঠি দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিপামনি দেবী।
চিঠিতে তিনি উল্লেখ্য করেছেন, এখনও বোরো ধানের চারা রোপণের উপযুক্ত সময় হয়নি। এ অবস্থায় উপজেলার শনির, মাটিয়ান, টাঙ্গুয়ার, মহালিয়া ও গুরমার হাওরসহ বিভিন্ন হাওরের পানি বাঁধের ক্লোজার ও সুইস গেট দিয়ে দ্রুত বেরিয়ে যাচ্ছে। আর হাওরের পানি দ্রুত কমে গেলে নির্ধারিত সময়ে বোরো ধানের চারা রোপণ করতে পারবে না। ফলে কৃষকদের জীবন জীবিকা নির্বাহ একমাত্র অবলম্বন বোরো ধান চাষাবাদে সমস্যায় পড়তে পারেন। তাই বাঁধের ক্লোজার ও সুইস গেট দিয়ে যাতে অতিরিক্ত পানি বেরিয়ে যেতে না পারে, সে বিষয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানান।
হাওরে পানি কমে যাওয়ার পরিদর্শনের সময় উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক (স্বাক্ষর ক্ষমতাপ্রাপ্ত) জুনাব আলী, যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদী হাসান উজ্জ্বল এবং বাপাউবোর তাহিরপুর শাখার সার্ভেয়ার জুবায়ের আহমেদ, দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়ন পরিষদের সদস জুয়েল মিয়াসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিপা মনি দেবী বলেন, কৃষকদের জন্য হাওরের পানি গুরুত্বপূর্ণ। সেই পানি অসময়ে নেমে যাওয়ায় একমাত বোরো ধানের চাষাবাদ চরম দুর্ভোগ শিকার হতে হবে। প্রয়োজনীয় পানি ধরে রাখতে না পারলে বোরো আবাদ নির্বিঘ্ন রাখা কঠিন হয়ে পরবে। এ জন্য বিভিন্ন হাওরের বাঁধ, ক্লোজার ও ফ্লুইসগেট সরেজমিনে পরিদর্শন করে পানি প্রবাহের বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।







