বড়লেখায় জামায়াতের মাসব্যাপী দাওয়াতি অভিযান উপলক্ষে গণসংযোগ
মৌলভীবাজারের বড়লেখা পৌর শহরে জামায়াতে ইসলামীর মাসব্যাপী দাওয়াতি অভিযানের অংশ হিসেবে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সাথে গণসংযোগ ও দাওয়াত পৌঁছে দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দক্ষিণবাজার এলাকার বিভিন্ন মার্কেট, চায়ের দোকান, অলিগলি, রিকশাচালকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে এ দাওয়াতি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
এর আগে বিকেলে জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে পৌরসভা জামায়াতের ওয়ার্ড সভাপতি ও সেক্রেটারিদের নিয়ে গণসংযোগ অভিযান উপলক্ষে দায়িত্বশীল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন পৌর জামায়াতের সভাপতি জুবের আহমদ। সেক্রেটারি আব্দুস সামাদের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে দেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. ইয়ামির আলী। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দেন মৌলভীবাজার-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা আমিনুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির মাওলানা ইসলাম উদ্দিন, সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল বাছিতসহ উপজেলা ও পৌর জামায়াতের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
পরে দাওয়াতি অভিযানে অংশ নেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মৌলভীবাজার জেলা শাখার সেক্রেটারি ইয়ামির আলী, মৌলভীবাজার-১ বড়লেখা-জুড়ী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা আমিনুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির মাওলানা ইসলাম উদ্দিন, সাবেক আমির ও উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এমাদুল ইসলাম, নায়েবে আমির আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ সুমন, উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল বাছিত, পেশাজীবি বিভাগের সভাপতি ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুল মোহাইমীন, উপজেলা যুব বিভাগের সভাপতি মো. কামাল উদ্দিন, সেক্রেটারি জুবায়ের আহমদ শিমুল, পৌরসভা জামায়াতের সভাপতি জুবের আহমদ, সেক্রেটারি আব্দুস সামাদসহ পৌর জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী।
অভিযানের সময় জামায়াতের নেতাকর্মীদের হাতে সংগঠনের পরিচিতিপত্র ও সহযোগী ফরম দেখা যায়। তারা পথচারী, ব্যবসায়ী, চায়ের দোকানের আড্ডায় থাকা মানুষ, রিকশাচালকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং জামায়াতে ইসলামের আদর্শ ও কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন। এ সময় আগ্রহী ব্যক্তিদের জামায়াতের সহযোগী সদস্য হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মৌলভীবাজার জেলা শাখার সেক্রেটারি ইয়ামির আলী দাওয়াতি অভিজানে অংশ নিয়ে বলেন, বাংলাদেশকে একটি সুন্দর, সুখী, সমৃদ্ধ ও কল্যাণময় রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে হলে সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে কোরআন ও ইসলামের নির্দেশনা অনুযায়ী জীবন গঠন করতে হবে। এর মাধ্যমে সমাজে শুদ্ধতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
স্থানীয় জামায়াত নেতারা বলছেন, তাদের মূল লক্ষ্য মানুষের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছে দেওয়া এবং নৈতিক ও আদর্শভিত্তিক সমাজ গঠনে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করা।
এক ঘণ্টার এ কর্মসূচিতে জামায়াতের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে তাদের সরাসরি কথোপকথনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় সোমবারের দাওয়াতি অভিযান।








