পূর্ব পাগলায় সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী ফারুক আহমদের উদ্যোগে ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার পূর্ব পাগলা ইউনিয়নে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য দিনব্যাপী বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও যুক্তরাজ্য প্রবাসী সমাজসেবক ফারুক আহমদের উদ্যোগে শুক্রবার ইউনিয়নের ঘোড়াডুম্বুর হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এ ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।
ক্যাম্পটি বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতা করে সিলেটের শাহজালাল আই কেয়ার হসপিটাল। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চলা এ ক্যাম্পে ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম থেকে আসা দুই শতাধিক নারী-পুরুষ ও প্রবীণ চক্ষু রোগী চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেন।
চিকিৎসকদের মাধ্যমে রোগীদের চোখ পরীক্ষা, প্রয়োজনীয় পরামর্শ এবং ব্যবস্থাপত্র প্রদান করা হয়। পাশাপাশি রোগীদের মধ্যে বিনামূল্যে ওষুধ ও চশমা বিতরণ করা হয়। যেসব রোগীর চোখে ছানি ধরা পড়েছে, তাদের পর্যায়ক্রমে শাহজালাল আই কেয়ার হসপিটালে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ছানি অপারেশনের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদুর রহমান।
তিনি বলেন, গ্রামের সাধারণ মানুষের অনেকেই অর্থাভাবে সময়মতো চোখের চিকিৎসা নিতে পারেন না। তাদের দোরগোড়ায় চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও মানবিক এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। এমন একটি উদ্যোগ নেওয়ার জন্য যুক্তরাজ্য প্রবাসী ফারুক আহমেদ অবশ্যই প্রসংশার দাবি রাখেন।
বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘোড়াডুম্বুর গ্রামের আজিবুন নেছা, আকিক মিয়া ও পিঠাপশী গ্রামের আশিক আলী আসেন চিকিৎসা নিতে। তারা বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলে এ ধরনের বিশেষায়িত চক্ষু চিকিৎসা পাওয়া খুবই কষ্টসাধ্য। বিনা খরচে চিকিৎসা, ওষুধ, চশমা এবং ছানি অপারেশনের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় তারা আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
আয়োজক ও সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী ফারুক আহমদ বলেন, মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমার প্রধান লক্ষ্য। সমাজের অসহায় ও দরিদ্র মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম চালিয়ে যেতে চাই। মানুষের দোয়া ও সহযোগিতা থাকলে আরও বৃহৎ পরিসরে সেবামূলক উদ্যোগ গ্রহণ করা সম্ভব হবে।
চক্ষু ক্যাম্পে উপস্থিত ছিলেন ঘোড়াডুম্বুর হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসার সভাপতি মো. আকিক মিয়া, মেডিক্যাল অফিসার ডা. লব রায়, ডা. ইতি সিনহা, রিফ্রাকশনিস্ট শাহ শরীফা আক্তার, ফার্মাসিস্ট আবু রায়হান, স্বেচ্ছাসেবক আবদুর রাজ্জাক, ফয়ছল আহমদ, ইমন আহমদ, রাজ্জাক মিয়া, উসমান মিয়া, সাবাজ মিয়া, লাবিব আহমেদ, তোফায়েল আহমেদসহ আরো অনেকে।







