Home Home Page Rank NTV ONLINE ETV ONLINE BANGLA  VISION ONLINE CHANEL I ONLINE EKATTOR TV ONLINE
০২-০৯-২০১৪ মঙ্গলবার

  ঈদ মোবারক, দৈনিক সিলেট ডটকম পরিবারের পক্ষ থেকে আমাদের পাঠক, বিজ্ঞাপনদাতা এবং শুভানুধ্যায়ীদের জানাই পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক,    

 
 
 
মোবাইল ভার্সনে যারা আছেন
Free Global Counter
 
এই জনপদ
 
 
 
 
 

সিলেটঃ
সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন কর্মসূচী সিভিডিপি ২য় পর্যায় (বার্ড) কুমিল্লার উদ্যোগে মহিলা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সিলেটের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ২১দিন ব্যাপী সেলাই প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার দুপুরে দক্ষিণ সুরমার আলমপুরস্থ মহিলা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সিলেট এর হল রুমে এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুর রব এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প পরিচালকের কার্যালয় ঢাকা এর সহকারী প্রকল্প পরিচালক মোঃ তোফায়েল আহমদ। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ট্রেড ইনচার্জ গার্মেন্টস নাজমা আক্তার, ট্রেড ইনচার্জ পেটার্ন মাহবুবুর রহমান, মহিলা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের হিসাব রক্ষক গোলাম মোস্তফা, প্রশিক্ষক নূর হোসেন। সিভিডিপি সিলেট উপ-প্রকল্পের মাঠ সহকারী মোঃ আতিকুর রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রকল্পের সহকারী পরিচালক মোঃ সাইফ উল্লাহ।
সিভিডিপি সিলেটের সার্বিক তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ২১দিন ব্যাপী সেলাই প্রশিক্ষণ কোর্সে ২০ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশ গ্রহণ করেন। বিজ্ঞপ্তি
               

 
 
 
 
 
 
 

সিলেট, ২ সেপ্টেম্বর
সিলেট মহানগর জামায়াত নেতা মোঃ আব্দুল মুকিত এর পিতা, দাসপাড়া সিকন্দরটুলা নিবাসী, সিকন্দরটুলা, দাসপাড়া এবং পরগণাবাজার মসজিদের সাবেক মুতাওয়াল্লী, দক্ষিণকাছ মাদরাসার মজলিশে শূরার সদস্য, দাসপাড়া ইমদাদিয়া শাহী ঈদগাহের পরিচালনা কমিটি সদস্য মোঃ আব্দুল খালিক এর মৃত্যুতে  সিলেট মহানগর জামায়াতের আমীর এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারী মাওলানা সোহেল আহমদ, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট আব্দুর রব গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
এক শোকবার্তায় নেতৃবৃন্দ মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামান করেন এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
-বিজ্ঞপ্তি
           

 
 
 
 
 
 
 

সিলেট, ২ সেপ্টেম্বরঃ
দক্ষিণ সুরমা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মোঃ ইমাদ উদ্দিন নাসিরী বিশিষ্ট আলেমেদ্বীন মাওলানা নূরুল ইসলাম ফারুকীকে নির্মমভাবে হত্যার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, একজন বিশ্ববরেণ্য আলেমকে নিজ বাসায় খুন করে নির্বিঘ্নে চলে গেল। আজ হত্যাকান্ডের ৭ দিন অতিবাহিত হচ্ছে এখনো প্রকৃত খুনীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে না তা কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না। তিনি অবিলম্বে মাওলানা ফারুকী হত্যাকারীদের গ্রেফতার করে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবী করেন।
সুন্নী ছাত্র জনতা এখনও ধৈর্য্য ধরছে এ ধৈর্য্যকে দুর্বলতা ভাবলে ভুল হবে। সুন্নী ছাত্র জনতা যদি মাঠে নামে তাহলে এ সরকারের মসনদ টিকবে না। তিনি আরো বলেন, ফারুকীর কি দোষ ছিল? তিনি মিলাদ, কিয়াস, মাজার জিয়ারত মিলাদুন্নবী, নবী-ওলীগণের শান মান মর্যাদার কথা বলতেন কুরআন সুন্নাহর দলীল দ্বারা প্রমাণ করতেন। এ সকল বিরোধীতারাই ফারুকীকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। এ হত্যাকান্ডের বদলা নেওয়া হবে।
ভাইস চেয়ারম্যান ইমাদ উদ্দিন গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ আঞ্জুমানে তালামীযে ইসলামিয়া দক্ষিণ সুরমার লালাবাজার ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে লালাবাজারে মাওলানা ফারুকী হত্যার প্রতিবাদে আয়োজিত বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
শাখা সভাপতি হাফেজ শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে ও ইমাদ উদ্দীনের পরিচালনায় বিক্ষোভ সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আল ইসলাহর প্রচার সম্পাদক মাওলানা আবুল হোসেন, আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত নেতা মাওলানা মিজানুর রহমান জালালী, সহ-সভাপতি হাফেজ তাজউদ্দিন, সাংবাদিক শামীম আহমদ তালুকদার, আব্দুস সামাদ আজাদ, নাজমুল ইসলাম, শাহনূর হোসেন, ফখর উদ্দিন, সাব্বির আহমদ, আবু তাহের, সাজু আহমদ, তোফায়েল আহমদ, বশির আহমদ প্রমুখ।
               

 
 
 
 
 
 
 

বৃহত্তর সিলেট গণদাবী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে বঙ্গবীর জেনারেল এমএজি ওসমানীর ৯৬তম জন্মদিন উপলক্ষে  সোমবারা সকালে তার কবরে শ্রদ্ধাঞ্জুলি নিবেদন শেষে পরিষদের কার্যালয়ে বঙ্গরীরের কর্মময় জীবনের উপর আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়।
গণদাবী পরিষদ সভাপতি, সাবেক এমপি মহম্মদ আশরাফ আলীর সভাপতিত্বে ও এডভোকেট বদরুল ইসলাম জাহাঙ্গীরের পরিচালনায় আলোচনায় অংশ নেন প্রবীণ আইনজীবি আজিজুল মালিক চৌধুরী, সংগঠনের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা এডভোকেট কাজী আব্দুর রকিব, সহ সভাপতি আলহাজ্ব আখলাক আহমদ চৌধুরী, এডভোকেট এমএ ওয়াদুদ, ইরশাদ আলী, হাজী লোকমান মিয়া, ইয়াওর বক্ত চৌধুরী, কাজী গোলাম মর্তুজা, মোশাহীদ খান, মাওলানা শেখ সামসুল হুদা হুসাইনী, আমিনুল ইসলাম বকুল, আনোয়ার হোসেন চৌধুরী, কবি নূরুদ্দীন রাসেল, আসমা বেগম, শামীম আহমদ তালুকদার, আব্দুল মুমিন লাহিন, হাসান বক্ত চৌধুরী কাওছার, সৈয়দ হুরুজ্জামান, রজব আলী, নাঈমা বেগম প্রমূখ।
সভায় বক্তারা সিলেট এমএজি ওসমানী হাসপাতালে শিশু ওয়ার্ডে রুগীর স্বজনদের সাথে সংশ্লিষ্ট দ্বায়িত্বে থাকা কর্মচারী ও কিছু ডাক্তার-নার্সদের দুর্ব্যবহার ও অনিয়ম অতিমাত্রায় বেড়ে যাওয়ার কারনে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, শিশু ওয়ার্ডে সংশ্লিষ্টদের অবহেলার ফলে অনেক শিশুরই জীবন প্রদীপ নিভে যায়। খালি হয় অসংখ্য মায়ের কুল। এজন্য যথাযথ চিকিৎসা সেবা-পর্যাপ্ত পরিমান মানসম্মত ্ওষধ সরবরাহের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহনে হাসপাতালের পরিচালকের নিকট জোর দাবী জানান গণদাবী পরিষদ নেতৃবৃন্দ।
তাছাড়াও নগরীতে ‘টাউন বাস’ সার্বিস বর্ধিত করন ও বঙ্গবীর ওসমানীর জন্ম ও মৃত্যু বার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন, তার বর্ণাঢ্য জীবনী পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভৃক্ত করার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবী জানিয়েছেন বক্তারা।
               

 
 
 
 
 
 
 

সুধাংশু শেখর হালদার, মৌলভীবাজারঃ
মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম রসুলপুর ৩ নং ওয়ার্ড ২নং পতনউষার ইউপির দুর্গপুর হইতে বৈরাগীর চক (বৃন্দাবনপুর) রাস্তার পথিমধ্যে মধ্যস্থল থেকে একমাত্র একটি মাটির কাঁচা রাস্তা যেটি পশ্চিম রসুলপুর গিয়েছে । এ রাস্তাটি এলাবাসীর জন্য অতিব জরুরী প্রয়োজনীয় একটি রাস্তা । সংস্কারের অভাবে এলাকাবাসী দীর্ঘদিন যাবৎ ভীষন অসুবিধার সন্মুখীন হচ্ছেন। কেনানা এ রাস্তা ধরেই এলাকাবাসী তাদের একমাত্র মসজিদ (পশ্চিম রসুলপুর জামে মসজিদ) এ নামাজে সমবেত হন এলাকার মুসল্লীরা । তাছাড়া ঐ রাস্তা ধরেই মুর্দা নিয়ে একমাত্র কবরস্থান (শিয়াল নদীর পূর্বপাশে) যেতে হয় গ্রামবাসীর । এলাকাবাসীর পক্ষে আব্দুল মন্নান, ছমির আলী, জলিল মিয়া, মসুদ মিয়া, জমির আলী , মোঃ আবিদ উল্লা জানান, একটু বৃষ্টিতে পানি জমে রাস্তাটি কর্দমাক্ত  হয়ে যাতায়াতে অসুবিধা হয় ।  তাছাড়া মুর্দা নিয়ে কবরস্থানে যেতে বুক পানি ডিঙ্গিয়ে পথ পাড়ী দিতে হয় অনেক কষ্টে যা অত্যন্ত দুর্বিসহ। এ ব্যাপারে ২নং পতনউষার ইউপির চেয়ারম্যান মোঃ সেলিম চৌধুরীর সাথে আলাপ করলে তিনি জানান, বিষয়টি সত্য তবে রাস্তায় মাঝে মধ্যে মাটি ফেলা হয়। রাস্তাটি সরু এবং দুপাশে ঝোঁপঝাড় থাকার কারনে পানি জমে মাটি ধ্বসে যায় । তবে রাস্তাট সংস্কারে স্কিম হাতে নেয়া হয়েছে , বর্তমান ২০১৪Ñ২০১৫ অর্থবৎসরে রাস্তাটি সংস্কার করা হবে। তবে এ রাস্তাটি পাকাকরন না করা পর্যন্ত এলাকাবাসী দুর্ভোগ পুহাতে হবে। পাকাকরনে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ  না হওয়া পর্যন্ত এ ব্যাপারে  কিছু বলা যাচ্ছেনা। তবে জনগনের দুর্ভোগ লাঘবে চেষ্টা অব্যাহত থাকবে  বলে জানান  ইউপি চেয়ারম্যান।
               

 
 
 
 
 
 
 

বাংলাদেশ ব্যাংক সিলেট-এর মহাব্যবস্থাপক মোঃ মোবারক হোসেন বলেছেন, ঈদ পূনর্মিলনীর মাধ্যমে একে অপরের মাঝে সুনিবিড় সম্পর্ক গড়ে ওঠে।  একই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত অনেকে তাদের সহকর্মীকে চিনেনা। ঈদ পূনর্মিলনীর মাধ্যমে পরষ্পরের মাঝে বন্ধুত্ব হয় ও ভাতৃত্ববোধ গড়ে ওঠে।  যার ফলে একে অপরের মাঝে একটি মেলবন্ধন সৃষ্টি হয়। এজন্য ঈদ পূনর্মিলনী খুবই গুরুত্বপূর্ন।  ব্যাংক অফিসার্স ক্লাব, সিলেট-এর উদ্যোগে ঈদ পূনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
সোমবার রাত সাড়ে ৮টায় নগরীর দরগাহ গেইটস্থ একটি অভিজাত হোটেলে এ ঈদ পূনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়। ব্যাংক অফিসার্স ক্লাব, সিলেট-এর সভাপতি জিয়াউস শামস চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভা পরিচালনা করেন ক্লাবের প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম। ব্যাংক অফিসার্স ক্লাব, সিলেট-এর সাধারণ সম্পাদক মোজতবা রুম্মান চৌধুরীর স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে শুরু হওয়া সভায় বক্তব্য রাখেন ক্লাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও এবি ব্যাংক-এর এসভিপি আব্দুস সালাম, আইএফআইসি ব্যাংক-এর এফভিপি বিদুৎ কান্তি দাস, সোনালী ব্যাংক-এর ডিজিএম এস,এম আবুল কালাম আজাদ, ব্যাংক অফিসার্স ক্লাব, সিলেট-এর প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক দিলিপ কুমার নন্দি, জনতা ব্যাংক-এর জি.এম মাহমুদুল হক প্রমুখ।
           

 
 
 
 
 
 
 

ছাতক প্রতিনিধি
ছাতকে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে এক স্কুল শিক্ষিকা কর্তৃক মিথ্যা ও হয়রানীমুলক মামলা দায়ের এবং বিনা তদন্তে উদ্দেশ্য প্রনোদিত চার্জশীট প্রদানে নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিএনপি নেতৃবৃন্দ। এক যৌথ বিবৃতিতে বিএনপির কেন্দ্রিয় নেতা, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির প্রথম সদস্য, সাবেক এমপি কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন, জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য আলহাজ্ব মোশতাক আহমদ, সৈয়দ তিতুমীর, গোলাম আম্বিয়া মাজকুর পাবেল, শামছুর রহমান শামছু, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ইমতিয়াজ আলী, শাহাজুল ইসলাম চেয়ারম্যান, হাজী সুন্দর আলী, উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি সালেহ আহমদ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মুকিত তালুকদার, বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ফয়জুর রহমান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কয়েছ আহমদ, আব্দুল মোমিন, দপ্তর সম্পাদক জাহেদুল ইসলাম আহবাব, পৌর বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি এসএম লায়েক শাহ, সামছুর রহমান বাবুল, আব্দুল আউয়াল, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল কাবির, সাংগঠনিক সম্পাদক হিফজুল বারী শিমুল, পৌর যুবদলের সভাপতি, কাউন্সিলর জসিম উদ্দিন সুমেন, উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি মকবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শফি উদ্দিন, পৌর শ্রমিকদলের সভাপতি মোজাম্মেল হক রুহেল, স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা বাকি বিল্লাহ, সুলেমান মিয়া, মুরাদ আহমদ, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মতিউর রহমান রুমান, সাধারণ সম্পাদক ফয়জুল আহমদ পাবেলসহ নেতৃবৃন্দ ছাতক প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলিম, অর্থ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম হিরন, সদস্য বিজয় রায়ের উপর থেকে ষড়যন্ত্রমুলক মিথ্যা মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবী জানান।
               

 
 
 
 
 
 
 

ছাতক প্রতিনিধি
ছাতকে ২হাজার ফুট পাথরসহ ইঞ্জিনচালিত স্টিল নৌকা বিসমিল্লাহ পরিবহন-৪ সুরমা নদীতে তলিয়ে গেছে। মঙ্গলবার ভোরে ছাতক সদর ইউনিয়নের ব্রাহ্মনগাঁও এলাকায় সুরমা নদীতে এ দূর্ঘটনা ঘটে। জানা যায়, নৌকাটি পাথর বোঝাই করে ছাতকের ব্যবসায়ী আক্তার মিয়ার ব্রাহ্মনগাঁওস্থ পাথর ডাম্পিং সাইটে আনলোডিংয়ের জন্য অবস্থান করছিল। এ সময় স্রোতের টানে নৌকার নোংগরের রশি ছিড়ে নৌকাটি দূর্ঘটনার কবলে পড়ে। নৌকাটি রক্ষা করতে গিয়ে মাঝি সমুজ মিয়া আহত হন। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন। তবে নৌকাটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। 
               

 
 
 
 
 
 
 

এ.জে লাভলু, বড়লেখা প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় র্যালি ও আলোচনা সভার মধ্যে দিয়ে বিএনপির ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। সোমবার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী  উপলক্ষে বড়লেখা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হাফিজের নেতৃত্বে পৌর শহরে র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে দলীয় কার্যালয়য়ের সম্মুখে এসে শেষ হয়।  র্যালি পরবর্তী আলোচনা সভায় পৌর বিএনপির সভাপতি মালিকুর রহমান মায়নের সভাপতিত্বে ও উপজেলা বিএনপির নেতা আনোয়ারুল ইসলামের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হাফিজ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির নেতা অধ্যাপক আব্দুস শহীদ খান, মুজিবুর রহমান খছরু, পৌর বিএনপির স¤পাদক তুতিউর রহমান তোতাব আলী, পৌর মেয়র যুবদল সভাপতি ফখরুল ইসলাম, পৌর যুবদল সভাপতি সাইফুল ইসলাম খোকন, উপজেলা যুবদল স¤পাদক আব্দুল হাফিজ ললন, পৌর যুবদল স¤পাদক আব্দুল আহাদ, উপজেলা ছাত্রদল স¤পাদক জুয়েল আহমদ, সাংগঠনিক স¤পাদক কাওছার আহমদ, সাবেক ছাত্রনেতা মীর শামীম, জাসাসের উপজেলা সভাপতি নাহিদ আহমদ চৌধুরী, স¤পাদক রায়হান মো: মুজিব, প্রচার স¤পাদক শরীফ উদ্দিন ইমন, পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক জাহিদুল ইসলাম মতিন, আবুল হোসেন, উপজেলা ছাত্রদলের দপ্তর স¤পাদক আলী হোসেন, স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা সফিকুজ্জামান প্রমুখ।
               

 
 
 
 
 
 
 

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সিলেট মহানগর সেক্রেটারী ডা.রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ বলছেন আওয়ামীলীগ ও বিএনপি এমন দুটি দেশের বৃহৎ রাজনৈতিক দল, যারা দেশ ও জনগনের মুক্তির কথা চিন্তা না করে ক্ষমতা চলে যাওয়া কষ্টে ও ক্ষমতা ফিরে পাওয়ার ধান্ধায় ব্যাস্ত, যার কারনে এক দল আর এক দলকে এবং দলের প্রধানকে খুনি সন্ত্র্সী ও সন্ত্রাসীদের গডফাদার বলতেও দিদ্বাবোধ করেনা। তারা উভয় দলই দুর্নিতিবাজ ও সংসদ পদত্যাগকারী তাই দল দুটির দেশ প্রেমিক নেতা কর্মী ও সমর্থকদেরকে  ইসলাম দেশ ও জনগনের মুক্তির সার্থে রাজনৈতিক ও আদ্ধাত্যিক নেতা পীর সাহেব চরমোনাইর ইসলামী আন্দোলনে যোগ দেয়ার আহবান জানান। তিনি বলেন দেশ বাসীকে দেখিয়ে দিন যে আমরা খুনি সন্ত্রসী দলের পক্ষে নই সৎ ও যোগ্য নেতার পক্ষে।
তিনি সোবার  মহানগর কার্যলয়ে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর রোজ শুক্রবার সিলেট জেলা ও মহানগরের  কর্মীসভা ও তালীম তারবীয়ত সফল করার জন্য আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অথিতির বক্তব্য রাখেন।১২ সেপ্টম্ববরের  কর্মী সভা ও তালীম তারবীয়তে প্রধান অথিতি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওঃ ইউনুস আহমদ, বিশেষ অথিতি সহকারী মহাসচিব মাওঃ ইমতিয়াজ আলম ও কেন্দ্রীয় সদস্য অধ্যাপক ডা. মোয়জ্জেম হোসেন খান।
সিলেট কোতোয়ালী থানা সভাপতি মোঃ আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে ও প্রচার সম্পাদক রফিকুল
 ইসলামের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন মহানগর শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক বেলাল আহমদ, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন সিলেট জেলা সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল বারি, যুগ্ম সম্পাদক মোঃ সরওয়ার হোসেন, দক্ষিণ সুরমা থানা সভাপতি আব্দুল মুহিত, বিমান বন্দর থানা সভাপতি মোঃ মাইনউদ্দিন প্রমুখ।
               

 
 
 
জনমত জরিপ

তিস্তা অভিমুখে লংমার্চ করে বিএনপি কি রাজনৈতিক ভাবে লাভমান হয়েছে?

 
হ্যাঁ না
 
 

ফলাফল দেখুন

 
 

সিলেট, ২ সেপ্টেম্বর:
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সিলেট মহানগর বিএনপির উদ্যোগে মঙ্গলবার সকাল ১১টায় নগরীতে র‌্যালী ও সমাবেশ করা হয়েছে। র‌্যালীটি কোর্ট পয়েন্টে থেকে চৌহাট্টা পয়েন্টে এসে সমাবেশ করে।
মহানগর বিএনপি সভাপতি এম.এ হকের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সম্পাদক আজমল বক্ত সাদেকের পরিচালনায় সভাপতির বক্তব্যে মহানগর বিএনপির সভাপতি এম এ হক বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যদি বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা না করতেন তাহলে, শেখ হাসিনাও প্রধানমন্ত্রী হতে পারতেন না। তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এই অবৈধ সরকারে পতন নিশ্চিত করার জন্য যে আন্দোলন কর্মসূচি আসবে সে আন্দোলন কর্মসূচিতে সবাইকে শরীক হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি আরো বলেন, ‘আওয়ামী লীগের রাজনীতি মিথ্যার উপর দাঁড়িয়ে আছে। কেননা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মত একজন সৎ, শহীদ ব্যক্তিকে নিয়ে দেশের শীর্ষস্থানীয় একজন নেতা যে মিথ্যাচার ও বানোয়াট কথা বলেছেন তা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল’। তাই আপনাকে আবারো বলছি জনগণকে গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে দিন’।
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, বিএনপি জননন্দিত একটি দল। যতবার এদেশে নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে ততবারই বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে। তাদের প্রতি জনগণের ভালোবাসা সবসময় আছে। সবাইকে জিয়াউর রহমানের আদর্শে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। আন্দোলনের প্রস্তুতি নিতে হবে এবং খালেদা জিয়ার ডাকে সবাইকে রাজপথে নেমে দখলদার এই সরকারের পতন ঘটাতে হবে।
মহানগর বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকী তাঁর বক্তব্যে বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এদেশের মানুষের জন্য প্রতিষ্টিত করেছিলেন জাতীয়তাবাদ। গড়ে তুলেছিলেন বাকশাল ও আধিপত্য বাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম দেশ ও জাতির হাতে তুলে দিয়েছিলেন গনতন্ত্রের পতাকা। তৃনমূল থেকে বিএনপিকে সুসংগঠিত করে দক্ষ নেতৃত্বের মাধ্যমে দেশ পরিচালনার জন্য যোগ্য নেতৃত্ব তৈরী করেছিলেন। সেই কারনে অল্প সময়ের মধ্যে বাংলার প্রতিটি ঘরে ঘরে জাতীয়তাবাদী দলের দর্শন ও শহীদ জিয়ার আদর্শের লক্ষ লক্ষ তরুনের তারন্যদৃপ্ত জাতীয়তাবাদী দলের শক্তি গড়ে উঠে। আজ সেই তারন্যদৃপ্ত শক্তিকে ধ্বংস করতে বাকশালিরা গুম ও খুন বেচে নিয়েছে। দেশের হাজারো জাতীয়তাবাদী দলের নেতাকর্মীকে গুম করে রেখেছে। এবং সিলেট সিলেট বিএনপি তথা ভারতীয় আগ্রাসী বিরোধী আন্দোলনের প্রিয়মূখ কেন্দ্রীয় বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক সিলেট জেলা বিএনপি’র সভাপতি এম. ইলিয়াছ আলীকে পরিকল্পিত ভাবে গুম করে নেতৃত্ব শূন্যের পায়তারা করা হয়েছে। তাই আমরা অবিলম্বে এম.ইলিয়াছ আলীকে অক্ষত অবস্থায় অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়ার জোর দাবী জানাচ্ছি। অন্যথায় সিলেটবাসীকে নিয়ে দুর্বাব আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
সমাবেশে অনান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি’র সহ-সভাপতি তারেক আহমদ চৌধুরী, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক হুমায়ুন কবির শাহিন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা এড. হাদিয়া চৌধুরী মুন্নি, বিএনপি নেতা সুলেমান হোসেন, ডা. আশরাফ আলী, আব্দুস সত্তার, সৈয়দ বদরুনুন শায়েক, আফজাল উদ্দিন, আবুল কাহের, মহানগর ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক নুরুল আলম সিদ্দিকী খালেদ, জেলা ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক সৈয়দ সাফেক মাহবুব, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল হক চৌধুরী, বিএনপি নেতা আব্দুল জব্বার তুতু, আব্দুর রহিম, লিয়াকত আলী, সুরমান আলী, আলকাছ মিয়া, ইউনুস মিয়া, খছরুজ্জামান, লায়েছ আহমদ, আমির হোসেন, সৈয়দ বাবুল হোসেন, আব্দুল আহাদ হেলাল, জাকির হোসেন মজুমদার, আবুল কালাম, শাহজাহান সেলিম বুলবুল, মকুল মুর্শেদ, শেখ ইলিয়াছ আলী, আশরাফ উদ্দিন, মুফতি নেহাল, কবির আহমদ, হুমায়ুন আহমদ, মুতাহির আলী মাখন, এম. এ হক, কয়েছ আহমদ সাগর, পিয়ার উদ্দিন পিয়ার রাজিব দে রাজু, ফিরুজ আহমদ, ছাত্রদল নেতা লোকমান তালুকদার, লোকমান আহমদ, রশিদুল হাসান খালেদ, নজরুল ইসলাম, বেলায়েত হোসেন মহন, মির্জা জাহেদ, বেলাল আহমদ, শাহজাহান আহমদ, জুবেদ আহমদ, আলী নেওয়াজ তুহিন, আব্দুর রকিব চৌধুরী, আফছর খান, উমেদুর রহমনা উমেদ, মির্জা সম্রাট, লিটন আহমদ, এনামুল হক শামিম, পারভেজ খান জুয়েল, রেজাউল করিম রাজিব, রাজিব, মতিউর রহমান আফজল, নাসির উদ্দিন রহিম, আবুল হাসিব, আমিন উদ্দিন, নজরুল ইসলাম, জয়নাল আবেদিন, আহমদ জাহেদ, মনিরুজ্জামান মনির, আতিকুর রহমান চৌধুরী লাবলু, আলী আকবর রাজন, মিজানুর রহমান, রাইছুল ইসলাম, রনি আহমদ, বিশ্ব ঘোষ, রাশেদুর রহমান রাশেদ, রিপন আহমদ, আফজল হোসেন, রাহেল আহমদ চৌধুরী প্রমূখ।                

 
 
 
 

সিলেট, ২ সেপ্টেম্বর        
জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল সিলেট জেলা শাখার আহবায়ক ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক বীর মুক্তিযুদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, শেখ হাসিনার পরিবারে কোনো মুক্তিযোদ্ধা নেই। কিন্তু বর্তমান এই স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকার মুক্তিযুদ্ধের কথা বলে দেশে মানুষের মাঝে অরাজকতা তৈরি করছে। যার পরিবারে কোনো মুক্তিযোদ্ধা নেই, তার মুখে মুক্তিযোদ্ধাদের কুরুচিপূর্ন বক্তব্য মানায় না। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে অভিলম্বে বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান শমশের মুবিন চৌধুরী বীরবিক্রম এর বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য তুলে নিতে হবে। সিলেটবাসীর গর্ব ও বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান শমশের মুবিন চৌধুরী বীরবিক্রম এর বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল সিলেট জেলার উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী সমাবেশে সভাপতির বক্তব্য তিনি এ কথা বলেন।
মঙ্গলবার সমাবেশ শেষে কোর্ট পয়েন্টে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে চৌহাট্টা পয়েন্টে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্যে দিয়ে শেষ হয়।
সিলেট জেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের সদস্য সচিব শামীম সিদ্দীকি ও যুগ্ম আহবায়ক আক্তার হোসেন মিন্টুর যৌথ পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ সুরমা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক তাজুল ইসলাম তাজুল, দক্ষিণ সুরমা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য কোহিনুর আহমদ।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের সদস্য আব্দুর রহিম মল্লিক, শাহজাহান হোসেন চৌধুরী, কয়সর আলী, মোস্তফা রেজুয়ান, সাগর আহমদ সাহেদ, শাহীন আহমদ, শাহেদ ইসলাম, রাসেল আহমদ, রাসেল ইসলাম, রুমেল আহমদ রিপন, ইমতিয়ার হোসেন আরাফাত, আফতাব উদ্দিন রিয়াজ, শাহজান হোসেন, কামাল আহমদ, রুমেল আহমদ রিপন, আবির আহমদ, আল আমিন, মুক্তিযোদ্ধা দল হযরত শাহ পরান  থানার আহবায়ক হুমায়ুন কবির চৌধুরী, সেলিম চৌধুরী, গিয়াস উদ্দিন খান, শামীম হেলালি, শাহজাহান আলী, মুক্তিযোদ্ধা দল বিমানবন্দর থানার আহবায়ক জাহেদ আহমদ, নাসির উদ্দিন, তইয়ব আলী, সাদেক আলী, দক্ষিণ সুরমা থানা বিএনপি নেতা মতিউর রহমান দুদু এম এ মান্নান সাদেক আহমদ, নজির আহমদ স্বপন, সায়েক আহমদ, সাব্বির আহমদ, সুমন আহমদ, শাহ জাহান আহমদ, নিজাম উদ্দিন, অপু সুলতান, নুরুল ইসলাম নাহিদ, জমির আহমদ, আজিজুর রহমান সজীব, বশির আহমদ, বশির আহমদ, নুর বাহার, শাকিল আহমদ, অবি চৌধুরী, বখতির্য়া আহমদ ইমরান, মকসুদুল করিম নুহেল, আব্দুল খালিক , শেখ নুরুল ইসলাম, মাহবুবুল আলম, মিনহাজুল ইসলাম, মুশের্দ আহমদ, মন্টু কুমার নাথ, রায়হানুল হক, আলী নুর, আফজল হোসেন, জাকির আহমদ, আলমগীর, আব্দুল আজিজ দুলাল প্রমুখ ।

 
 
 

সিলেট, ২ সেপ্টেম্বর:
দেশের প্রথম অনলাইন সাংবাদিকদের সংগঠন অনলাইন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন সিলেট (ওজাস) এর সাধারণ সভা আগামী রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭ টায় সিলেট সিটি সেন্টারস্থ সিলেট এক্সপ্রেস কার্যালয়ে অনুষ্টিত হবে ।
সভায় ওজাসের সকল সদস্যদের যথা সময়ে উপস্থিত থাকার জন্য সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মুকিত দিদার অনুরোধ জানিয়েছেন।
   

 
 
 

শাবি, ২ সেপ্টেম্বর:
শাবি প্রতিনিধি: শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম   বিভাগের  বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদের উপর হামলকারী শিক্ষার্থীর  ছাত্রত্ব বাতিল ও সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত বিভাগের সব ধরণের ক্লাস  পরীক্ষা  বর্জনের সিদ্ধান্ত  নিয়েছেন  বিভাগের শিক্ষক শির্ক্ষ্থাী বৃন্দ। মঙ্গলবার হামলাকারীর শাস্তির দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরী ভবনের সামনে  আয়োজিত মানববন্ধনে বিভাগের ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. ইসমাইল হোসেন এ ঘোষণা দেন। একই  সাথে আগামীকাল বুধবার দুপুর ১২টা থেকে বিভাগীয় অফিসের সামনে প্রতিকী অবস্থান কর্মসুচিও পালিত হবে বলেও জানান তিনি। ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. ইসমাইল হোসেনের সভাপতিত্বে  ও সহকারী অধ্যাপক আবুল কাশেমের পরিচালনায় মানববন্ধন পরবর্তী  সমাবেশে অনান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিভাগের অধ্যাপক তুলসী কুমার দাশ, সহযোগী অধ্যাপক মিজানুর রহমান,তাহমিনা ইসলাম , সহকারী অধ্যাপক শফিকুর রহমান প্রমুখ। 
এ সময় ড. ইসমাইল বলেন, “ আমাদের কর্মসূচি হবে শান্তিপূর্ণ । তবে ঘটনায়  অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত আমরা ক্লাস পরীক্ষায় ফেরব না।” পরে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী  অভিযুক্ত ছাত্রের ছাত্রত্ব বাতিল ও সর্বোচ্চ  শাস্তির দাবিতে   বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি বরাবর স্মারকলিপি দেন। প্রসংগত, ব্যক্তিগত আক্রোশের জের ধরে বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ১০.০ টায় শাবির সমাজকর্ম বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. নিয়াজ আহমেদকে নিজ অফিসে রামদা ও ছুরি দিয়ে কুপিয়ে জখম করে একই বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ওয়েস আহমেদ । এতে অধ্যাপক নিয়াজ হাত, মাথা ও কাঁধে আঘাত পান। বর্তমানে তিনি সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
               

 
 
 

সিলেট, ২ সেপ্টেম্বর:
নগরীর সুবিদ বাজারস্থ সিলেট ক্যামব্রিয়ান কলেজের একাদশ ছাত্র/ছাত্রীদরে নবীন নবরন অনুষ্ঠান মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় কলেজ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এক্সেলসিয়র সিলেট এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব সাঈদ চৌধুরী। কলেজের সার্বিক বিষয়ে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, সিলেট ক্যামব্রিয়ান কলেজের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও রেক্টর প্রভাষক শিব্বির আহমদ ওসমানী।
সিলেট ক্যামব্রিয়ান কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মাহমুদ মিয়ার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, সিলেট সিটিতে একটি এডুকশেন জোন গঠন করা হবে। স্বল্প সময়ের মধ্যে তা বাস্তবায়ন করে সিলেটের শিক্ষার মান উন্নয়নে মনিটরিং করা হবে। তিনি সিলেট ক্যামব্রিয়ান কলেজের প্রশংসা করে বলেন, নগরীর শিক্ষার মান উন্নয়নে প্রাইভেট কলেজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
সিলেট ক্যামব্রিয়ান কলেজের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও রেক্টর প্রভাষক শিব্বির আহমদ ওসমানী’র পরিচালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সিলেট ক্যামব্রিয়ান কলেজের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ আনিছুর রহমান, শাহ আবু তোফায়েল, এডভোকেট রফিক আহমদ চৌধুরী, সিলেট ক্যামব্রিয়ান কলেজের অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক খয়রুন নেছা চৌধুরী, হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মাহফুজুর রহমান প্রমুখ।
একাদশ শ্রেণির ছাত্র ইশাক মাহমুদের কোরআন তেলাওয়াত ও ঝুমা রানী দাসের গীতা পাঠের মাধ্যমে সূচিত অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, একাদশ শ্রেণির ছাত্র মিনহাজ মিয়া, মহি উদ্দিন কামরান, সামিয়া আক্তার লিনা, দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র আব্দুল্লাহ আল জুবায়ের প্রমুখ।
               

 
 
 

মৌলভীবাজার, ২ সেপ্টেম্বর:
মৌলভীবাজারে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে জিআর ও সিআর মামলার পলাতক নয় আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার ভোরে তাদের গ্রেফতার করা হয়। মৌলভীবাজার থানা থেকে বদরুল ইসলাম (২৫), আতাউর রহমান (২৬) ও জাহির মিয়াকে (৩০), শ্রীমঙ্গল থানা থেকে আনির মিয়া (২৭), রাজন আহমদ (২৮) ও আফজল হোসেনকে (২০) এবং কুলাউড়া থানা থেকে জাহিদ মিয়া (৩০), রুবি বেগম (২৮) ও রিপা বেগমকে (৩২) গ্রেফতার করা হয়।
মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহম্মদ তোফায়েল আহমদ গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।               

 
 
 

হবিগঞ্জ, ২ সেপ্টেম্বর:
হবিগঞ্জ জেলার চুনারিঘাট থানাধীন সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান ও এর আশপাশের এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারের দাবি করেছে র‌্যাব। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত র‌্যাব-৯ এ অভিযান চালায়।
উদ্ধার অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে- দু’টি এলএমজি (লাইট মেশিনগান), ৯টি এসএমজি (সাব মেশিনগান), ১টি এসএমসি (সাব মেশিনগান কারবাইন), ১টি বেটাগান, ১টি অটো রাইফেল ও ৬টি এসএলআর (সেল্প লোডেড রাইফেল), ১টি স্নাইফার টেলিস্কোপ সাইট ও ২ হাজার রাউন্ড গোলাবারুদ। র‌্যাবের মিডিয়া এন্ড লিগ্যাল উইংয়ের পরিচালক মুফতি মাহমুদ মঙ্গলবার দুপুর পৌনে ১টায় শ্রীমঙ্গল র‌্যাব-৯ ক্যাম্পে সংবাদ সম্মেলন এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ‘এসব অস্ত্র ও  গোলাবারুদ উদ্যানের দু’টি গর্তে প্যাকেটজাত অবস্থায় দু’টি কন্টেইনারে রাখা ছিল।’
           

 
 
 

ঢাকা: জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর অধ্যাপক গোলাম আযমের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে বিএসএমএমইউ-এর সিসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে।  সেখানে তিনি অধ্যাপক আবু বকর ছিদ্দিক ও মেশকাত আহমেদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন আছেন।
মঙ্গলবার সকাল ১০টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) প্রিজন সেলে থেকে বি-ব্লকের করনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) স্থানান্তর করা হয়।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেল সুপার ফরমান আলী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অধ্যাপক গোলাম আজম বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিজন সেলে চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরে তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় একই হাসপাতালের সিসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, আজ সকালে গোলাম আযমের অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে সিসিইউতে স্থানান্তর করার সিদ্ধান্ত নেন। পরে শ্বাসকষ্ট জনিত কারণে সেখানে তাকে অক্সিজেন দিয়ে রাখা হয়েছিলো।
সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী হাসপাতালটির পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল মজিদ জানিয়েছেন, সকালের দিকে গোলাম আযমের অবস্থা খারাপ হওয়ায় সিসিইউতে নেওয়া হয়েছিলো। তবে নেওয়ার কিছুক্ষণ পরেই তার অবস্থার উন্নতি হয়।

 
 
 

দৈনিক সিলেটের জন্য ২ জন কম্পিউটার অপারেটর আবশ্যক। নিউজআপডেট, লেখা-লেখি এবং সংবাদ তৈরীতে ধারণা থাকা প্রার্থীকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে। আবেদনপত্র ৫ সেপটেম্বর-এর মধ্যে নিম্ন ঠিকানায় জমা দিতে অনুরোধ করা হচ্ছে। আবেদন পত্রে  মোবাইল নাম্বার থাকা আবশ্যক। যোগাযোগের ঠিকানা:২৬-২৭ হক সুপার মার্কেট, পূর্বজিন্দাবাজার,সিলেট। ইমেইল:dainiksylhet@gmail.com  

 
 
 

নবীগঞ্জ: নবীগঞ্জ উপজেলার হরিপুর গ্রামে বরাক নদীর পাড়ে লাটিম গাছ থেকে ফুলমালা নামে এক কিশোরীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সে ওই গ্রামের মৃত সুরুজ উল্লার কন্যা। এটি হত্যা না আত্মহত্যা এ নিয়ে চলছে নানা গুঞ্জন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার রাত ৮টায় ফুলমালা প্রতিদিনের ন্যায় খাওয়া-দাওয়া শেষে মায়ের সাথে বসতঘরে ঘুমিয়ে পড়ে। এর কিছুক্ষণ পর তার মায়ের ঘুম ভেঙ্গে গেলে ফুলমালাকে বিছানায় দেখতে না পেয়ে খুঁজাখুজি শুরু হয়। এক পর্যায়ে বাড়ি থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূর বরাক নদীর তীরে লাটিম গাছে তার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায় পরিবারের লোকজন। তারা ফুলমালার দেহ গাছ থেকে নামিয়ে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। গতকাল সোমবার সকালে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ লাশের সুরতহাল তৈরি করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। এদিকে ফুলমালার গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে হয়তোবা কেউ তাকে হত্যা করে ওই গাছে ঝুলিয়ে রাখে। তবে পুলিশ বলছে আঘাতের চিহ্ন থাকলেও ময়নাতদন্ত রিপোর্ট ছাড়া কিছু বলা যাচ্ছে না। একটি সূত্র জানায়, ফুলমালার সৎ মা ও ভাই রয়েছে। ফুলমালার পিতা মারা যাবার পর তার মা মিনা বেগম ভিক্ষা করে সংসার চালাত। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সৎ মা ও ভাইয়ের সাথে মনোমালিন্য চলে আসছিল। এ ঘটনার পর থেকে সৎ মা ও ভাই আত্মগোপনে রয়েছে। এ ব্যাপারে এসআই নজরুল ইসলাম জানান, ফুলমালার গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট হাতে এলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।               

 
 
 

সৈয়দ শাহ সেলিম আহমেদ-লন্ডন থেকে:
আওয়ামীলীগের নেতা শেখ মুজিব ১৯৭৪ সালে সকল রাজনৈতিক দল বিলুপ্ত করে নিজেই একটি মাত্র দল বাকশাল সৃষ্টি করেন। বাকশালই ছিলো শেখ মুজিবের একমাত্র দর্শন মৃত্যুর আগ পর্যন্ত।সে হিসেবে আওয়ামীলীগ নামক দলের অস্তিত্ব বিলুপ্ত হয়ে যায় ১৯৭৪ সালে।জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালে পলিটিক্যাল এক্টের অধীনে আওয়ামীলীগকে নতুন জন্ম দান করেন এবং জিয়াউর রহমানের কল্যাণে শেখ হাসিনা ও আওয়ামীলীগ আজকে রাজনীতি করার সুযোগ লাভ করেছেন।বর্তমান সরকারের ও মন্ত্রীদের বক্তৃতা, বিবৃতিকে অসভ্যতা মেনে নেয়া যায়না বলে আমাকে কথা বলতে হয়। ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হত্যার বিষয় শেখ হাসিনা জানতেন বলেই তখনকার সরকারকে না জানিয়ে মুক্তাঙ্গন থেকে তড়িঘড়ি করে আওয়ামীলীগ অফিসের সামনে সভা এবং ট্র্যাকের মধ্যে প্রটেক্টেড গাড়ীতে মঞ্চ বানিয়ে সমাবেশ- এই সব রহস্যে ঘেরা সকল প্রশ্নের জবাব জাতিকে দিতে হবে। ২১ শে আগস্টের হত্যা মামলার আই,ও অফিসার আবুল কাহার আকন্দকে কেন পুনরায় ২০০৮ সালে চাকুরীতে বহাল করে এই মামলায় নিয়ে আসা হয়েছে- আদালতকেও সেই রহস্যের জবাব জাতিকে জানানোর অনুরোধ করেন। এই কথাগুলো আজ যুক্তরাজ্য বিএনপির আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেছেন বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

বিএনপির ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি শায়েস্তা চৌধুরী কুদ্দুস। সভা পরিচালনা করেন সেক্রেটারি জেনারেল কয়সর এম আহমেদ।

সভায় তারেক রহমান বিএনপির প্রতিষ্ঠা এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছাত্র জীবনের চিন্তা ভাবনা থেকে শুরু করে সৈনিক জিয়া, মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান সহ জিয়াউর রহমানের বর্ণাঢ্য জীবনের নানা দিক বিভিন্ন  তথ্য, উপাত্ত, দলিল ও জিয়াউর রহমানের লেখা নিবন্ধ থেকে সভার শুরুতে বিস্তারিত তুলে ধরেন। তারেক বলেন, আমি এখানে ইতিহাস বলতে আসিনি, ইতিহাস রচনা করবেন ইতিহাস বিদেরা। আমি এসেছি যা সত্য তথ্য, সেটা আপনাদের সামনে, বিশেষকরে আমার তরুণদের জানাতে এসেছি।

অনুষ্ঠানে তারেক রহমান ১৯৭২ সালে দৈনিক বাংলায় প্রকাশিত জিয়াউর রহমানের লেখা একটি জাতির জন্ম নিবন্ধের অংশ বিশেষ পড়ে শুনান।

জিয়াউর রহমান তলাবিহিন ঝুড়ির দেশটাকে স্বনির্ভর বাংলাদেশের রূপান্তর করেছিলেন।
 
তারেক রহমান বলেন, ২৫শে মার্চ শেখ মুজিব যখন পাকিস্তানীদের কাছে সারেন্ডার করে কারাগারে বন্দী হন, তখন জিয়াউর রহমানের ডাকে বাঙালি জাতি যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে।

এ সময় তিনি এন্থনি ম্যাসকারানাসে এ লিগেসি অব গ্রন্থ থেকেও পড়ে শুনান।

তারেক রহমান বলেন, জিয়াউর রহমান সামরিক আইন জারি করেননি, সামরিক আইন জারি করে আওয়ামীলীগের নেতা মোশতাক। জিয়াউর রহমান ক্ষমতা নেননি। তিনি ১লা নভেম্বর থেকে ৭ই নভেম্বরের ঘটনাবলি ধারাবাহিকভাবে বর্ণনা করে বলেন, জিয়াউর রহমান আওয়ামীলীগেরই সরকারের উত্তরসূরি বিচারপতি সায়েমকে রাষ্ট্রপতি পদে এবং তিনি তখন ডেপুটি চীফ ছিলেন। পরে বিচারপতি সায়েম জিয়াউর রহমানকে চীফ অফ আর্মি স্টাফ করেন।

তারেক রহমান বলেন, জিয়াউর রহমান সামরিক আইন তুলে নেন। এমনকি পলিটিক্যাল এক্টের অধীনে আওয়ামীলীগের আমলে নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলগুলোকে পুনরায় রাজনীতি করার সুযোগ করে দেন।

তারেক রহমান বলেন, ০১) জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ০২) মুক্তিযুদ্ধের প্রথম আহ্বানকারী ০৩) স্বাধীনতার ঘোষক ০৪) বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা ০৫) প্রথম নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি ০৬) সংবাদ পত্রের স্বাধীনতা প্রদানকারী।আওয়ামীলীগ এই সত্যগুলো গোপন করে মিথ্যা ইতিহাস রচনা করে বলেই আমাকে এই সব তথ্য আপনাদের সামনে প্রমাণসহ নিয়ে আসতে হয়। আওয়ামীলীগের কাজ হলো মিথ্যা ইতিহাস রচনা করা, একাজে তারা পারদর্শী। আমার কোন প্রশ্নের ও তথ্যের জবাব তাদের কাছে নেই বলেই তারা ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে।আওয়ামীলীগের মন্ত্রী, এমপি নেতাদের বক্তব্যকে অসভ্যতার সাথে তুলনা করে তারেক রহমান বলেন, অসভ্যতা মেনে নেয়া যায়না।

আওয়ামীলীগের মন্ত্রী এমপিদের বক্তব্যের জবাবে তারেক রহমান বলেন, হযরত আলী রাদিয়াল্লু বলেছিলেন, যুক্তিবৃত্তি শূন্য মানুষ অশ্লীল কথা বলে। মুহুর্মুহহু শ্লোগান আর করতালিতে তারেক রহমান বলেন, আওয়ামীলীগ জোটের নেতাদের বক্তব্যের জবাবে হযরত আলী রাদিয়াল্লু আনহুর এই বক্তব্যেই আমি থাকতে চাই।

মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নাম উল্লেখ না করে তারেক রহমান বলেন, অবৈধ শেখ হাসিনার অবৈধ মন্ত্রী- যিনি একটি পত্রিকারও সম্পাদক, একটি দলের মহাসচিব, বিগত সময়ে ১৫ আগস্ট সমকাল পত্রিকায় উনি লিখেছিলেন, ...একটি হলের নির্বাচনে জয়ী হয়ে উনি যখন হল থেকে বের হয়ে যাচ্ছিলেন, তখন পেছন থেকে আওয়াজ শুনেছিলেন ছাত্রলীগের সাথে প্রতিপক্ষের মারামারিতে ছাত্রলীগ মার খাচ্ছে। তখন ঐ অবৈধ মন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর ৩২ নম্বরে যান মরহুম আব্দুর রাজ্জাককে সাথে নিয়ে। বঙ্গবন্ধু তখন স্যান্ডেল লুঙ্গি পড়া অবস্থায় তাদের সাথে দেখা করতে নীচে নেমে আসেন। ঐ মন্ত্রী আরো লিখেছেন, তখন বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ছাত্রলীগের ছেলেরা মার খেয়েছে, এই কথা বলার জন্য এসেছিস। ফিরে আসার সময় লুঙ্গির নীচ থেকে কি একটা যেন দিলেন আর বললেন ঐ কি একটা সাথে রাখিস নিজের নিরাপত্তার জন্য। তারেক রহমান ঐ স্মৃতিচারণের কপি দেখিয়ে বলেন, এটা ঐ অবৈধ মন্ত্রীর লেখা, আমার নয়। আওয়ামীলীগের কাজ হলো ঐ কি একটা কিছু দিয়ে কি যেন করা। যার ফল দেশে গুম, হত্যা, শিক্ষাঙ্গনে ছাত্রলীগের সন্ত্রাস ঐ কি একটা দিয়ে। তারেক রহমান বলেন, যে দলের নেতা কর্মীদের কি একটা দেয়, সে দলের নেতা কেমন ছিলো তার বিচারের ভার জাতির কাছেই দিলাম।

তারেক রহমান বলেন, ১৯৭৫ সালের ২৯শে আগস্ট তখনকার ইউপিপি, যার নেতৃত্বে কাজি জাফর আহমেদ, রাশেদ খান মেননরা ছিলেন। শেখ মুজিবের মৃত্যুর পরে তারা একটি বিবৃতি দিয়েছিলেন। সেই বিবৃতিতে ইউপিপি বলেছিলো- ...ঘৃণ্য ও গণধিকৃত মুজিব শাসনের অবসান হয়েছে।তার মৃত্যু কারো মনে সামান্যতমও সমবেদনা জানাতে পারেনি।সেই বিবৃতির মেনন আজকের মহাজোটের মন্ত্রী মেনন- আপনারা বিচার করুন তাদের কথা ও কাজ কখন কি হয়।এসময় তিনি আবার বলেন এদের সম্পর্কে কিছু না বলে আমি হযরত আলীর উক্তিতেই থাকতে চাই।

তারেক রহমান বলেন, ২০০৯ সালে আমাদের সময় হাসানুল হক ইনু সম্পর্কে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছিলো।সেই রিপোর্টে লিখেছিলো অভ্যুত্থানের পর শাহবাগের বেতার ভবনে হাসানুল হক ইনু, কর্নেল আবু তাহেরকে নিয়ে এসে অভ্যুত্থানের নেতাদের সাথে দেখা করেন। অভ্যুত্থানের আরো এক নেতা রশীদ নারায়নগঞ্জে কর্নেল তাহেরের সাথে গিয়ে দেখা করে বেতারে আসার কথা বলেছিলেন।তারা বেতারে আসেন, মোশতাকের সাথেও কথা বলেন। পুরো রিপোর্টি তারেক রহমান অনুষ্ঠানস্থলে পড়ে শুনান এবং তার কপিও প্রদর্শন করেন।আর আজকে হাসানুল হক ইনু শেখ মুজিব বন্ধনায় দিনরাত পার করে দিতেছে- তেল বাজিই এখন তাদের কাজ। এদের সম্পর্কে আমি কিছু না বলে ঐ হযরত আলীর উদ্ধৃতিতেই থাকতে চাই।



তারেক রহমান বলেন, অবৈধ আওয়ামীলীগ সরকার বাংলাদেশের জনপ্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমদের বই কোর্টের মাধ্যমে সেন্সর করেছে। তারা যখন দেখে তাদের লুকোচুরি সব ফাঁস হয়ে যায়, তখন তারা হয় অবৈধ পন্থায়, জোর করে অথবা কোর্টের মাধ্যমে হলেও সেন্সর করে। একইভাবে আওয়ামীলীগ তাদেরই পন্থী বাংলাদেশের বয়োবৃদ্ধ লেখক সাংবাদিক এ বি এম মুসা হক কথা বলায় বড় কষ্ট আর অবহেলায় মৃত্যু বরণ করেছেন বলে উল্লেখ করেন।

২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা সম্পর্কে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি সরকারের সময় সংগঠিত এই ঘটনায় আওয়ামীলীগ যখন জনসভার জন্য মুক্তাঙ্গনে আয়োজনের কথা বলে তখন সরকার তার দায়িত্ব হিসেবে মুক্তাঙ্গনে আওয়ামীলীগের জনসভার নিরাপত্তার যাবতীয় ব্যবস্থা করে। মুক্তাঙ্গনের দুই দিকেই সরকারী অফিস- নিরাপত্তা বলয় থাকায় স্বাভাবিকভাবেই সরকারের অনুমতি ছাড়া অন্যকারো এই স্থান দিয়ে ঢুকার প্রশ্নই আসেনা- সেটা যে কেউই অনুমান করতে পারছেন। আওয়ামীলীগ হঠাত করে সরকারকে কিছুই না জানিয়ে এবং কোন সুযোগ না দিয়ে জনসভার স্থান আওয়ামীলীগের অফিসের সামনে নিয়ে যায়। আওয়ামীলীগ অফিস যেখানে সেখানে পাকিস্তান আলম থেকেই এবং আশেপাশের সব বিল্ডিং দোকান আওয়ামীলীগের কারো না কারো।এই তড়িঘড়ি করে জনসভার স্থান পরিবর্তন প্রমাণ করে শেখ হাসিনা আগে থেকেই জানতেন এখানে কিছু একটা হবে যাতে দেশে বিদেশে বিএনপি সরকারকে বেকায়দায় ফেলে রাজনৈতিক ফায়দা তোলা যায়।তারেক রহমান আরো বলেন, শেখ হাসিনা আইভি রহমানকে বার বার নীচ থেকে ট্রাকের মধ্যে চলে আসার জন্য কেন বলছিলো, আর যে ট্রাকের উপর শেখ হাসিনা মঞ্চ বানিয়ে বক্তব্য দিয়েছিলো, সেখানে পুরো ট্রাকের চতুর্দিকে ঢাকা ছিলো প্রটেকশনের জন্যে যাতে বোমা জাতীয় কিছু ফাটলে শেখ হাসিনা প্রটেক্টেড থাকে এবং হিউম্যান শিল্ডসতো আছেই। এই দুই রহস্য গ্রেনেড হামলার সাথে শেখ হাসিনাকেই জবাব দিতে হবে।

এ সময় তারেক রহমান আরো বলেন, গ্রেনেড হামলার আই,ও আবুল কাহার আকন্দ সরকারি পদে থেকে নির্বাচনের নমিনেশন নেন এবং দাঁড়ান যা একজন সরকারি কর্মকর্তা নিজ পদে থেকে করতে পারেন না। সরকার আবুল কাহার আকন্দকে স্বাভাবিকভাবেই চাকরীচ্যুত করে। শেখ হাসিনার সরকার এই আকন্দকে ক্ষমতায় এসে আবার চাকরীতে বহাল এবং গ্রেনেড হামলা মামলার আইও নিয়োগ করে। এখন আদালতকে আগে জাতিকে জানাতে হবে এই সব রহস্যের কারণ এবং একজন সরকারি কর্মকর্তা নিজ পদে থেকে নির্বাচন করে চাকরীচ্যুত হওয়ার পরে আবার এই মামলার প্রধান নিয়োগ এই সব রহস্যের ভেদ জাতিকে জানাতে হবে।

এ সময় তিনি নারায়ণগঞ্জের ৭ খুন হওয়ার পরে আওয়ামীলীগের সেই লোক যখন বললো আমি আপাকে খুন হওয়ার ৫মিনিটের মধ্যেই জানিয়েছি, অথচ আপা জানার পরেও এব্যাপারে এতো বড় লোমহর্ষক ঘটনা ঘটছে তার ব্যবস্থা না নিয়ে পরবর্তীতে সংসদে দাঁড়িয়ে সেই লোকের ও পরিবারের প্রটেকশনের কথা বলেন। এই হলো আওয়ামীলীগের কাজ।

একই সময়ে তারেক রহমান তখনকার জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে কাদের সিদ্দিকী সাহেব বলেছিলেন তড়িঘড়ি করে জনসভার স্থান মুক্তাঙ্গন থেকে কেন সরিয়ে আওয়ামীলীগ অফিসে নেয়া হলো- সেটা দেখা দরকার। তারেক রহমান বলেন, কাদের সিদ্দিকী ভিন্ন একটি দলের নেতা এরকম বক্তব্য জাতীয় সংসদে দিয়েছিলেন, সংসদের রেকর্ডেও এই বক্তব্য আছে।

জিয়াউর রহমানের সুনাম নষ্ট করার জন্যে চক্রান্ত করে আওয়ামীলীগ গ্রেনেড হামলা মামলা বিএনপিকে জড়াচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

রাত নয়টার কিছু পরে সুরু করা বক্তব্যে রাত ১০টার ৩০ পরে এসে শেষ পর্যায়ে তারেক রহমান বলেন, আন্দোলনের মাধ্যমে এই অবৈধ সরকারকে হটিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় ব্যক্ত করে বক্তব্য শেষ করেন।

এর আগে বিএনপির কেন্দ্রীয় মানবাধিকার সম্পাদক নাসির উদ্দিন অসীম বলেন, ২৫শে মার্চ শেখ মুজিবুর রহমান সারেন্ডার করে কারাগারে চলে যান, পরীক্ষা হলেতো সফলতা ব্যর্থতা আসবে। শহীদ জিয়া যুদ্ধের ময়দানে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছেন, পরীক্ষার ময়দানে সফল।

অসীম বলেন, শেখ হাসিনা যখন সন্তান জন্ম দান করেন তখন পাকিস্তানের সামরিক হাসপাতালে গিয়ে সন্তান জন্ম দেন।

সভার শুরুর আগে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মাওলানা শামীম।তার পর জাসাসের শিল্পীদের সমন্বয়ে জাতীয় সঙ্গীত এবং প্রথম বাংলাদেশ আমার মরণ বাংলাদেশ গানটি সমবেত কণ্ঠে পরিবেশন করা হয়।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় নেতা ও আইনজীবী ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীম, কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক মাহিদুর রহমান মুহিব, সাবেক সহকারি এটর্নি জেনারেল, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আ জ ম মোর্শেদ আলম, এম লুতফুর রহমান, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী পরিষদের মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক  ও পটুয়াখালী বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ডঃ আব্দুল লতিফ মাসুদ, এম এ মালেক, ব্যারিস্টার আব্দুস সালাম, সাদেক আহমদ, তাজুল ইসলাম, ডঃ মুজিবুর রহমান সহ আরো অনেকেই।

অনুষ্ঠান শেষে ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটেন নেতা কর্মীদের নিয়ে তারেক রহমান।

অনুষ্ঠানের মধ্যখানে তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিনের তৈরি জিয়াউর রহমানের উপর একটি ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়।               

 
 
 
 
 
কবিতা
শিল্প-সাহিত্
মিডিয়া
ইসলাম
Image Missing
 
 
বিনোদন
বিনোদন
বিচিত্রা
বিচিত্রা
মুক্তমঞ্চ
Image Missing
 
 
খেলাধুলা
খেলাধুলা
স্বাস্থ্য
স্বাস্থ্য
তথ্য-প্রযুক্তি
তথ্য-প্রযুক্তি
 
 
সংবাদদাতা
জীবন সদস্য
সম্পাদক
 
দেশ বিদেশ
 
 
 

ঢাকা, ২ সেপ্টেম্বরঃ
২০০৪ সালের ২১ আগস্টে গ্রেনেড হামলা মামলায় বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৯ জন আসামি পলাতক রয়েছে বলে সংসদকে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক।
মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের দ্বিতীয় কার্য দিবসে বেগম উম্মে রাজিয়া কাজলের এক প্রশ্নের উত্তরে আইনমন্ত্রী সংসদে এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার অধিকতর তদন্তের জন্য রাষ্ট্রপক্ষ আবেদন করে। এরপর ২০০৯ সালের ৩ আগস্ট আদালত আদেশ দিলে তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ২ জুলাই তারিখে সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। এতে হত্যা মামলায় ৫২ জন আসামি এবং বিস্ফোরক মামলায় ৪১ জনকে আসামি করা হয়। সর্বমোট সাত জন তদন্তকারী কর্মকর্তা মামলা দুটি তদন্ত করেছেন। এই মামলা দুটিতে মোট ৪৯১ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।
আনিসুল হক বলেন, মামলা দুটি দ্রুত বিচারের জন্য ২০১১ সালের ৮ সেপ্টেম্বর থেকে ঢাকার এক নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচার কার্য পরিচালিত হচ্ছে। যতদূর জানা যায়, চলতি বছর ২৫ আগস্ট পর্যন্ত ১০০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য সমাপ্ত হয়েছে। তারেক রহমানসহ ১৯ জন আসামি পলাতক আছে। ২৫ জন আসামি জেল হাজতে আছে।
বেগম ফজিলাতুন নেসা বাপ্পির এক প্রশ্নের উত্তরে আইনমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বর্তমানে প্রসিকিউটরের সংখ্যা ২০ জন। বর্তমানে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২’এ মোট ১১টি মামলার বিচার কার্যক্রম চলমান আছে।
মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত মোট ৩০ জন প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে ২০ জন প্রসিকিউটর কর্মরত আছেন এবং বাকি ১০ জন বর্তমানে ট্রাইব্যুনালের কাজের সঙ্গে জড়িত নেই।
দিদারুল আলমের এক প্রশ্নের উত্তরে আনিসুল হক বলেন, মৃত্যুদণ্ডাদেশ সংক্রান্ত মামলার সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় এসব মামলার আপিল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে উচ্চ আদালতে আপিলের পেপারবুক তৈরির ক্ষেত্রে কিছুটা শ্লথ গতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কিন্তু বিষয়টি সম্পূর্ণ সুপ্রিম কোর্টের আওতাধীন হওয়ায় এ ব্যাপারে সরকারের কিছুই করার নেই। বরং সরকার এ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হতে পারে। তারপরও জনগণের স্বার্থের কথা বিবেচনা করে সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে আলোচনা করে এ সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
মোরশেদ আলমের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের জেলা ও দায়রা জজ আদালত, অন্যান্য ট্রাইব্যুনালে জেলা ও দায়রা জজ বা সমপর্যায়ের মোট ২৪টি পদ শূন্য রয়েছে।
       

 
 
 
 
 
 

ঢাকা, ২ সেপ্টেম্বর :
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক নিয়োগের অভিযোগে অবস্থান ধর্মঘট করছে রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা বাসসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। মঙ্গলবার দুপুর ২টা ২০ মিনিট থেকে বাসস অ্যাপ্লয়িজ ইউনিয়নের সদস্যরা ব্যবস্থাপনা সম্পাদকের কক্ষের সামনে এ অবস্থান ধর্মঘট শুরু করেন।
ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আলী খান বলেন, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক পদে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে মনোজ কান্তি রায়কে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। আমরা এর প্রতিবাদে অবস্থান ধর্মঘট করছি।
জানা যায়,  দুপুরে ধর্মঘট শুরুর পর প্রায় ঘণ্টাখানেক সংবাদ সংস্থা হিসাবে বাসসের সেবাও বন্ধ থাকে।
বাসসের ওয়েবসাইটে দেখা যায়, বুধবার বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত তারা মাত্র তিনটি সংবাদ প্রকাশ করেছে, যার মধ্যে সর্বশেষ সংবাদটি প্রকাশের সময় দেখানো হয়েছে বেলা ১২টা ৩৪ মিনিট।
বাসসের প্রধান সম্পাদক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ মঙ্গলবার সকালে সংস্থার বিশেষ প্রতিনিধি মনোজ কান্তি রায়কে ব্যবস্থাপনা সম্পাদক নিয়োগ দেন। ওই নিয়োগের এদশ নোটিস আকারে প্রকাশের পরপরই কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিক্ষোভ শুরু করেন। এক পর্যায়ে তারা প্রধান সম্পাদকের কক্ষও ঘেরাও করেন। তবে ওই সময়ে প্রধান সম্পাদক তার কক্ষে ছিলেন না।               

 
 
 
 
 
 

ঢাকা, ২ সেপ্টেম্বর:
আগামী ১০০ বছরের মধ্যে বিএনপির সঙ্গে আওয়ামী লীগের কোনো সমঝোতা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম।
মঙ্গলবার রাজধানীর শাহবাগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) প্রাঙ্গণে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) শোক দিবসের আলোচনা সভায় নাসিম এ মন্তব্য করেন।
নাসিম বলেন, “১০০ বছরেও বিএনপির মতো একটি খুনি দলের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সমঝোতা হবে না। যারা শেখ হাসিনার মা-বাবা ও ছোট্ট ভাইকে হত্যা করেছে, তাদের সঙ্গে তিনি কীভাবে সমঝোতা করতে পারেন—আপনারাই বলেন।”
২০১৯ সালের আগে কোনো নির্বাচন হবে না বলেও  জানিয়ে দেন নাসিম। পাকিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতিতে উল্লসিত না হওয়ার জন্যও বিএনপিকে পরামর্শ দেন আওয়ামী লীগের এই নেতা।
গুম-খুন নিয়ে বিএনপির নেতাদের দেয়া বক্তব্যের সমালোচনা করে নাসিম বলেন, “আয়নায় নিজেদের চেহারা দেখুন। কোনো হত্যকাণ্ডের বিচার আপনারা করেননি। শেখ হাসিনা সব বিচার করেছেন। বিচার করতে শেখ হাসিনা নিজ দলের নেতা-কর্মীদেরও ছাড় দেননি।”
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, তিনি মন্ত্রী থাকা অবস্থায় যেসব চিকিৎসককে গ্রামে পদায়ন করা হয়েছে, তাদের দুই বছরের আগে কোনোভাবেই সরানো হবে না।
আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য দেন বিএসএমএমইউর উপাচার্য প্রাণ গোপাল দত্ত, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) মহাসচিব এম ইকবাল আর্সলান প্রমুখ। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএসএমএমইউর সার্জারি অনুষদের ডিন কনক কান্তি বড়ুয়া।
               

 
 
 
 
 
 

ঢাকা, ২ সেপ্টেম্বর:
হল দখলকে কেন্দ্র করে ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসায় ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংর্ঘষ হয়। এ ঘটনায় আটজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে চারজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তারা হলেন- রুমান (২২), সাইফুল (২০) আসাদ (২০) ও মহসিন (২১) । মঙ্গলবার দুপুর তিনটায় এ সংঘর্ষ শুরু হয়।
জানা গেছে, রাজধানীর বকশীবাজার সংলগ্ন ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা ছাত্রলীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক রাকিব গ্রুপের সঙ্গে সাবেক সাধারণ সম্পাদক (বহিষ্কৃত) মহসীন গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।
           

 
 
 
 
 
 

ঢাকা, ২ সেপ্টেম্বর :
গুম খুনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার দুপুরে ২০ দলীয় জোট আয়োজিত আন্তর্জাতিক গুম দিবস উপলক্ষে মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন। এ মানববন্ধন নয়াপল্টনস্থ নাইটিঙ্গেল মোড় থেকে ফকিরাপুল আরামবাগ মোড় পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ অংশ নেন। তিনি বলেন,  কেবল নীরব হয়ে গুম-খুন দেখলে আর চলবে না এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। আজকের মানববন্ধনে প্রমাণ হয়েছে এ দেশের মানুষ অতীতেও গুম-খুন, অত্যাচার সহ্য করেনি এবারো করবে না।
মির্জা ফখরুল বলেন, অপহরণ গুম-খুন হত্যার মাধ্যমে বাংলাদেশে ভীত সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা হয়েছে। বিরোধী মত দমন করতে রাষ্ট্রীয় বাহিনী দিয়ে ক্ষমতাসীন সরকার সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার নির্যাতন চালাচ্ছে।
বিএনপি’র এই মুখপাত্র বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আন্দোলনের মাধ্যমে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন দিতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী সরকারকে বাধ্য করা হবে।
মানববন্ধনে বক্তব্যে রাখেন- বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদের সদস্য অধ্যাপক তাসনীম আলম ও গুম হওয়া বিএনপি ও জোটের ১১টি পরিবারের সদস্যবৃন্দ।
বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা মহানগর বিএনপি’র আহ্বায়ক মির্জা আব্বাস বলেন, শুনতে পাচ্ছি ক্ষমতাসীন সরকারের পক্ষ থেকে গুম-খুনের লিষ্ট করা হচ্ছে। কাজেই আমাদের সবাইকে সাবধানতা অবলম্বন করে এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে এই মুহূর্তে গুম, খুন, অপহরণ ও রক্তপাত চলছে। অবিলম্বে এই খুনাখুনি বন্ধ করতে হবে।
এ সময় তিনি বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দ্বারা যে সমস্ত নেতা-কর্মীকে গুম করা হয়েছে তাদের পরিবারের সবার প্রতি সমবেদনা জানান। এমনকি সুযোগ পেলে তিনি উপরোক্ত পরিবারের সদস্যদের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার করেন।
               

 
 
 
 
 
 

ঢাকা,২ সেপ্টেম্বর:
রাজধানীর পল্টন থানার একটি দ্রুত বিচার আইনের মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায়সহ দলটির ৪১ নেতাকর্মীর  বিচার শুরু হয়েছে ঢাকার সিএমএম আদালতে।
মঙ্গলবার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্টেট তারেক মইনুল ইসলাম ভূইয়ার আদালতে চার্জ গঠনের মধ্যদিয়ে এ বিচার শুরু হয়। চার্জ গঠনের পর বিচারক সাক্ষ্যগ্রহণের জন আগামী ১২ অক্টোবর  দিন ধার্য করেছেন।
এছাড়া একই আদালতে চার্জ শুনানির জন্য থাকা শাহজাহানপুর থানার মামলাটিতে আসামিদের পক্ষে সময়ের আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে বিচারক মামলাটির চার্জ শুনানির জন্য আগামী ২ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন।
শুনানিতে আসামি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া, অ্যাডভোকেট মহসিন মিয়াসহ অন্যান্য সিনিয়র আইনজীবীরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।               

 
 
 
 
 
 

ঢাকা, ১ সেপ্টম্বর :
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সাড়ে চার কেজি ওজনের গলানো স্বর্ণ উদ্ধার করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দুইটি লাগেজ থেকে ওই স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কাস্টমস পরিদর্শক মো. সাইদ। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শীর্ষ নিউজকে তিনি বলেন, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কাস্টমস হলের সামনে থেকে ২টি লাগেজ উদ্ধার করা হয়। লাগেজ ২টি স্ক্যান করা হয়। এ সময় স্ক্যানে স্বর্ণের সন্ধান মিললে লাগেজ খুলে গলিত স্বর্ণের দলা উদ্ধার করা হয়। এর বাজার মূল্য প্রায় সোয়া দুই কোটি টাকা। তিন আরো বলেন, দুবাই থেকে এফজেড-৫৮৩ বিমানে স্বর্ণগুলো আনা হয়। এই ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি। 
           

 
 
 
 
 
 

ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর  :
সংবিধান প্রণেতা ড. কামাল হোসেন বলেছেন, সংবিধান সংশোধনে ১৬ কোটি মানুষের মতামত নেয়া দরকার। জাতীয় সংলাপ দরকার।  সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘সংবিধান সংশোধন, বিচারপতিদের অভিশংসন এবং এর সম্ভাব্য তাৎপর্য’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি একথা বলেন। ড. কামাল বলেন, গত জুলাই মাসে হঠাৎ সংবিধান সংশোধনের ওহি আসলো। তিনি বলেন, সংবিধানের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অন্যতম। এই বিচার বিভাগের উপর আঘাত করা মানে সংবিধানেরই উপর আঘাত হানা।  
সুজন সভাপতি এম হাফিজের সভাপতিত্বে এতে আরো বক্তব্য রাখেন বিচারপতি আমিরুল কবির চৌধুরী, সাংবাদিক মিজানুর রহমান, সৈয়দ আবুল মকসুক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক আসিফ নজরুল,  নাগরিক ঐক্য ফোরামের মাহমুদুর রহমান মান্না, সাবেক নির্বাচন কমিশনার এম শাখাওয়াত হোসাইন, সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার প্রমুখ।

 
 
 
 
 
 

নিউজডেস্ক:
আজ পহেলা সেপ্টেম্বর। বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম রাজনৈতিক দল জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ১৯৭৮ সালের এই দিনে দেশের এক চরম ক্রান্তিকালে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের আদর্শের এ দলটির প্রতিষ্ঠা করেন।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিগত ৩৬ বছরে বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রগতির সহায়ক হয়ে রাজনীতিতে ভূমিকা রেখেছে দলটি। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত চারবার রাষ্ট্রপরিচালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে দলটির ঝুড়িতে। রাজনীতির নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে দলটি আজ বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল।

দেশের পরিবর্তিত রাজনৈতি পরিস্থিতিতে ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নামে একটি নতুন দল ঘোষণা করেন। ঢাকার রমনা গ্রিনে সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।

সংবাদ সম্মেলনে জিয়াউর রহমান একটি ঘোষণাপত্র পাঠ করেন। জিয়াউর রহমান ঘোষিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ঘোষণাপত্রে বলা হয়- বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে ইস্পাত কঠিন গণঐক্য, জনগণভিত্তিক গণতন্ত্র ও রাজনীতি প্রতিষ্ঠা, ঐক্যবদ্ধ ও সুসংগঠিত জনগণের অক্লান্ত প্রয়াসের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনৈতিক মুক্তি, আত্মনির্ভরশীলতা ও প্রগতি অর্জন এবং সাম্রাজ্যবাদ, সমপ্রসারণবাদ, নয়া উপনিবেশবাদ ও আধিপত্যবাদের বিভীষিকা থেকে মুক্তির লক্ষ্যকে নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী গঠিত হয়েছে। এ চারটি লক্ষ্যকে জনগণের মৌলিক বলে জনগণের ঘোষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়।

ওই দিনই মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে আহ্বায়ক করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ৭৬ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটিতে যারা ছিলেন: আহ্বায়ক: মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান।

সদস্য: ১. বিচারপতি আবদুস সাত্তার, ২. মশিউর রহমান জাদু মিয়া, ৩. মোহাম্মদ উল্লাহ ৪. শাহ আজিজুর রহমান ৫. ক্যাপ্টেন (অব.) হালিম চৌধুরী, ৬. রসরাজ মন্ডল ৭. আবদুল মোমেন খান ৮. জামাল উদ্দিন ৯. ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী ১০. মির্জা গোলাম হাফিজ ১১. ক্যাপ্টেন (অব.) নুরুল হক ১২. মোহাম্মদ সাইফুর রহমান ১৩. কে এম ওবায়দুর রহমান ১৪. মওদুদ আহমেদ ১৫. শামসুল হুদা চৌধুরী ১৬. এ জেড এম এনায়েতউল্লাহ খান ১৭. এস এ বারী এটি ১৮. ড. আমিনা রহমান ১৯. আবদুর রহমান ২০ ডা. এম এ মতিন ২১. আবদুল হালিম ২২. ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত ২৩. আনোয়ার হোসেন মঞ্জু ২৪. নুর মোহাম্মদ খান ২৫. আবদুল করিম ২৬. শামসুল বারী ২৭. মজিবুর রহমান ২৮. ডা. ফরিদুর হুদা ২৯. শেখ আলী আশরাফ ৩০. আবদুর রহমান বিশ্বাস ৩১. ব্যারিস্টার আবদুল হক ৩২. ইমরান আলী সরকার ৩৩. দেওয়ান সিরাজুর হক ৩৪. এমদাদুর রহমান ৩৫. অ্যাডভোকেট আফসার উদ্দীন ৩৬. কবির চৌধুরী ৩৭. ডা. এম আর খান, ৩৮. ক্যাপ্টেন (অব.) সুজাত আলী ৩৯. তুষার কান্তি বাড়ৈ ৪০. সুনীল গুপ্ত ৪১. রেজাউল বারী ডিনা ৪২. আনিসুর রহমান ৪৩. আবুল কাসেম ৪৪. মনসুর আলী সরকার ৪৫. আবদুল হামিদ চৌধুরী ৪৬. মনসুর আলী ৪৭. শামসূল হক ৪৮. খন্দকার আবদুল হামিদ ৪৯. জুলমাত আলী খান ৫০. অ্যাডভোকেট নাজমুল হুদা ৫১. মাহবুব আহামেদ ৫২. আবু সাঈদ খান ৫৩. মোহাম্মদ ইসমাইল ৫৪. সিরাজুল হক মন্টু ৫৫. শাহ বদরুল হক ৫৬. আবদুর রউফ ৫৭. মোরাদুজ্জামান ৫৮. জহির উদ্দিন খান ৫৯. সুলতান আহমেদ চৌধুরী ৬০. শামসুল হুদা ৬১. সালেহ আহমেদ চৌধুরী ৬২. আফসার আহমেদ চৌধুরী ৬৩. তরিকুল ইসলাম ৬৪. আনোয়ারুল হক চৌধুরী ৬৫. মইন উদ্দিন খান ৬৬. এম এ সাত্তার ৬৭. হাজী জালাল ৬৮. আহমেদ আলী মন্ডল ৬৯. শাহেদ আলী ৭০. আবদুল ওয়াদুদ ৭১. শাহ আবদুল হালিম ৭২. ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ৭৩. আতা উদ্দীন খান ৭৪. আবদুর রাজ্জাক চৌধুরী ও ৭৫. আহমেদ আলী। (সূত্র: ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮, দৈনিক বাংলা)

দল গঠনের পর প্রথম ১৯৭৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে বিএনপি। ওই নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ২০৭ টি আসন পেয়ে সংখ্যাগাষ্ঠিতা লাভ করে। ৩৯টি আসন পেয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ (মালেক) প্রধান বিরোধী দলের মর্যাদা পায়। এছাড়া বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ (মিজান) ২টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) ৮টি, ন্যাশনাল আওয়ামী লীগ পার্টি (মোজাফফর) ১টি, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ ও ইসলামী ডেমোক্রেটিক দল ২০টি, গণফ্রন্ট ২টি, বাংলাদেশ জাতীয় লীগ ২টি, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আন্দোলন ১টি, বাংলাদেশ সাম্যবাদী দল (তোয়াহা) ১টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ১৬টি আসন পায়।

এরপর থেকে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও রাজনৈতিক উত্থান-পতনে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিল জাতীয়তাবাদের আদর্শে গঠিত এ দলটি।

১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসে দুস্কৃতিকারীদের হামলায় জিয়াউর রহমান নিহত হলে দলের হাল ধরেন তার স্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। ১৯৮২ সালের ৩ জানুয়ারি বাংলাদেশের রাজনীতিতে বেগম খালেদা জিয়া একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। একই দিন তিনি বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদ লাভ করেন ও দল পুনর্গঠনের কাজে আত্মনিবেদন করেন। এরপর থেকে তিনি দলটির চেয়ারপারসনের দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

কর্মসূচি: দলের ৩৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলটি। কর্মসূচির মধ্যে ৩১ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে দিনব্যাপী জাতীয় প্রেসক্লাবের তৃতীয় তলায় বিএনপির প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এ পর্যন্ত নানাবিধ কর্মকান্ডের ওপর প্রামাণ্য আলোকচিত্র প্রদর্শনী, ১ সেপ্টেম্বর দলের নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সকাল ৬টায় দলীয় পতাকা উত্তোলন, সকাল ১০টায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে শেরেবাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন ও ফাতেহা পাঠ এবং একই দিন বিকাল ৩টায় রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে বিএনপির উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় ক্রোড়পত্র প্রকাশ ও পোস্টারিং করা হবে।

এছাড়া ঢাকার বাইরে সারাদেশে দলের সকল ইউনিটে সকাল ৬টায় দলীয় পতাকা উত্তোলন করাসহ স্থানীয় সুবিধানুযায়ী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে দলের নেতাকর্মীরা।

এদিকে দিবসটিকে ঘিরে পৃথক বাণী দিয়েছেন দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বাণীতে বেগম খালেদা জিয়া বলেন, আজকের দিনটি আমাদের সবার জন্য আনন্দ ও প্রেরণার। ১৯৭৮ সালের এই দিনে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বাকশালী একদলীয় দুঃশাসনের জের ধরে সেসময়ে দেশে বিরাজমান চরম জাতীয় সংকটের কারণে যে রাজনৈতিক শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছিল তা পূরণ করতে বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনপ্রবর্তন এবং এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া বিএনপি বিগত ৩৬ বছরে বারবার সকলের অংশগ্রহণমূলক জনগণের ভোটে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে এবং দেশ ও জনগণের সমৃদ্ধি ও কল্যাণে কাজ করে গেছে। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আমাদের অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করেছে দলটি।

খালেদা জিয়া বলেন, দেশের বিভিন্ন ক্রান্তি কালে রাজপথে বলিষ্ঠ ভূমিকার কারণে জনগণ কর্তৃক সমাদৃত হয়েছে বিএনপি। এ কারনেই বিএনপি দেশবাসীর কাছে এখন সর্বাধিক জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল। জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অক্ষুন্ন রেখে ভবিষ্যতেও দেশ ও জনগণের সেবায় বলিষ্ঠ ও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বিএনপি।                

 
 
 
 
 
 

বিশেষ প্রতিনিধি : সকল অতিথির হাতে হাতে মঙ্গলপ্রদীপ। উদ্বোধনী সঙ্গীতে কন্ঠ দিলেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের খ্যাতিমান সঙ্গীতশিল্পী শহীদ হাসান। মিউজিকের অনুরণনে আপ্লুত হলভর্তি দর্শক-শ্রোতা-সাহিত্য অনুরাগীরা। পড়ন্ত বিকেল ভরে উঠলো এক অনন্য অভায়।
   জীবনের জন্য সাহিত্য- এই মুখ্যবাণীকে উপজীব্য করে নিউইয়র্কে উত্তর আমেরিকা
বাংলা সাহিত্য সম্মেলন-২০১৪ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভাষা শহীদ, বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলা ভাষা-সাহিত্যের প্রতি সম্মান দেখিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালনের
মধ্য দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান। এবারের সাহিত্য সম্মেলনের প্রধান আয়োজক ছিল গাঙচিল সাহিত্য আসর ও প্রবাসী ফাউন্ডেশন ইউএসএ। বিশিষ্ট কবি ফকির ইলিয়াস ও ছন্দা বিনতে সুলতানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনের হলরুম ছিল কানায় কানায় পূর্ণ।
  ২৯ জুলাই ২০১৪ শুক্রবার বিকেলে জ্যাকসন হাইটসের সুপরিচিত \'জুইশ সেন্টারে\' অনুষ্ঠিত হয় এই সম্মেলন। সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন সাপ্তাহিক ঠিকানা\'র সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি,বিশিষ্ট সমাজসেবক-সাংবাদিক, সাবেক সংসদ সদস্য এম এম শাহীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক সংসদ সদস্য মনিরুল ইসলাম, সাবেক সংসদ সদস্য অনিুজ্জামান খোকন, বিশিষ্ট লেখক ডঃ অর্ভিন ঘোষ, বাংলাদেশ টেলিভিশনের সাবেক মহাপরিচালক এ কে এম সালামতউল্লাহ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ডঃ গিয়াস উদ্দীন ও কবি তমিজ উদদীন লোদী।
 সম্মেলনে \'বাংলা সাহিত্য দেশে বিদেশে\'- শীর্ষক আলোচনায় অংশ নেন- লেখক
প্রতীপ দাশগুপ্ত, লেখক ও সাংবাদিক হারুন চৌধুরী, লেখক স্বপন বসু, সাংবাদিক
শাখাওয়াত হোসেন সেলিম, সাপ্তাহিক জন্মভূমি সম্পাদক রতন তালুকদার, বিশিষ্ট সাংবাদিক মনজুর আহমদ, লেখক প্রদীপ মালাকার, ও লেখক মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন।
\'অভিবাসী সাহিত্য ও ধারাবাহিকতা\'- শীর্ষক আলোচনায় অংশ নেন কবি তমিজ উদদীন লোদী। তিনি বলেন, একজন কবি কিংবা লেখক অভিবাসী হবার পর তার
দুটো ঠিকানা গড়ে উঠে। একটি তার জন্মভূমি আর অন্যটি তার নিজের চলমান বাসভূমি। কিন্তু বিশ্বসাহিত্য পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ঐ লেখক তার জন্মভূমিকে
আবর্তন করেই রচনা করেন তার মূল্যবান সাহিত্য। তিনি বলেন, এই গ্লোবাল ভিলেজ
আমাদেরকে খুব কাছাকাছি নিয়ে এসেছে। তাই অভিবাস শব্দটি এখন বিশ্বগ্রাম।
কবি তমিজ উদদীন লোদী বলেন, অভিবাসে থেকে অনেক বড় বড় সাহিত্যিক তাদের
পাঠকপ্রিয় লেখাগুলো লিখেছেন। এখনও লিখছেন। এই উত্তর আমেরিকা থেকেও এমন
সাহিত্য রচিত হবে সে প্রত্যাশা আমরা করেই যাচ্ছি।
পশ্চিম বাংলার খ্যাতিমান সাহিত্যিক ডঃ অর্ভিন ঘোষ তার নিজ লেখার কয়েকখণ্ড পড়ে শোনান। তিনি বলেন- এমন আয়োজন প্রজন্মকে শাণিত করবে।
বাংলাদেশ টেলিভিশনের সাবেক মহাপরিচালক এ কে এম সালামতউল্লাহ তার বক্তব্যে বলেন, বাংলা বিশ্বের ষষ্ঠ প্রধান ভাষা। এই ভাষার ইতিহাস-ঐতিহ্য খুব উজ্জ্বল। তিনি বিদেশে নিজ প্রফেশনের প্রয়োজনেই বাংলা ভাষা শেখার জন্য প্রজন্মকে আহ্বান জানান। তিনি বলেন, একজন ডাক্তার কিংবা একজন আইনজীবী যদি একটি ভাষায়
কথা বলা কিংবা লেখার কৃতিত্ব দেখাতে পারেন- তা কিন্তু তার পেশাগত জীবনকেই
সমৃদ্ধ করবে। তাই বাংলা শেখা উচিৎ নিজের প্রয়োজনেই।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও যুক্তরাষ্ট্রে ভিজিটিং প্রফেসর ডঃ গিয়াস উদ্দীন বলেন,
আমরা যেখানেই থাকি না কেন, যেন শিকড়ের সন্ধান ভুলে না যাই। তিনি বিজ্ঞান মনস্ক সাহিত্যের উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, উত্তর আমেরিকা উপাত্তের দেশ। এখানের আর্কাইভ আমাদেরকে পড়াশোনার দরজা অবারিত রেখেছে।
 বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সাবেক সংসদ সদস্য মনিরুল ইসলাম বলেন, এটা আশার কথা আমেরিকায়ও গড়ে উঠছে মিনি বাংলাদেশ। এখানে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের
প্রদীপ জ্বলছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটির অভ্যুদ্বয়ের মাধ্যমে বিশ্বে বাংলা
ভাষা এখন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার পথটি দেখিয়েছে। আর এজন্যও প্রবাসী বাঙালীদের
দান অপরিসীম।
বিশেষ অতিথি, উত্তর আমেরিকার প্রথম বাংলা টিভি \'রূপসী বাংলা\'র মহাপরিচালক ও
সাবেক সংসদ সদস্য আনিসুজ্জামান খোকন বলেন, আমি প্রায় সাড়ে তিন দশক আগে
উত্তর আমেরিকায় বাংলা ভাষা-সাহিত্য-শিল্প বিকাশের যে স্বপ্ন দেখতাম, তা আজ যৌবনে এসে পদার্পণ করেছে। আমি আনন্দিত আজ লাখো বাঙালী বাস করেন এই নিউইয়র্কে। হাজারো বাংলা ভাষাভাষির পদচারণায় মুখরিত আজকের সম্মেলন। তিনি বলেন, প্রজন্ম আর হয়তো আমি যে ভূমি থেকে এসেছিলাম- সেখানে ফিরে যাবে না।
কারণ অভিবাস মানেই গ্রহণ, প্রত্যাবর্তন নয়। বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই আমাদেরকে
পরবাসে নিজেদেরকে সাহিত্যে-শিল্পে শক্তিশালী অবস্থান গড়ে তুলতে হবে।
প্রধান অতিথির ভাষণে বহির্বিশ্বে সর্বাধিক প্রচারিত  সাপ্তাহিক ঠিকানা\'র সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি,বিশিষ্ট সমাজসেবক-সাংবাদিক, সাবেক সংসদ সদস্য এম এম শাহীন বলেন, আমি নান্দনিক সৃজনশীলতায় বিশ্বাস করি। সাপ্তাহিক ঠিকানা একুশে ফেব্রুয়ারীর জাতক। আর সেই আলোকেই ঠিকানা, বাংলা ভাষা-সাহিত্য ও অভিবাসী
প্রজন্মকে আলোর দিশা দেখিয়ে যাচ্ছে গেল পঁচিশ বছর থেকে। তিনি বলেন, ঠিকানা
উত্তর আমেরিকায় লেখক সৃষ্টিতে প্রহরীর ভূমিকা পালন করেছে এবং করবে। তিনি বলেন, সাহিত্য জীবনের কথা বলে। আমি একজন রাজনীতিক। সাহিত্য-শিল্প, রাজনীতি
বিবর্জিত বিষয় নয়। তিনি ঘোষণা দিয়ে বলেন আগামীতে আরও বড় আকারে সম্মেলন অনুষ্ঠানে ঠিকানা সকল দায়িত্ব পালন করবে। এবারের সাহিত্য সম্মেলনের প্রধান আয়োজক গাঙচিল সাহিত্য আসর ও প্রবাসী ফাউন্ডেশন ইউএসএ কে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ঠিকানা সকল মহৎ আয়োজনের শরিক হতে চায়। প্রধান অতিথি
তার সারগর্ভ বক্তব্যে বলেন,আজকের এই সমাবেশের প্রত্যেকেই নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত। আর নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করেই আমরা আমাদের সমাজকে,
আমাদের প্রজন্মকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি।
এবারে সাহিত্য সম্মেলনে দশজন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে \'সম্মাননা পদক\'- প্রদান করা হয়। এবছর সাহিত্য সম্মাননা পদক পেয়েছেন, আশির দশকের শক্তিমান গল্পকার ও কবি তমিজ উদদীন লোদী। সংবাদ মাধ্যম হিসেবে পদক পেয়েছে সাপ্তাহিক ঠিকানা।
শিক্ষা প্রসারে পদক পেয়েছে - খান\'স টিউটোরিয়াল ও মামুন\'স টিউটোরিয়াল।
কন্ঠশিল্পী হিসেবে পদক পেয়েছেন বিশিষ্ট শিল্পী নীলুফার বানু লিলি ও প্রবাসী প্রতিশ্রুতিশীল শিল্পী ন্যান্সি খান। কম্যুনিটি একটিভিস্ট ক্যাটাগরিতে পদক পেয়েছেন-
মাজেদা আক্তার উদ্দীন। মূলধারায় বাংলা ভাষার প্রসারে পদক পেয়েছেন- শারমিন সুলতানা। আবাসন ও সমাজসেবায় পদক পেয়েছেন বিশিষ্ট রিয়েলটর জাকির খান।এবং
ব্যবসা-বানিজ্য প্রসারে পদক পেয়েছেন কাজী এ হোসেন।
পুরস্কার প্রাপ্তদের হাতে পদক তুলে দেন প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিবৃন্দ। পদকপ্রাপ্তদের পক্ষে খান\'স টিউটোরিয়ালের নাঈমা খান বলেন, শিক্ষাই প্রজন্মের মূল
হাতিয়ার। আমরা আমাদের প্রজন্মকে সুযোগ্য উত্তরাধিকারী হিসেবে গড়ে তুলবো এটাই
হোক সকলের প্রত্যায়।
  এর পরের পর্বে ছিল স্বরচিত কবিতা পাঠ ও কবিতা আবৃত্তি। বিদ্রোহী কবি কাজী
নজরুল ইসলামকে উৎসর্গকৃত কবিতা পাঠপর্বে অংশ নেন - তমিজ উদদীন লোদী,
শামস আল মমীন, সৈয়দ মামুনুর রশীদ, জুলি রহমান, মিজানুর রহমান প্রধান,
কাউসারী মালেক রোজী, মোখলেসুর রহমান, সুরীত বড়ুয়া, আহমেদ ছহুল, মুনিয়া মাহমুদ, সাকিনা ডেনি, শহীদুল সরকার, ছন্দা বিনতে সুলতান, কিবরিয়া চৌধুরী, স্বপ্ন কুমার, নিখিল কুমার রায়, স্বপন বসু, শামসুল হক খান, শরিফুল আলম, মোহাম্মদ আলী বাবুল, শাইখ পীরজাদা নূরুল হুদা, নূর ইসলাম বর্ষণ, পারভীন বানু, মাহবুবুর রহমান,প্রমুখ। অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেয়া জেরিন মাঈসা\'র বাংলা কবিতা
আবৃত্তি সকলের কাছে ব্যাপক নন্দিত হয়।
অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মাঝে উপস্থিত ছিলেন- সাপ্তাহিক বর্ণমালার সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা কমাণ্ডার আব্দুল মুকিত চৌধুরী, ডেইলি নিউ নেশনের যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি তাসের মাহমুদ, বিশিষ্ট কম্যুনিটি একটিভিস্ট নাসির আলী খান পল, ইমাম কাজী কায়্যুম, প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে সঙ্গীত পরিবেশন করেন, নীলুফার বানু লিলি, সুলতান মাহমুদ।
সঙ্গীত পরিচালনায় ছিলেন ওস্তাদ হারুনুর রশীদ।
সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন দিলরুবা আবেদীন। সঙ্গীত সমন্বয়কের দায়িত্বে ছিলেন ডঃ শাহনাজ আলম।
সম্মেলনের আহ্বায়ক নূরুল আবেদীন ও সদস্য সচিব খান শওকতের ধন্যবাদ জ্ঞাপনের
মাধ্যমে মধ্যরাতে শেষ হয় সম্মেলন।
                

 
 
 
 
যোগাযোগ করুন..
01712 247 900

dainiksylhet@gmail.com