Home Home Page Rank NTV ONLINE ETV ONLINE BANGLA  VISION ONLINE CHANEL I ONLINE EKATTOR TV ONLINE
২০-০৯-২০১৪ শনিবার

 দৈনিক সিলেট ডটকম সিলেট বিভাগের সর্বাধিক জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল-আমাদের সাথে থাকুন, নিজেকে আপডেট রাখুন...   

 
 
 
মোবাইল ভার্সনে যারা আছেন
Free Global Counter
 
এই জনপদ
 
 
 
 
 

ছাতক প্রতিনিধিঃ
ছাতকে শ্রী শ্রী জগন্নাথ মন্দির ভাংচুর করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে ইসলামপুর ইউনিয়নের রাসনগরে এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, দুপুরে অর্ধশতাধিক লোক জগন্নাথ মন্দিরে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর করে। রাসনগরের মিলন কুমার সিংহা জানিয়েছেন, সরকারদলীয় স্থানীয় নুর মিয়া মেম্বার ও সবুজ মিয়ার নেতৃত্বে লোকজন মন্দিরে হামলা চালিয়ে ভাংচুর, লুটপাট ও ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে। এ বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করা হলে তিনি তাৎক্ষনিক পুলিশী ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য নির্দেশ দেন। ইউপি চেয়ারম্যান এড. সুফি আলম সোহেল জানান, বনগাঁও গ্রামবাসী ও রাসনগর মন্দির কর্তৃপক্ষের মধ্যে ভূমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। মন্দিরে এ ধরনের হামলা কাম্য নয়। তিনি ঘটনার নিন্দা প্রকাশ করে জড়িতদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবী করেন। ওসি শাহজালাল মুন্সি জানান, মন্দিরে হামলা বা লুটপাটের কোন ঘটনা ঘটেনি। নির্মাণাধিন দেয়াল ভেঙ্গে পড়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
               

 
 
 
 
 
 
 

ছাতক প্রতিনিধিঃ 
ছাতকে মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে ডুবে এক পাথর শ্রমিকের মৃত্যু ঘটেছে। বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলার নোয়ারাই ইউনিয়নের বারকাহন গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত পাথর শ্রমিক শাহাব উদ্দিন (৩৮) দোয়ারাবাজার উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের খাইরগাঁও গ্রামের কিসমত মিয়ার পুত্র। জানা যায়, শাহাব উদ্দিন বারকাহন গ্রামে তার আত্মীয়র বাড়িতে থেকে পাথর শ্রমিকের কাজ করে আসছিল। বৃহস্পতিবার ভোরে গ্রামের একটি ডোবায় সে মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে তলিয়ে যায়। সকালে গ্রামের লোকজন ডোবায় তার লাশ দেখতে পেয়ে দাফন-কাফনের ব্যবস্থা করেন। ছাতক থানার ওসি শাহজালাল মুন্সি জানান, পাথর শ্রমিক শাহাব উদ্দিনের মৃত্যুর ব্যাপারে আমার কিছুই জানা নেই।
               

 
 
 
 
 
 
 

ছাতক প্রতিনিধিঃ 
হৈয়া-হো, হৈয়া-হো সুরে মরমী কবি শাহ আব্দুল করিমের জনপ্রিয় গান কোন মেস্তরি নাও বানাইল, কেমন দেখা যায়। ঝিলমিল-ঝিলমিল করে- রে, ময়ূর পংকি নায় এ গানের তালে-তালে ছাতকের সুরমা নদীতে প্রাচীন বাংলার ঐতিহ্য নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ছাতক উপজেলা পরিষদের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার দুপুরে এ নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। নৌকা বাইচ উপভোগ করতে সুরমার দু’কুল জুড়ে মানুষের ঢল নামে। হাজার-হাজার নারী-পুরুষ প্রতিযোগিতা উপভোগ করতে প্রচন্ড গরম উপেক্ষা করে নদীর পারে দাড়িয়ে থাকে। ৮টি নৌকা প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহন করে। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার পুটামারা পশ্চিমপাড়া, পুটামারা পূর্বপাড়া, তুড়ারপাড়া, বাঘজুরসহ ৮টি নৌকা প্রতিযোগীতায় অংশ নেয়। প্রতিযোগিতায় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বাঘজুর প্রথমস্থান ও তুড়ারপাড় দ্বিতীয়স্থান অধিকার করে। নৌকা বাইচ শেষে থানা সংলগ্ন নদীর তীরে আয়োজক কমিটির কোষাধ্যক্ষ হাজী কুটি মিয়ার সভাপতিত্বে ও জয়নাল আবেদীন মহির পরিচালনায় অনুষ্ঠিত পুরস্কার বিতরনী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, কমিটির সভাপতি, উপজেলা চেয়ারম্যান অলিউর রহমান চৌধুরী বকুল। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, অধ্যক্ষ মঈন উদ্দিন আহমদ, পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র তাপস চৌধুরী, ইউপি চেয়ারম্যান আলজাল আবেদীন আবুল, নজরুল হক, হাজী সুন্দর আলী, আলহাজ্ব সৈয়দ তিতুমীর, সৈয়দ আহমদ, উপজেলা ক্রীড়া সম্পাদক লাল মিয়া, হাজী কনু মিয়া, মকবুল আলী বার্নার, সাবেক পৌর কমিশনার আফতাব মিয়া, মুহিবুর রহমান সাধু, নওশাদ মিয়া, শাহীন চৌধুরী প্রমুখ।
               

 
 
 
 
 
 
 

সিলেট, ১৮ সেপ্টেম্বর:
ছাত্রদলকর্মী কামাল আহমদের হত্যার ঘটনায় কতোয়ালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহত কামালের স্ত্রী হ্যাপি বুধবার রাত পৌনে ১২টার দিকে এ মামলাটি দায়ের করেন।  মামলায় সিলেট সিটির সাবেক নারী কাউন্সিলর শাহানা বেগম শানু, তার স্বামী তাজুল ইসলাম ও ছেলে রায়হানসহ পরিবারের ৮ সদস্যকে আসামি করা হয়েছে।  অন্য আসামিরা হলেন, শানুর স্বামী তাজুলের ভাই নুরুল ইসলাম ও রফিকুল ইসলাম, ভাতিজা রিপন, গৃহ পরিচারিকা জ্যোস্না ও ইমরান আহমদ।
আসামিদের মধ্যে গৃহ পরিচারিকা জ্যোস্না ছাড়া বাকিরা পলাতক রয়েছেন। পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে বলে জানান এসআই মুবাশ্বির।
সোমবার রাত সাড়ে ৮টায় সিলেট নগরীর খুলিয়াপাড়া এলাকায় কামাল আহমদ (৩০) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। নিহত কামাল ওই এলাকার ২৬ নম্বর বাড়ির মৃত সুরুজ মিয়ার ছেলে। পাশাপাশি তিনি ছাত্রদলের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
খুনের ঘটনার পর সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর শাহানা বেগম শানু ও তাজুল দম্পতির বাসায় অভিযান চালিয়ে ৯টি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ।
এছাড়া খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তাজুল ইসলামের শ্যালক বেলাল আহমদ ও গৃহ পরিচারিকা জ্যোস্নাকে আটক করা হয়।
মঙ্গলবার রাতে হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে ১৬১ ধারায় তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। বুধবার দুপুর পর্যন্ত কোনো মামলা না হওয়ায় তাদের দু’জনকে ৫৪ ধারায় আদালতে চালান দেওয়া হয়।           

 
 
 
 
 
 
 

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি : 
সারাদেশে জামায়াতের ডাকা হরতালে পিকেটিং করার সময় হবিগঞ্জ পৌর জামায়াতের আমির কাজী মুহসিন আহমেদকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে শহরে মিছিল করার সময় তাকে আটক করা হয়।
হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, বৃহস্পতিবার সকালে শহরে মিছিল করার সময় কাজী মুহসিনকে অাটক করা হয়। এসময় অন্যন্যা মিছিলকারীরা পালিয়ে যায়।
           

 
 
 
 
 
 
 

বেলাল বদরুল:
গত ১৭ই সেপ্টেম্বর রোজ বুধবার দুপুর ১ ঘটিকার সময় স্যান্ডওয়েল আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক লোকমান চৌধুরীর বাসায় সিলেট মহানগর মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এবং সিলেট সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর শাহানারা বেগম কে স্যান্ডওয়েল আওয়ামীলীগ সংবর্ধনা প্রদান করে, উক্ত সংবর্ধনা সভায় উপস্থিত ছিলেন স্যান্ডওয়েল আওয়ামীলীগের সভাপতি মোহাম্মদ বিলাল বদরুল, সহ সভাপতি এনাম উদ্দিন জহুর, সাধারণ সম্পাদক কয়েস আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক লোকমান চৌধুরী, ওয়ালী খান, জিলাল উদ্দিন, খালেদ হোসেন কিং, সোহানুর রহমান কয়েস সহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ,
ব্যাক্তিগত সফরে গত মাসে তিনি ইউ কে আসেন, প্রধান অতিথির বক্তব্যে শাহানারা বেগম দেশে আওয়ামীলীগ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নের কথা তুলে ধরেন, শত ব্যাস্ততার মাঝেও উনাকে সংবর্ধনা দেওয়ার জন্য তিনি স্যান্ডওয়েল আওয়ামীলীগ কে ধন্যবাদ জানান,               

 
 
 
 
 
 
 

আব্দুল্লাহ আল মামুন । বয়স ১৩ বছর।  সাং খলাপাড়া, পো: সেলবরষ,ধর্মপাশা, সুনামগঞ্জ। পিতা মো : আল্লাদ মিয়া।
মামুন  নামের মাদরাসা পড়–য়া  এই ছেলেটি মোহনগঞ্জ উপজেলাধীন মাদরাসা দারুল কোরআনের হিফজ বিভাগের ছাত্র।
সে ইতিমধ্যে ১৮ পাড়া হিফজ সম্পন্ন করেছে। মাদরাসা থেকে ছুটি নিয়ে বাড়ীতে এসে ১১ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর গত ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৪ রোজ মঙ্গলবার সকালে ফজরের নামাজের জন্য মসজিদে যাওয়ার কথা বলে  নিজ বাড়ী থেকে বের হয়ে আর বাড়ীতে ফিরেনি। মসজিদে যাওয়ার সময় ঘরের মোবাইল সেটটি তার সাথে ছিল (যার নাম্বার হল ০১৭৫৪৫২৮০৬৩)। এসময় পড়নে পাঞ্জাবী,পা জামা, মাথায় ছিলো গোল টুপি। গায়ের রং শ্যামলা।
সম্ভাব্য সকল স্থান, আত্মীয় স্বজনের বাড়ীতে খোঁজ নিয়ে ও তাঁর সন্ধান পাওয়া যায়নি। এবিষয়টি  ধর্মপাশা থানা পুলিশকে অবগত করা হয়েছে। ছেলেটি সিলেট রিপোর্ট ডটকম সম্পাদক মুহাম্মদ রুহুল আমীন নগরীর আপন ভাগ্নে। যদি কোন সুহৃদ ব্যক্তি ছেলেটির সন্ধান পেয়ে থাকেন তাহলে নিন্মোক্ত নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা গেল । যোগাযোগ: ০১৭১৬৪৬৮৮০০,০১৭২৪৩৫৪০৩৩।
               

 
 
 
 
 
 
 

বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবী আ,ন,ম,শফিকুল হক বলেছেন, যুক্তরাজ্য একটি সভ্য দেশ এবং যুক্তরাজ্যের সাথে আমাদের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক দীর্ঘকালের। এই সভ্য ও বন্ধু রাষ্ট্র যুক্তরাজ্যের ডিটেনশন সেন্টারে একটি জলজ্যান্ত যুবকের মৃত্যু কখনো কাম্য হতে পারে না। আমরা এই মর্মান্তিক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবী করছি। একই সাথে নিহত তরুণ রুবেলের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ প্রদান ও পুনর্বাসিত করার দাবী জানাচ্ছি।
যুক্তরাজ্যের ডিটেনশন সেন্টারে সিলেটের প্রতিশ্র“তিশীল তরুণ রুবেল আহমদের রহস্যজনক মৃত্যুর প্রতিবাদে সিলেট কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে সচেতন নাগরিক সমাজ সিলেট-এর উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসুচী চলাকালে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সকাল ১১টায় এ মানববন্ধন কর্মসুচী অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধন চলাকালে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে সিলেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আলহাজ শেখ মো. মখন মিয়া চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট সমাজসেবী হাজী রইছ আলী, ডা: শাহনুর হোসাইন, পুলক ভট্টাচার্য, গোলাম আহমদ, হাজী সামছুদ্দিন, এ কে এম দুলাল, শাহীনুল ইসলাম শাহীন, সিলেট প্রগ্রেসিভ ফোরামের সভাপতি মো: রেহান উদ্দিন, সিলেট কল্যাণ সংস্থার সাবেক সাধারন সম্পাদক আজিজুর রহমান, স্বাধীন সামাজিক সংগঠনের সভাপতি রাশেদুজ্জামান, মানবাধিকার তথ্য ও গবেষনা সোসাইটির সহ সভাপতি জাঙ্গির আলম (রফিক), জহিরুল ইসলাম, হুমায়ুন রশিদ শাহীন, রোম্মান আহমদ, আলমগীর হোসেন, মাওলানা আজিজুর রহমান, মাওলানা খছরুজ্জামান, মাওলানা ছাদিকুর রহমান, জহির উদ্দিন, কামাল হোসেন, দিলোয়ার হোসাইন, মোহাম্মদ আলী, শাহিন আহমদ,  পরিবারের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন নিহত রুবেলের ছোট ভাই রুহেল আহমদ, আব্দুর রহিম (লিচু), মইনুর রেজা লাহিন, তুফায়েল আহমদ প্রমুখ। সভাপতিত্ব করেন সচেতন নগারিক সমাজ সিলেটের সভাপতি ফয়ছল আহমদ। উক্ত অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারন সম্পাদক এনামুল হক এনাম মেম্বার।  সভায় বক্তারা রুবেল আহমদের মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে বাংলাদেশ সরকারের হস্তক্ষেপের দাবী জানান।
               

 
 
 
 
 
 
 

সিলেট বিভাগের ৫ ও ৮ম শ্রেণী শিক্ষার্থীদের মধ্যে আগামী ২৪ অক্টোবর ২০১৪ শুক্রবার ইংরেজী ও গণিত বিষয়ে শামসুর রহমান স্মৃতি বৃত্তি পরীক্ষা জিন্দবাজারস্থ সিলেট সরকারী অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ সালের মধ্যে ৫ম শ্রেণী (১০০ টাকা)  ও ৮ম শ্রেণীর (১৫০ টাকা) নির্ধারিত ফি ‘জিবলু রহমান, পূবালী ব্যাংক লিঃ, স্টেডিয়াম শাখা, সিলেট, সেইভিং একাউন্ট নং-৩৪৮৬১০১৬৪১১৭’ একাউন্টে জমা দিয়ে ব্যাংকের রশিদ সহ ডাকযোগে আবেদনপত্র শামসুর রহমান ফাউন্ডেশর ঠিকানায় প্রেরণ করা যাবে।
বৃত্তি পরীক্ষায় প্রত্যেক শ্রেণিতে প্রথম গ্রেডে ১০ জন, দ্বিতীয় গ্রেডে ১০ জন এবং তৃতীয় গ্রেডে ১০ জনকে পুরস্কার ও প্রশংসাপত্র প্রদান করা হবে, যে সকল বিদ্যালয় থেকে কমপক্ষে ৫জন ছাত্র/ছাত্রী অংশগ্রহণ করবে তাদের কোটা ভিত্তিক ১টি এবং যে সকল বিদ্যালয় থেকে ১০ জন বা তার অধিক ছাত্র/ছাত্রী অংশ গ্রহণ করবে তাদের কোটা ভিত্তিক ২টি (বিশেষ গ্রেড) বৃত্তি প্রদান করা হবে। শুধু ৮ম শ্রেণীর ক্ষেত্রে প্রথম গ্রেডে ৭ জন, দ্বিতীয় গ্রেডে ৭ জন এবং তৃতীয় গ্রেডে ৭ জনকে পুরস্কার ও প্রশংসাপত্র প্রদান করা হবে।
যদি কোন বিদ্যালয়ে আবেদনপত্র না পৌছে থাকে তবে সাদা কাগজে নাম, পিতা-মাতার নাম, বিদ্যালয়ের নাম, জন্ম তারিখ, স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা, টেলিফোন-মোবাইল নম্বর, ইমেল নম্বর (যদি থাকে) সাদা কাগজে লিখে নির্ধারিত ফি দিয়ে শামসুর রহমান ফাউন্ডেশন, মেঘনা-বি/১৮, দাড়িয়া পাড়া, (ফোন-৭২৮০৯৭) সিলেট আবেদনপত্র জমা দেয়া যাবে। শুধুমাত্র জন্ম সনদপত্রও আবেদনপত্রের নিয়মের ভেতরে পড়বে। বিজ্ঞপ্তি।
               

 
 
 
 
 
 
 

বিশিষ্ট আইনজীবী এ্যডভোকেট আব্দুল আহাদ স্বর্ণালী সাহিত্য পর্ষদ, সিলেট-এর আইন উপদেষ্টা মনোনীত হওয়ায় পরিষদের উদ্যোগে এক সংবর্ধনা আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর বৃহষ্পতিবার বিকেল ৩টায় নগরীর সুরমা মর্কেটস্থ বৃহত্তর সিলেট গণদাবী পরিষদ কার্যালয়ে অনুষ্টিত হবে।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বৃহত্তর সিলেট গণদাবী পরিষদের সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য মহম্মদ আশরাফ আলী।
উক্ত অনুষ্টনে সংশ্লিষ্ট সকলকে যথা সময়ে উপস্থিত থাকার জন্য স্বর্ণালী সাহিত্য পর্ষদ, সিলেট-এর সভাপতি কবি নূরুদ্দীন রাসেল অনুরোধ জানিয়েছেন। - সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
               

 
 
 
জনমত জরিপ

তিস্তা অভিমুখে লংমার্চ করে বিএনপি কি রাজনৈতিক ভাবে লাভমান হয়েছে?

 
হ্যাঁ না
 
 

ফলাফল দেখুন

 
 

নিউজডেস্ক: জেলে যেতে পারেন বাংলাদেশের দ্বিতীয় ক্ষমতাধর নারী খালেদা জিয়া।
শুক্রবার বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এমন আশঙ্কার কথা জানিয়েছে বিশ্বের প্রভাবশালী বৃটিশ সাময়িকী ‘দ্য ইকোনমিস্ট’। প্রতিবেদনটি তাদের প্রিন্ট ভার্সনেও প্রকাশিত হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার একটি আবেদন খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তিনি নিজের মামলায় একজন বিচারক নিয়োগের বিরুদ্ধে আপিল করেছিলেন।
ইকোনমিস্ট জানায়, আদালতের রুলে এটি পরিষ্কার হয়ে গেছে যে, খালেদা জিয়াকে বিচারের সম্মুখীন হতেই হবে। আর এ মামলায় জেলে যেতে পারেন বাংলাদেশের দ্বিতীয় ক্ষমতাধর এ নারী।
প্রতিবেদনে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অনেক বিষয় উঠে এসেছে বিশেষ করে দেলাওয়ার হোসাসইন সাঈদীর রায়, বিচারপতিদের অভিশংসন আইনসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সকল ক্ষমতা এখন শেখ হাসিনার হাতে। বিরোধীদল রাজনীতি থেকে অবসর নিয়েছে। সবই এখন সরকারের খপ্পরে।
ইকোনমিস্ট আরো প্রকাশ করেছে, আদালতের এ আদেশ দেশের সবচেয়ে শক্তিশালী নারীর (শেখ হাসিনা) আধিপত্যকে আরো শক্তিশালী করেছে।
শেখ হাসিনা একটি অভিনব নির্বাচনে জেতার আট মাস পর এমনটা হলো। যে নির্বাচন খালেদা জিয়া নেতৃত্বাধীন বিএনপি বর্জন করেছিল।
শুরু থেকেই শেখ হাসিনা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে গৃহবন্দি করে রাখেন এবং তার নির্বাচনী জোটের অন্যতম শরিক জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করে রাখে। বিরোধীদল না থাকায় শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগের জন্য নির্বাচনে জেতা সহজ হয়ে যায়। সূত্র : দ্য ইকোনমিস্ট               

 
 
 
 

সংবাদদাতা : কানাইঘাট উপজেলা ও পৌর জাতীয়পার্টির নতুন আহবায়ক কমিটি গঠন করা নিয়ে কর্মীসভায় বক্তব্য দেয়াকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা, হাতাহাতি, চেয়ার ছুড়াছুড়ি ও ভাঙ্গচুরের ঘটনা ঘটেছে।
জানা যায়, শুক্রবার বিকেল ৩টায় কানাইঘাট ডাকবাংলো হলরুমে উপজেলা ও পৌর জাপার কমিটি গঠন উপলক্ষ্যে কর্মী সভার আয়োজন করা হয়। সভায় জেলা জাপার সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুশ শহীদ লস্কর বশির, সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম মন্টুসহ জেলা নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে এক পর্যায়ে বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে জাপার নেতাকর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি ও চরম বিশৃঙ্খলা শুরু হয়। এ সময় চেয়ার ছুড়াছুড়ি ও একে অন্যকে শায়েস্থা করার জন্য হাতাহাতিতে লিপ্ত হন। এতে বেশ কয়েকজন জাপা ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন।এক পর্যায়ে জেলা জাপার নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হলে পুনরায় কর্মীসভা শুরু হয়।

সভার সভাপতি জেলা জাপার সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম মন্টু তার বক্তব্যে বলেন, জাতীয়পার্টির অগ্রযাত্রা দেখে ষড়যন্ত্রকারীরা ঈর্ষান্বিত হয়ে পড়েছে। আওয়ামীলীগ, বিএনপি ও জামায়াত জাতীয়পার্টির শত্রু উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাপাকে শক্তিশালী করার জন্য সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে ঐক্যবদ্ধ ভাবে নেতাকর্মীদের কাজ করতে হবে। শীঘ্রই উপজেলা ও পৌর জাতীয়পার্টির আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হবে বলে তিনি জানান।

বিভিন্ন ইউনিয়নের জাপার নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে বলেন, কানাইঘাট জাতীয়পার্টিতে ত্যাগী নেতাকর্মীদের উপেক্ষা করা হচ্ছে। মৌসুমী নেতাদের দলে আবির্ভাবের কারণে পার্টিতে আজ এ বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়েছে। সিলেট-৫ আসনে জাপার এমপি সেলিম উদ্দিন নির্বাচিত হওয়ার পর হালুয়া-রুটির ভাগবাটোয়ারার আশায় পরিক্ষিত নেতারা আজ পার্টিতে উপেক্ষিত। ত্যাগী ও পরিক্ষিত নেতাদের সমন্বয়ে উপজেলা ও পৌর জাতীয়পার্টির কমিটি গঠনের জন্য জেলা নেতৃবৃন্দের প্রতি আহবান জানান তারা। জাপা নেতা বাবুল আহমদের পরিচালনায় কর্মীসভায় বক্তব্য রাখেন জেলা জাপার সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুশ শহীদ লস্কর বশির, জেলা জাপা নেতা এডভোকেট আব্দুর রহিম, শাহাব উদ্দিন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক পার্টির সভাপতি শিব্বির আহমদ, উপজেলা জাপা নেতা আলা উদ্দিন মামুন, হাজী আব্দুল মালিক, আব্দুল হান্নান লালপীর, শামীম আহমদ, নাজিম উদ্দিন, কামরুজ্জামান কাজল, মাহবুবুর রহমান, নজির উদ্দিন, মানিক উদ্দিন, গিয়াস উদ্দিনসহ অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।               

 
 
 

সংবাদদাতাঃ গোয়াইনঘাট উপজেলার উপরমহল গ্রাম থেকে শুক্রবার সকালে এক গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের নাম রংগন বিবি (৩৮)।, পূর্ব বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ দুজনকে আটক করেছে। স্থানীয় সূত্র জানায়,  বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ২টার দিকে ৪/৫ জনের দুর্বৃত্ত দল ওই গ্রামের ময়না মিয়ার ঘরের টিন খুলে ভেতরে প্রবেশ করে। কিছু বুঝে উঠার আগেই তারা তার(ময়না) স্ত্রীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ৪/৫ মিনিটের মধ্যে জবাই করে দরজা খুলে দ্রুত পালিয়ে যায়। ঘটনার আকস্মিকতায় ঘরের লোকজন হতবিহ্বল হয়ে পড়েন। তারা ঘুম থেকে উঠে দেখেন মহিলার রক্তাক্ত নিথরদেহ মাটিতে পড়ে আছে। খবর পেয়ে গতকাল শুক্রবার সকালে এস আই হাবিবের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী গতকাল শেষে লাশ থানায় নিয়ে আসে। বেলা ২টায় নিহতের লাশ ময়না তদন্তের জন্য ওসমানী হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয় বলে জানান ওসি। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একই গ্রামের জমির উদ্দিন ও হারুন আহমদকে আটক করা হয়েছে বলে ওসি আব্দুল হাই জানিয়েছেন।            

 
 
 

সিলেট ১৯ সেপ্টেম্বর: সিলেটে যুবলীগ নেতার ভাই মাদকসহ আটক হয়েছেন। মুক্তি দাবিতে সড়ক অবরোধ এবং ভাঙচুর করা হয়েছে।
সিলেট মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক আলম খান মুক্তির ভাই ইয়ামিন আরাফাত খানের মুক্তির দাবিতে নগরীর দর্শনদেউড়িতে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে যুবলীগ নেতাকর্মীরা। শুক্রবার রাত ১০টার দিকে তারা সড়কের উপর টায়ারে আগুন দিয়ে অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করে এবং তারা নগরীর আম্বরখানায় অন্তত ১০টি গাড়ি ভাঙচুর করে। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক আলম খান মুক্তি এসে নেতাকর্মীদের শান্ত করে অবরোধ প্রত্যাহার করান।
স্থানীয় সুত্রে জানাযায়, শুক্রবার বিকেলে সালুটিকর এলাকায় ৮ বোতল বিদেশী মদসহ আটক হন ইয়ামিন আরাফাত খান। এসময় তার সহযোগী উজ্জ্বল নামের আরেক যুবককে আটক করে পুলিশ।
ইয়ামিনকে আটকের খবর পেয়ে বিমানবন্দর থানায় ছুটে যান মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক আলম খান মুক্তিসহ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী। তারা ইয়ামিনকে ছাড়িয়ে আনার চেষ্টা করেন। কিন্তু পুলিশ তাদেরকে ছেড়ে দিতে অপরাগতা প্রকাশ করে।

ইয়ামিনকে ছাড়িয়ে আনতে না পেরে যুবলীগ নেতাকর্মীরা রাত ১০টার দিকে আম্বরখানায় এসে গাড়ি ভাঙচুর শুরু করেন। পরে যুবলীগ নেতাকর্মীরা দর্শনদেউড়ি এলাকায় গিয়ে সড়ক অবরোধ করেন। রাত সাড়ে ১০টার দিকে মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক আলম খান মুক্তি এসে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন- আগামীকাল সকাল ১০টার মধ্যে ইয়ামিনকে ছেড়ে দেয়ার আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ। তাই তিনি অবরোধ প্রত্যাহার করে নিতে নেতাকর্মীদের আহ্বান জানান।

 
 
 

দুবাই: আফ্রিকার দেশ ক্যামেরুনের একটি তরুণ ফুটবল দলের প্রায় সব সদস্যই ইসলাম গ্রহণ করেছেন। ইসলামে ‘শান্তি ও প্রশান্তি’ খুঁজে পেয়ে তারা ইসলাম গ্রহণ করেছেন বলে জানিয়েছেন।ক্যামেরুনের ২৩ সদস্য বিশিষ্ট ওই টিমটি দু’মাস ধরে  সংযুক্ত আরব আমিরাতে ফুটবল প্রশিক্ষণ নিচ্ছিল। দুবাইয়ের একটি ফুটবল একাডেমি দরিদ্র, গৃহহীন ও অনাথ তরুণদের ফুটলব প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। তারাই এসব তরুণ ফুটবলারদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছিল।দুবাইয়ের ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড চেরিট্যাবল অ্যাকটিভিটিজ বিভাগ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যেই তারা ইসলাম গ্রহণের ঘোষণা দেন।
সংস্থার সিনিয়র ধর্মীয় উপদেষ্টা জাভেদ খতিব বলেন, ‘এটা বিস্ময়কর ব্যাপার যে যখন এই বয়সে বেশিরভাগ লোকই খেলাধূলা আর আমোদফূর্তিতে মেতে থাকে তখন এসব তরুণরা ঈমান ও আলোর সন্ধান করছে।’

জানা গেছে, ইসলাম ধর্মে শান্তি এবং দুবাইয়ে অবস্থানকালে সেখানকার মুসলমানদের মহানুভবতাসহ নানা কারণে টিমের কোচ ও খেলোয়াড়রা ইসলাম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন।
খতিব বলেন, ‘মুসলমানদের আচরণে তারা দারুণভাবে মুগ্ধ হয়েছেন, বিশেষ করে তাদের প্রতি যে মহানুভবতা এবং সম্মান দেখানো হয়েছে। এসব তরুণরা অত্যন্ত দরিদ্র কিন্তু তাদেরকে ভাইয়ের মত গ্রহণ করা হয়েছে।’

খতিব জানান, দুদিনব্যাপী পৃথক দুটি অধিবেশনে ইসলাম সম্পর্কে তাদের সব প্রশ্ন এবং সন্দেহের জবাব দেয়া হয়েছে।
তিনি জানান, ইসলাম সম্পর্কে যেন তারা সম্যক অবিহত হতে পারেন সেটা নিশ্চিত করা হয়েছে। তাদের অনেকে হালাল ও হারাম, মদপান এবং  ঈসা আ. সম্পর্কে মুসলমানদের ধারণা সম্পর্কে জানতে চেয়েছিল।
খতিব জানান, সফররত  এসব খেলোয়াড়দের দুজন বাদে সবাই বৃহস্পতিবার ইসলাম গ্রহণ করেছেন। শনিবার তারা ক্যামেরুন ফিরে যাবেন।
বাকি দুজন জানিয়েছে, তারা আরো ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নেবেন।

সূত্র; দা ন্যাশনাল, ওয়ার্ল্ড বুলেটিন

 
 
 

ঢাকা: রাজধানীর শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চের পৃথক তিন গ্রুপ ও পুলিশের মধ্যে চতুর্মুখী সংঘর্ষে ইমরান এইচ সরকারসহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় পুলিশ এবং গণজাগরণ মঞ্চের তিনগ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়। এসময় পুরো এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ লাঠিচার্জ করে সবাইকে ছত্রভঙ করে দেয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রথমে ইমরান এইচ সরকারের সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। পরে গণজাগরণ মঞ্চের অপর অংশ কামাল পাশা গ্রুপের সঙ্গে ইমরান গ্রুপের সংঘর্ষ বাঁধে। এক পর্যায়ে তা মঞ্চের তিনগ্রুপ ও পুলিশের মধ্যে চতুর্মুখী সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষে ইমরান এইচ সরকার, ইমরানের সমর্থক তানজীদ, মামুন, শিমুল ও রাসেল এবং কামাল পাশা গ্রুপের রেজওয়ান আহত হন। তাদেরকে ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে পুলিশি তৎপরতায় পরিস্থিতি শান্ত হয়। তবে ইমরান ও কামাল পাশা গ্রুপের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এরই মধ্যে গণজাগরণ মঞ্চের অন্যতম সংগঠক ও ইমরানের সহকর্মী আরিফ জেবতিককে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে কামাল পাশা গ্রুপ। মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের সভাপতি মেহেদি হাসানকে পিটিয়ে আহত করায় তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়।

এর আগে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে তিন ভাগে বিভক্ত হয়ে সমাবেশ করে গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীরা।               

 
 
 

সিলেট, ১৯ সেপ্টেম্বর: ককটেল বিস্ফোরণ, সংঘর্ষের ও বিশৃংখলা সৃষ্টির অভিযোগে সিলেট জেলা ছাত্রদলের নয়া সিলেট জেলা ছাত্রদলের নয়া সভাপতি সাঈদ আহমদসহ সংগঠনের কমপক্ষে ১৮ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বিমানবন্দর থানা পুলিশ ৭ জন এবং কোতয়ালী থানা পুলিশ ১০/১২ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করেছে। নগরীর ইলেকট্রিক সাপ্লাই ও মিরবক্সটুলা এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। উভয় থানা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ইলেকট্রিক সাপ্লাই এলাকা থেকে আটককৃতরা হলেন- জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সাঈদ আহমদ, ছাত্রদল নেতা ফারুক আহমদ, সুহিন আহমদ চৌধুরী, জিয়াউর রহমান রুমেন, আহমেদ জাকি, মিজান আহমদ ও মাসুম আহমদ। বিমানবন্দর থানার ওসি ৬/৭ জনকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়া, মিরবক্সটুলা থেকে  আটককৃতরা হলেন- আলী আকবর রাজন, রাইসুল ইসলাম সনি, ফয়েজ, সাগর, রিপন, আফজাল ও আখতারসহ ১০/১২ জন। কোতয়ালী থানার সেকেন্ড অফিসার এস আই মুবাশ্বির বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, গ্রেফতারকৃতদের পরিচয় যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার সংগঠনের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক নাজমুল হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের ১৬ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়। জেলা কমিটিতে সভাপতি পদে সাঈদ আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক পদে রাহাত চৌধুরী মুন্না এবং মহানগর কমিটিতে সভাপতি পদে নূরুল আলম সিদ্দিকী খালেদ ও সাধারণ সম্পাদক পদে আবু সালেহ মোহাম্মদ লোকমানকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। নবগঠিত এই কমিটিতে ৮ জন করে সদস্য রাখা হয়েছে। নবনির্বাচিত কমিটিকে আগামী এক মাসের মধ্যে ৮১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা এবং সম্মেলনের মাধ্যমে অধীনস্থ সকল সাংগঠনিক কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া সম্পন্নেরও নির্দেশ দেয়া হয়েছে। নতুন কমিটি ঘোষণার পর এর পক্ষে-বিপক্ষে মিছিল সমাবেশ এবং নগরীর কয়েকটি স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

 
 
 

এ.জে লাভলু, বড়লেখা প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় অভিনব কায়দায় সংরক্ষিত বনাঞ্চলের সেগুন গাছ পাচার হচ্ছে। বনবিটের অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজসে জনৈক কুটু চান্দ (৬৫) বছরের পর বছর ধরে সরকারী সেগুন গাছ উজাড় করলেও বনবিভাগ নির্বাক ভুমিকা পালন  করছে। গাছ চুরির পর বনবিভাগকে দিয়ে এলাকার নিরীহ লোকজনকে মামলা মোকদ্দামায় জড়িয়ে হয়রানীরও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সুত্র জানায় কুটু চান্দের চুরি করা গাছ বিক্রির টাকার ভাগ পান স্থানীয় বনরক্ষী ও বিট কর্মকর্তা। তবে কুটু চান্দের দাবী বনবিভাগ গাছ রক্ষনাবেক্ষনের জন্য বিটের অভ্যন্তরে তাকে বসতি স্থাপন করে দিয়েছে। বনবিভাগের রক্ষক পরিচয় দিয়ে নিজেই লাখ লাখ টাকার সেগুন গাছ ভক্ষন করছে বলে এলাকায় বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। জানা গেছে, উপজেলার বড়লেখা বনবিটের উত্তর ডিমাই (ষাটমাপার বিট) সংরক্ষিত বন এলকার দু’শ একরে ১৯৯০ সালে মেহেগুনি , জাম, গর্জন, সেগুনসহ বিভিন্ন প্রজাতির বনজ বৃক্ষ সৃজন করা হয়। প্রায় পাঁচ বছর পুর্বে বিট এলাকার অভ্যন্তরে অবৈধভাবে ঘর তৈরী করে বসবাস শুরু করে কুটু চান্দ ওরফে কুটুমনা। সরেজমিনে গেলে এলাকার সরবত আলী , আব্দুল আলী , সেলিম আহমদ , আবুল সায়েদ প্রমুখ জানান কুটুচান্দ দীর্ঘদিন ধরে বিটের অভ্যন্তরে বসবাস করছে। দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা করে সে মূল্যবান সেগুন গাছ উজাড় করছে। কুটুচান্দ প্রথমে বাগানের প্রাপ্ত বয়স্ক সেগুন গাছের গুড়ার মাটি কেটে রাখে। কালবৈশাখী কিংবা সাধারন ঝড়ে গাছগুলো পড়ে গেলে রাতের আধাঁরে গায়েব করে দেয়। পরে গাছের গুড়া উপড়ে ফেলে টিলা কেটে কৃষি জমি তৈরী করে ধান চাষ করে। এতে মূল্যবান সেগুন গাছ পাচারের সাথে ভুমির শ্রেণীও পরিবর্তন হচ্ছে। এভাবে কয়েক বছরে সে অন্তত পাঁচ/ছয় লাখ টাকার সেগুন গাছ পাচার করেছে। এলাকাবাসী জানান কুটুচান্দ ওরফে কুটুমনা নিজেই গাছ চুরি করে বনবিভাগ দিয়ে মামলা করার ভায়ভীতি প্রদর্শন করায় তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলার সাহস পায় না। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসী জানান , স্থানীয় বন প্রহরী ও বিট কর্মকর্তা কুটুচান্দকে দিয়ে গাছ চুরি করাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে সে বনবিটের অভ্যন্তরে বসবাস করলেও বনবিভাগ আজও তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি। ইতিপূর্বে কুটুচান্দের উঠানে বেশ ক’টি বড়বড় সেগুন গাছ ছিল। এর অধিকাংশ গাছ সে চুরি করেছে। এ মাসের প্রথম সপ্তাহে একটি লোহা কাট গাছ চুরি করে। অভিযুক্ত কুটু চান্দ জানান, বন বিভাগ গাছ পাহারার জন্য তাকে বিটের অভ্যন্তরে বসিয়েছে। গাছের গুড়া কেটে কৃষি জমি তৈরীর সত্যতা স্বীকার করে বলেন ঝড় তুফানে সেগুন গাছ পড়ে গেলে তিনি তা চুরি করেননি। কে বা কাহারা চুরি করে তা জানেন না। গাছের গুড়ার মাটি কাটার বিষয়টি না দেখার অনুরোধ করেন। বনবিভাগের রেঞ্জ-২ (বড়লেখা) কর্মকর্তা বলরাম রায় অভিনব কায়দায় কুটুচান্দের সেগুন গাছ উজাড়ের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বনবিভাগ বিট এলাকায় তাকে বসায়নি এবং গাছপালা রক্ষনাবেক্ষনেরও দায়িত্ব দেয়নি। দীর্ঘদিন ধরে সে সরকারী ভুমি জবর দখল করে আছে। ইতিমধ্যে তার বিরুদ্ধে বন আইনে গাছ চুরির মামলা হয়েছে। সেগুন গাছের গুড়ার মাটি সরিয়ে চুরির বিষয়েও তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
           

 
 
 

সিলেট, ১৯ সেপ্টেম্বর:
সিলেট জেলা ছাত্রদলের নবমনোনীত সভাপতি সাঈদ আহমদকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে বিক্ষুব্ধ ছাত্রদল কর্মীরা। শুক্রবার বাদ জুমা নগরীর হাউজিং এস্টেটে বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য ডা: শাহরিয়ার হোসেন চৌধুরীর বাসায় তার সাথে দেখা করতে যান ছাত্রদল নেতা সাঈদ আহমদ। খবর পেয়ে ছাত্রদলের পদবঞ্চিত নেতারা ওই বাসায় তাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। জেলা ছাত্রদলের সদ্য প্রাক্তণ সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল হক চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিমানবন্দর থানার ওসি শাহজামান জানান, খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তারা বিক্ষুব্ধ ছাত্রদল  কর্মীদের ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দেন। এরপর সাঈদ বাসা ত্যাগ করেন বলে জানান তিনি।

তবে, আন্দোলনে অংশ নেয়া এম সি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি আহমদ চৌধুরী ফয়েজ জানান, ডা: শাহরিয়ার দলের একজন সিনিয়র নেতা। তার সম্মানার্থে তারা দুই ঘন্টার জন্য কর্মসূচি শিথিল করেন। এই সুযোগে পুলিশের ভ্যানে করে সাঈদ আত্নরক্ষা করেন।
জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাফেক মাহবুব, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল হক চৌধুরী, ছাত্রদল নেতা রেজাউল করিম নাচন, মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক শাকিল মোর্শেদ ও এম সি কলেজ ছাত্রদল সভাপতি আহমদ চৌধুরী ফয়েজ অবরোধ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন স্থানীয় একটি সূত্র জানিয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত শুক্রবা রাতে সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের নয়া কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়। জেলা কমিটিতে সভাপতি পদে সাঈদ আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক পদে রাহাত চৌধুরী মুন্না এবং মহানগর কমিটিতে সভাপতি পদে নূরুল আলম সিদ্দিকী খালেদ ও সাধারণ সম্পাদক পদে আবু সালেহ মোহাম্মদ লোকমানকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। সংগঠনের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক নাজমুল হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে কমিটি গঠনের বিষয়টি সংবাদ মাধ্যমকে জানানো হয়।
               

 
 
 

এডিনবরা, ১৯ সেপ্টেম্বর: ইংল্যান্ডের সঙ্গেই থাকছে স্কটল্যান্ড। শুক্রবার স্কটল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার অ্যালেঙ স্যামন্ড সরকারিভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করেছেন।
স্কটল্যান্ডে স্বাধীনতার প্রশ্নে গণভোটে বেশিরভাগ স্কটিশই ‘না’ ভোট দিয়েছেন অর্থাৎ ইংল্যান্ডের সঙ্গে থাকার পক্ষেই ভোট পড়েছে বেশি।
বৃহস্পতিবারের গণভোটে ৫৫ শতাংশ ‘না’ ভোট পড়েছে এবং ৪৫ শতাংশ ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে।           

 
 
 

সিলেট, ১৮ সেপ্টেম্বর:
সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের নয়া কমিটি ঘোষণা নিয়ে সিলেট ছাত্রদলের বিরোধ আরো প্রকট আকার ধারণ করলো। নয়া কমিটির  পক্ষে-বিপক্ষে বৃহস্পতিবার রাতে নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ হয়েছে। রাতে কমিটি ঘোষণার পর পরই কমিটিতে পদ বঞ্চিত নেতারা নগরীর চৌহাট্টাস্থ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে জড়ো হয়ে মিছিল বের করেন। মিছিলটি জিন্দাবাজার হয়ে কোর্ট পয়েন্টে এসে শেষ হয়। এ সময় বেশ কয়েকটি স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।
ককটেল  বিস্ফোরণের পর জিন্দাবাজার এবং বন্দর বাজার এলাকায় মানুষের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। ভয়ে অনেকেই দোকান পাট বন্ধ করে দিক-বিদিক ছোটাছুটি শুরু করেন। পথচারীদের মধ্যে দেখা দেয় আতংক। এ সময় কোর্ট পয়েন্টে পুলিশ উপস্থিত হয়ে বিশৃংখলা সৃষ্টি না করতে ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের প্রতি অনুরোধ জানালে তারা ওই এলাকা ত্যাগ করে।
এদিকে,সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের নতুন কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে বৃহস্পতিবার রাত ১০টায় নগরীতে একটি আনন্দ মিছিলও বের করা হয়। মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের আয়োজন করা হয়। মহানগর ছাত্রদলের সাবেক ভারপাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক সাহেদ আহমদ চমনের সভাপতিত্বে এবং সিলেটে মহানগর ৮নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মো: আফছর খান ও মহানগর ছাত্রদল নেতা বিধান স¤্রাট এর যৌথ পরিচালনায় এতে বেশ কিছু ছাত্রদল নেতা-কর্মী অংশ নেন।
ছাত্রদলের একটি সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার রাতেই কেন্দ্র থেকে সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের নয়া কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়। কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল কাদের ভুইয়া জুয়েল ও সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশিদ হাবিব কমিটির অনুমোদন দেন। জেলা কমিটিতে সভাপতি পদে সাঈদ আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক পদে রাহাত চৌধুরী মুন্না এবং মহানগর কমিটিতে সভাপতি পদে নূরুল আলম সিদ্দিকী খালেদ ও সাধারণ সম্পাদক পদে আবু সালেহ মোহাম্মদ লোকমানকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। সংগঠনের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক নাজমুল হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে কমিটি গঠনের বিষয়টি সংবাদ মাধ্যমকে জানানো হয়।
সভাপতি-সেক্রেটারী ছাড়া সিলেট জেলা ছাত্রদলের ঘোষিত কমিটিতে  ঠাঁই পাওয়া অন্য দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন- সিনিয়র সহ-সভাপতি আহমেদ চৌধুরী ফয়েজ, সহ-সভাপতি চৌধুরী মোহাম্মদ সুহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক এখলাছ মুন্না, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মকসুদ আহমেদ, মিজানুর রহমান নেসার, সহ-সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন পান্না। সভাপতি-সেক্রেটারী বাদে মহানগর কমিটিতে দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্য নেতারা হলেন-সিনিয়র সহ-সভাপতি মাহফুজ করিম জেহিন, সহ সভাপতি ফখরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুর রকিব চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুমেল শাহ, আজিজ হোসেন ও সহ-সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক স্বপন। নবনির্বাচিত কমিটিকে আগামী এক মাসের মধ্যে ৮১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা এবং সম্মেলনের মাধ্যমে অধীনস্থ সকল সাংগঠনিক কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া সম্পন্নেরও নির্দেশ দেয়া হয়েছে কেন্দ্র থেকে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ছাত্রদলের একাধিক সূত্র জানায়, ‘রাজপথের আন্দোলনে যাদের সম্পৃক্ততা ছিল না-তাদেরকে কমিটিতে স্থান দেয়া হয়েছে। নিয়মিত ছাত্রদের বাদ দিয়ে অছাত্রদের দিয়ে ঘোষণা করা হয়েছে কমিটি।’ এ কারণে ছাত্রদলের তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মধ্যে কমিটি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে বলে ওই সূত্র জানায়।               

 
 
 
 
 
কবিতা
শিল্প-সাহিত্
মিডিয়া
ইসলাম
Image Missing
 
 
বিনোদন
বিনোদন
বিচিত্রা
বিচিত্রা
মুক্তমঞ্চ
Image Missing
 
 
খেলাধুলা
খেলাধুলা
স্বাস্থ্য
স্বাস্থ্য
তথ্য-প্রযুক্তি
তথ্য-প্রযুক্তি
 
 
সংবাদদাতা
জীবন সদস্য
সম্পাদক
 
দেশ বিদেশ
 
 
 

নিউজডেস্ক: বিলুপ্তপ্রায় এলিফ্যান্ট বার্ড প্রজাতির দৈত্যাকৃতি পাখির বিশালাকায় একটি ডিম নিলামে ৫০ হাজার পাউন্ড চেয়েও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি এখন পর্যন্ত পাওয়া ‘বিশ্বের সর্ববৃহৎ ডিম’। দৈর্ঘ্যে ১ ফুট লম্বা এ ডিমটি আকৃতিতে এতটাই বড় যে এর অভ্যন্তরে ৭টি উটপাখির ডিম, ১০০টি মুরগির ডিম ও ১২ হাজারটি হামিংবার্ডের ডিমের সমান উপাদান রয়েছে।
ইংল্যান্ডের ওয়েস্ট সাসেক্সে ‘সামার প্লেস অকশন্স’য়ে নিলামের আয়োজন করবে। ওয়েস্ট সাসেক্সের বিলিংসহার্স্টে আয়োজিত এ নিলামে ডিমটি ৩০ হাজার থেকে ৫০ হাজার পাউন্ডে বিক্রি হবে বলে ধারণা।               

 
 
 
 
 
 

ডেস্ক : স্কটল্যান্ডবাসীকে স্বাধীনতার স্বাদ আস্বাদন করাতে পারলেন না ফার্স্ট মিনিস্টার আলেক্স স্যালমন্ড। তাই অভিমানে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। সেই সাথে নিজের দল স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টি (এসএনপি) থেকেও পদত্যাগ করবেন তিনি।
শুক্রবার তিনি বলেন, নেতা হিসেবে আমার সময় শেষ। কিন্তু স্কটল্যান্ডে স্বাধীন হওয়ার ক্যাম্পেইন চলতে থাকবে।
এডিনবার্গের নিজ বাসভবনে স্যালমন্ড সাংবাদিকদের বলেন, আমি ‘হ্যাঁ’ ক্যাম্পেইনের সঙ্গে থাকতে পেরে সত্যিই গর্বিত। কারণ একটি বিশাল জনগোষ্ঠী ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন।
শুক্রবার প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, স্কটল্যান্ড স্বাধীন হবে কিনা এই ইস্যুতে ‘না’ ভোট পড়েছে ৫৫.৪২ শতাংশ এবং ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৪৪.৫৮ শতাংশ।  সূত্র : সিএনএন               

 
 
 
 
 
 

সৈয়দ শাহ সেলিম আহমেদ- লন্ডন থেকে:
১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৪ আন্তর্জাতিক মাইগ্রেশন সংস্থা তাদের ওয়েব সাইটে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে আর তাতে লেখা রয়েছে মেডিটারিয়ান সীতে মাইগ্রেশন দালাল চক্র ইচ্ছেকৃতভাবে ৫০০ ইমিগ্র্যান্ট লোকের সাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপের দেশে যাওয়ার প্রাক্কালে সাগরেই নৌকা ডুবিয়ে তাদের হত্যা করেছে।

আইওএম এর এই হিসেবে তাদের রিপোর্টে বলা হয়েছে এ পর্যন্ত ইমিগ্র্যান্টদের ৩,০০০ হাজারের মতো মৃত্যু বরণ করেছেন, যা ২০১৩ সালের তুলনায় এই ফিগার চারগুণ বেশী।

রিপোর্ট প্রকাশের পর আইওএম এর ডিরেক্টর জেনারেল উইলিয়াম লুসি বলেছেন ইমিগ্র্যান্টদের মৃতের সংখ্যা শকিং এবং সম্পূর্ণ অ-গ্রহণযোগ্য। তার মতে এতে নারী শিশু যুবক সকল স্তরের লোক রয়েছেন যারা কেবলমাত্র একটি উন্নত জীবনের আশায় উন্নত দেশে পাড়ি জমানোর আশায় ঝুঁকি নিয়েছিলেন, যা তাদের ভাগ্যের নিয়তির পরিহাসের কাছে হার মানতে হলো।

রিপোর্টে জানা যায়, একটি নৌকা করে মিশর হয়ে ব্যাপক হারে সিরিয়ান, ফিলিস্তিনী, সুদানী, মিশরীয় ও আফ্রিকান নাগরিকেরা ইউরোপ পাড়ি দেয়ার উদ্দেশ্যে দালালদের মাধ্যমে যাত্রা করেন। এই সব লোকজন  সাগরের উত্থাল তরঙ্গ রাশির কাছে ভয় পয়ে একটি বড় নৌকা থেকে ছোট নৌকায় স্থানান্তরিত হয়ে পাড়ি জমাতে দালালদের কাছে অস্বীকৃতি জানালে বাধানুবাধ বেধে যায়।এরই এক পর্যায়ে দালালেরা ৫০০ ইমিগ্র্যান্ট লোক ভর্তি নৌকা তখন সাগরে ডুবিয়ে দেয়। সাতার না জানা, অত্যধিক স্রোত, ঢেউ, আর মধ্য সাগরের উত্থাল পানির সাথে সকলেই মিলিয়ে নিঃশেষ হয়ে যান, মাত্র ৯ জনের মতো লোক ভাগ্যক্রমে বেচে যান। সৌভাগ্যক্রমে বেচে প্যালেস্টাইনী নাগরিকদের কাছ থেকে আইওএম বিস্তারিত তথ্য প্রথমে জানতে পারে। প্যালেস্টাইনের ঐ বেচে যাওয়া নাগরিকেরা জানান, মাঝ পথে বড় নৌকা থেকে ছোট নৌকায় পাড়ি দেয়াকে কেন্দ্র দালালদের সাথে ইমিগ্র্যান্টদের কথা কাঠাকাঠি থেকে সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে দালালেরা ক্ষিপ্ত হয়ে ছোট নৌকার সাহায্যে বড় নৌকাকে ধাক্কাতে ধাক্কাতে নীচ একেবারে ফুটো করে ফেলে।তলানির ফুটো পানি উপচে পড়ে নৌকায় । এক সময় নৌকা সাগরে তলিয়ে যায় কিন্তু ঐ নিষ্ঠুর দালাল চক্রের মায়া মহব্বত বিন্দুমাত্র উদয় হয়নি। আইওএম ও কোস্ট গার্ডের সহায়তায় ডুবুরিরা ১১ মেইল নটিক্যাল পর্যন্ত অনুসন্ধান চালিয়ে কয়েকজনের লাশ উদ্ধার করেছে, এর মধ্যে ৩৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছে, তিনজন মহিলাও রয়েছেন তাতে, একজন মহিলা গর্ভবতী বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

রিপোর্টে জানা যায়, ৫০০ ডুবিয়ে মারার পর আরেকটি বুটে সাগর পাড়ি দেয়ার সময় ৩৮৬ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে ।

পশ্চিমা বিশ্ব বিভিন্ন গণ-মাধ্যমে বেশ ঘটা করেই প্রচার করে সমুদ্রে এবং বর্ডার এলাকায় নৌসার্ভিল্যান্স সহ কোস্ট গার্ড বাড়ানো হয়েছে। অথচ এক শ্রেণীর দালালেরা অসহায় মানুষদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে বিদেশে স্বপ্নের জীবনের লোভে ফেলে দিয়ে অত্যন্ত নিষ্ঠুর ও অমানবিক ভাবে ভয়াল উথাল সমুদ্র পাড়ি কোন রকম নিরাপত্তার ব্যবস্থা না করেই ঝুঁকি পূর্ণভাবে সাগর পাড়ি দেয়ায়। এরা এতো নিষ্ঠুর ও পৈশাচিক যে, আগে ভাগে ইমিগ্র্যান্টদের কাছ থেকে সব হিসেব প্যাঁই প্যাঁই করে নিয়ে নেয়। একজন লোক নিজের সব কিছু দালালের কাছে দিয়ে তখন অসহায়ের মতো দালাল নামক ভয়ানক মানুষ রূপী হায়েনাদের হাতের পুতুল হিসেবে হুকুম তামিল করে চলেন। এই দালাল চক্র কখনো সাগর পাড়ি, কখনো মুরগী, কুকুর, জন্তু-জানোয়ারের লড়ির ভিতরে একই খাঁচায় করে আমার কখনো গ্যাস, পানীয়-জাত লড়ির ট্যাংকার ভিতরে করে পাড়ি দেয়ার মতো জঘন্য অমানবিক পন্থা বেছে নেয় যার কিছু কিছু পত্রিকার পাতায় শিরোনাম হয় তখনি, যখন ধরা পড়ে।এরকম অনেক মানুষরূপী দালাল চক্র ও তাদের দেশীয় এজেন্ট আমার আপনার আশে পাশে রয়েছে, সাধারণ সহজ সরল জনগণকে সজাগ করার আপনার আমার সকলের নৈতিক দায়িত্ব।               

 
 
 
 
 
 

ঢাকা, ১৮ সেপ্টেম্বর :
গণজাগরণ মঞ্চকে ষড়যন্ত্রকারীদের অংশ হিসেবে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের ঢাকা মহানগরের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেছেন, আঁতাত শব্দটি আওয়ামী লীগের ডিকশনারিতে নেই। যারা আঁতাতের কথা বলে তারা ষড়যন্ত্রকারীদের একটি অংশ। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ আঁতাতের রাজনীতি করে না।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে মহানগর আওয়ামী লীগের হরতালবিরোধী অবস্থান নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
মায়া বলেন, আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সাঈদীর মৃত্যুদণ্ড থেকে কারাদণ্ডের রায় মেনে নিতে পারি না। দেশের মানুষ হতাশ হয়েছে। তবে যেহেতু এটি সর্বোচ্চ আদালতের রায়, তাই এ রায় আমরা মেনে নিচ্ছি।
তিনি বলেন, এই হরতাল জামায়াতের পিঠ বাঁচানোর হরতাল। একই সঙ্গে একে আনন্দের হরতাল বলেও অভিহিত করেন তিনি।
মায়া বলেন, ঢাকাসহ সারাদেশে কোথাও কোনো হরতাল হচ্ছে না। ভবিষ্যতে জামায়াত-শিবির আর মাথাচাড়া দিতে পারবে না। হরতালও করতে পারবে না।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট কামরুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম এ আজিজ, সহ-সভাপতি ফয়েজউদ্দিন মিয়া, মুকুল চৌধুরী প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, বুধবার আপিল বিভাগ জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে আমৃত্যু কারাদণ্ডের রায় দিলে গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকার ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। এতে তিনি বলেন, এই রায় গ্রহণযোগ্য নয়। জামায়াতের সঙ্গে আঁতাত করেই এই রায় দেয়া হয়েছে।       

 
 
 
 
 
 

ঢাকা: দেশে ফিরেই আদালতে আত্মসমর্পণ করে সহিংসতার এক মামলায় জামিন পেয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আলমগীর কবির রাজ তাকে জামিন দেন।
এর আগে বেলা ১১টার দিকে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে সিঙ্গাপুর থেকে ঢাকা আসেন মির্জা ফখরুল। সেখান থেকে সোজা আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন অবেদন করেন।
শুনানি শেষে বিচারক আলমগীর কবির তার জামিন মঞ্জুর করেন।
২০১২ সালের ডিসেম্বরে বিএনপি জোটের অবরোধে গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগে রাজধানীর কদমতলী থানায় দায়ের করা এই মামলায় গত রবিবার মির্জা ফখরুলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন মহানগর হাকিম ইউনুস খান।


আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর অসুস্থ মা ফাতেমা আমিনকে দেখতে ইউনাইটেড হাসপাতালে যান তিনি।

ফখরুলের আইনজীবী সানাউল্লা মিয়া বলেন, কদমতলী থানার ওই মামলার এজাহারে নাম না থাকলেও পারবর্তীতে অভিযোগপত্রে ফখরুলের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বিজ্ঞ বিচারক বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তার জামিন মঞ্জুর করেছেন।

               

 
 
 
 
 
 

ঢাকা, ১৮ সেপ্টেম্বর:
মানবতাবিরোধী অপরাধে গ্রেফতারকৃত জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামের রায় যেকোনো দিন।
বৃহস্পতিবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ মামলাটি সিএভি (অপেক্ষমান) রাখেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য সদস্যরা হলেন- বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি আনোয়ারুল হক।
আজ আজহারের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন তার আইনজীবী আব্দুস সোবহান তরফদার ও শিশির মো. মুনির। রাষ্ট্রপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর তুরিন আফরোজ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রসিকিউটর গোলম আরিফ টিপু, প্রসিকিউটর জিয়াদ আল মালুম।
এটিএম আজহারের বিরুদ্ধে গণহত্যা, হত্যা, লুণ্ঠন, ধর্ষণ, নির্যাতন, আটক, অপহরণ, গুরুতর জখম ও অগ্নিসংযোগের ৬টি অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটিতেও (উর্ধ্বতন নেতৃত্বের দায়) অভিযুক্ত হয়েছেন তিনি।
গত বছরের ২৫ জুলাই এটিএম আজহারের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। ১৮ জুলাই আনুষ্ঠানিক অভিযোগটি দাখিল করেন প্রসিকিউটর একেএম সাইফুল ইসলাম ও প্রসিকিউটর নুরজাহান বেগম মুক্তা। ৪টি ভলিউমে ৩শ’ পৃষ্ঠায় দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগে আজহারের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধকালে ৯ ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধের ৬টি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়।
এটিএম আজহারের বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়, ১৯৭১ সালের ২৪ মার্চ থেকে ২৭ মার্চের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, ভাষানী (ন্যাপ) নেতা ও বিশিস্ট আইনজীবী এ ওয়াই মাহফুজ আলীসহ ১১ জনকে অপহরণের পর নির্যাতন করা হয়। এরপর তাদের ৩ এপ্রিল রংপুর শহরের দখিগঞ্জ শশ্মানে নিয়ে ব্রাশফায়ার করে গণহত্যার সঙ্গে এ আসামি জড়িত ছিলেন।
দ্বিতীয় অভিযোগে বলা হয়, একাত্তরের ১৬ এপ্রিল রংপুরের বদরগঞ্জ থানার ধাপপাড়ায় ১৫ জন নিরীহ, নিরস্ত্র বাঙ্গালীকে গুলি করে গণহত্যার সঙ্গে এ আসামি জড়িত ছিলেন।
তৃতীয় অভিযোগে  হচ্ছে, এ আসামি একই বছরের ১৭ এপ্রিল রংপুরের বদরগঞ্জের ঝাড়ুয়ার বিল এলাকায় ১২শ’র বেশী নিরীহ লোককে ধরে নিয়ে গণহত্যা চালানোর সঙ্গে জড়িত।
চতুর্থ অভিযোগে বলা হয়, ১৭ এপ্রিল কারমাইকেল কলেজের চারজন অধ্যাপক ও একজন অধ্যাপক পত্মীকে ধরে দমদম ব্রীজের কাছে নিয়ে গুলি করে হত্যার সঙ্গে এ আসামি জড়িত।
পঞ্চম অভিযোগে বলা হয়, ২৫ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে রংপুর শহর ও বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মহিলাদের ধরে এনে টাউন হলে আটকে রেখে ধর্ষণসহ শারীরিক নির্যাতনের সঙ্গে এ আসামি জড়িত। একইসঙ্গে তাদের হত্যা ও গণহত্যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এ আসামি।
ষষ্ঠ অভিযোগে বলা হয়, একাত্তরের নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে রংপুর শহরের গুপ্তাপাড়ায় একজনকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়।
একই বছরের ১ ডিসেম্বর রংপুর শহরের বেতপট্টি হতে এজনকে অপহরণ করে রংপুর কলেজের মুসলিম ছাত্রাবাসে নিয়ে আটক রেখে নির্যাতন করে গুরুতর জখম করার সঙ্গে এ আসামি জড়িত ছিলেন।
মুক্তিযুদ্ধের সময় সংগঠিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর আদেশে ২০১২ সালের ২২ আগস্ট আজহারের ঢাকার মগবাজারের বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয় তাকে। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

 
 
 
 
 
 

সৈয়দ শাহ সেলিম আহমেদ:
হাটি হাটি পা পা করে, অনেক চড়াই উৎরাই পেরিয়ে ব্রিটেনের বাংলা টিভি ১৫ বছরে পদার্পণ করলো। এ উপলক্ষে গতকাল বাংলা টিভির কার্যালয়ে এক বর্ণাঢ্য ও ঝাঁক ঝমক ভাবে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উৎসব পালন করা হয়। এতে ব্রিটেনের বিভিন্ন মাধ্যমের মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, কবি, লেখক ও শুভানুধ্যায়ীদের সমাবেশ ঘটেছিলো।

সন্ধ্যায় শুরু হওয়া ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলা টিভিতে নানা আলোচনা, স্মৃতিচারণ আর গান, নাটক প্রচারিত হয়। বাংলা টিভির এমডি সামাদুল হক ও মিসেস হককে লন্ডনের অন্যান্য ইলেক্ট্রনিক মাধ্যমের কর্ণধার ও এমডি ফুলের তোড়া দিয়ে অভিনন্দিত করেন। বিলেতের একমাত্র রেডিও বেতার বাংলার এমডি নাজিম চৌধুরী তার রেডিওর সকল কর্মী, স্রোতা ও ডিরেক্টরদের নিয়ে বাংলা টিভি কর্তৃপক্ষকে শুভেচ্ছা জানাতে যান।

অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা ছাড়াও নানান রকমের খাবারের সমাহারও ছিলো। বাংলা টিভি কর্তৃপক্ষ সকলকে ডিনারে আপ্যায়িত করেন ।

উল্লেখ্য বাংলা টিভি বিলেতের প্রথম স্যাটেলাইট বাংলা চ্যানেল। শুরুতে এই চ্যানেল অনেক কাঠ খড় পোড়াতে হয়েছিলো। যখন অন এয়ারে এই চ্যানেল আসে, তখন সবে মাত্র স্কাই আর কেবলস নেট ওয়ার্ক ব্রিটেনে  বিজনেস শুরু করেছিলো। ঐ সময় ব্রিটেনে বাংলা ভাষায় একমাত্র সাপ্তাহিক পত্রিকাগুলোই  ছিলো প্রবাসীদের বাংলা খবর ও বিনোদনের একমাত্র অবলম্বন। এই অবস্থার অবসান ঘটাতে এয়ারে চলে আসে একমাত্র রেডিও বেতার বাংলা। তার পরেই প্রচলিত মিডিয়া মুঘলদের একচ্ছত্র ব্যবসার বিপরীতে অনেকটা ঝুঁকি নিয়ে বাংলা ভাষা ভাসীদের মনোরঞ্জনের জন্য নিজস্ব চ্যানেল বাংলা টিভির যাত্রা করে। তখন বাংলা টিভি  সাবস্ক্রিপশন সম্ভবতঃ ১০০ পাউন্ডের মতো ছিলো, তার উপর ছিলো মাসিক কিস্তি বা ফি।

ব্রিটেন ও ভারতীয় বিনোদন মাধ্যমের দাপটে তখন বাংলা টিভির পথ কণ্টকাকীর্ণ ছিলোনা। অনেক হুচট খেয়ে পড়তে হয়েছিলো পদে পদে। এর মধ্যে অনেকবার সম্প্রচার বন্ধ কিংবা বাতিলের পর্যায়ে চলে গিয়েছিলো। আবার মাঝে মধ্যে মালিকানা পরিবর্তন হয়ে নানা হাত বদলিয়ে বর্তমান এমডি সৈয়দ সামাদুল হক ও মিসেস হকের হাত ধরে সেই বিকলাঙ্গ শিশু এখন পরিপুষ্ট ও সুষ্ঠু এবং বাঙালিদের জন্য একটি পরিপূর্ণ বাংলা স্যাটেলাইট চ্যানেল হিসেবে সর্ব-মহলে সমাদৃত।

অবশ্য ব্রিটেনে এখন বাংলা টিভির পাশাপাশি চ্যানেল এস, চ্যানেল আই, এটিএন বাংলা, এনটিভি, ইক্করা বাংলা টিভির কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সব কটা চ্যানেলই ব্রিটেন প্রবাসীদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়। আর সম্প্রচারে না থাকা কিংবা বন্ধের সময় ধরলে চ্যানেল এস হলো ব্রিটেনের প্রথম সার্বক্ষণিক প্রচারের দিক থেকে প্রথম হওয়ার গৌরবের অধিকারী।

অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া চ্যানেল আইয়ের সংবাদ পাঠিকা সাজিয়া স্নিগ্ধা বলেন, অনুষ্ঠানে অনেক অতিথি এসেছিলেন। বেশ মজা হয়েছে। তিনি বলেন, বিলেতের মতো ব্যস্ত শহরে বাঙালিদের অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন উৎসব উপলক্ষে এক হওয়ার একটা সুযোগ সত্যি উপভোগ্য। বাংলা টিভি সহ চ্যানেল আই এবং অন্যান্য চ্যানেল এক্ষেত্রে ব্রিটেনের মাটিতে প্রবাসীদের সাথে দেশের জনগণের মেলবন্ধনের জন্য সেতু হিসেবে কাজ করছে।               

 
 
 
 
 
 

লন্ডন প্রতিনিধি:
অবিলম্বে আল্লামা সাঈদীর নিঃশর্ত মুক্তি দাবী করেছে যুক্তরাজ্য ভিত্তিক সুশীল সংগঠন সেভ বাংলাদেশ। আল্লামা সাঈদীর যাবজ্জীবন কারাদন্ডের রায়কে প্রত্যাখান করে সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ বলেন, আল্লাহর এই বান্দা সম্পূর্ণ নির্দোষ। একটি দিনও তাকে কারাগারে রাখা চরম জুলুম ছাড়া আর কিছুই নয়।অথচ মিথ্যা অভিযোগে তাকে দীর্ঘদিন কারাগারে বন্দী রাখা হয়েছে। অবশেষে সরকারের নির্দেশিত রায় পড়া হয়েছে তার বিরুদ্ধে। নেতৃবৃন্দ বলেন, জুলুম কখনো দীর্ঘস্থায়ী হয়না। আল্লাহ তা’লা জালিমদের কি পরিণত করেন তা সাদ্দাম আর গাদ্দাফীর পরিণতি দেখলেই বোঝা যাবে। ১৭ সেপ্টেম্বর বুধবার যুক্তরাজ্যস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে অনুষ্ঠিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা এই কথা বলেন। সেভ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বিক্ষোভ সমাবেশে সিটিজেন মুভমেন্টের সভাপতি ও যুক্তরাজ্য বিএনপি’র সাবেক আহ্বায়ক এম এ মালেক, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন হেফাজতে ইসলাম ইউরোপ এর আহ্বায়ক মুফতি সদরুদ্দিন, সেভ বাংলাদেশের কনভেনর ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ইউরোপ মুখপাত্র ব্যারিস্টার আবু বকর মোল্লা, কমিউনিটি নেতা মাওলানা আব্দুল মুনিম চৌধুরী প্রমুখ।
বক্তারা আরো বলেন, ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ সরকার রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলায় ব্যর্থ হয়ে দেশের বিরোধী দলীয় নেতৃবৃন্দকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করেছে।  কিন্তু দেশের জনগন তাদের এই দূরভিসন্ধি বাস্তবায়িত হতে দেবেনা। বক্তারা বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতার মোহে অন্ধ হয়ে দেশ থেকে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন নির্বাসনে পাঠিয়েছে। সরকারের নিকট দেশের সংবিধান ও জনগণের মতামতের কোন মূল্য নেই। তারা ক্ষমতার দাপটে ধরাকে সরাজ্ঞান করে গায়ে পড়ে বিরোধীদলগুলোর সাথে সংঘাত ও সংঘর্ষ বাঁধিয়ে দেশে অশান্তি সৃষ্টি করতে চায়।
বক্তার আরো বলেন, আল্লামা সাঈদীর কোন অপরাধ ছিল না এছাড়া যে, তিনি দুনিয়ার মানুষের কাছে বুলন্দ আওয়াজে কুরআনের কথাকে তুলে ধরেছেন। এই সেই ব্যাক্তি যার হাতে অসংখ্য মানুষ ইসলামের সুশীতল ছায়ায় আশ্রয় নিয়েছে। তিনি হচ্ছেন সেই ব্যক্তি যার তাফসীর শুনে পথ হারা মানুষেরা পথের দিশা পেছে। অসংখ্য খারাপ মানুষ ভালো হয়েছে। এসবই সাঈদীর অপরাধ। আর এজন্যই তাকে কারাগারে ষড়যন্তমূলকভাবে আটকে রাখা হচ্ছে। উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপানোর ঘটনার মতোই কথিত দেলু রাজাকারের সব অপকর্ম তার ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। আল্লামা সাইদীর বিরুদ্ধে একটি অপরাধও প্রমাণ করতে পারেনি সরকার। নেতৃবৃন্দ প্রশ্ন করেন, তাহলে কি কারণে তাকে যাবজ্জীন কারাদন্ড দেয়া হলো?
নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, বাংলাদেশে আওয়ামীলীগ সরকারের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের নামে প্রতিষ্ঠিত ট্রাইব্যুনাল আসলে ভিন্নমত দলনের একটি হাতিয়ার ছাড়া আর কিছুই নয়। জামায়াত নেতাদেরকে পরিকল্পিতভাবে খুন করাই তাদের উদ্দেশ্য। সরকার গোটা দেশকে একটি কারাগারে পরিণত করেছে। সাধারণ মানুষের কোন নিরাপত্তা নেই। সরকারীদলের লাগামহীন দূর্নীতির কারণে জনগনের জীবনযাত্রা দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে। একতদিকে বাজারে আগুন অপরদিকে বিদ্যুৎ, পানি আর গ্যাসের সংকটে তাদের নাভিশ্বাস অবস্থা। এমনকি জনগনের আজ প্রাণখুলে কথা বলারও কোন সুযোগ নেই। নেতৃবৃন্দ বলেন, এই সরকার একদিকে গণতন্ত্রের বুলি কপচায় অপরদিকে বিরোধীদলের নেতৃবৃন্দকে বিনা অপরাধে গ্রেফতার করে তাদের জামিন পর্যন্ত দিতে অস্বীকার করছে বশংবদ বিচারকদের ব্যবহার করে। জনসভায় বক্তারা বলেন, সরকার দেশ থেক ইসলাম ও ইসলামী মূল্যবোধ দূর করতে সকল ধরণের অপপ্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে।  তারা বলেন, সরকার মিথ্য মামলায় ইসলামী ব্যক্তিত্বদের বিচার করছে। তারা যুদ্ধাপরাধের বিচারকে পক্ষপাতিত্বমূলক এবং আওয়ামীলীগের দলীয় জিঘাংসা আখ্যা দিয়ে  বলেন, রাজনৈতিক বিরোধীদের দমনের জন্যই সরকার দেশের বৃহত্তম ইসলামী সংগঠন জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দকে যুদ্ধাপরাধী সাজিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করতে চায়।
বক্তারা ট্রাইব্যুনালকে কথিত আখ্যা দিয়ে বলেন, এটি বাতিল করতে হবে। ট্রাইব্যুনাল ইতোমধ্যেই বিতর্কিত হয়েছে এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা ট্রাইব্যুনালকে বাতিল করার আহ্বান জানিয়েছেন। কেননা এই ট্রাইব্যূনালের আর কোন বৈধতা নেই ।
নেতৃবৃন্দ বলেন, ছলে বলে কৌশলে দেশের ক্ষমতায় থেকে যাওয়ার জন্য আওয়ামীলীগ দেশে অত্যাচার নির্যাতন আর নিবর্তনের পথ অবলম্বন করেছে। দেশের আইন, শাসন আর বিচার বিভাগ আজ প্রশ্নের সম্মুখীন। বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের সম্মান ধূলায় লুণ্ঠিত। দেশের মানুষ আওয়ামী দুঃশাসনে এক দূর্বিসহ জীবন যাপন করছে। সাধারণ মানুষ দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি, বিদ্যুত পানি আর গ্যাসের সংকটে দিনাতিপাত করছে। দেশে আইনের শাসন নেই।  মাত্রাতিরিক্ত দলীয়করণে দেশের মানুষ আজ সুশাসনবঞ্চিত। একদলীয় শাসনের অবয়বে চলছে দেশ। বিরোধী দল, বিরুদ্ধমত শুধু দলনের শিকারই হচ্ছে না ক্ষমতাসীনদের নির্মূল অভিযানের এক অব্যর্থ নিশানার শিকার হচ্ছে দেশের মানবতা।
নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে বিতর্কিত ট্রাইব্যুনাল ভেঙ্গে দিয়ে মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীসহ সকল ইসলামী ব্যক্তিতের মুক্তির দাবী জানান।               

 
 
 
 
 
 

ঢাকা: আপিল বিভাগ কর্তৃক মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে দেয়া আমৃত্যু কারাদণ্ডের রায় মেনে নিয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট। একই সঙ্গে রায়ে যারা আঁতাতের অভিযোগ তুলছে তাদের জ্ঞানপাপী বলেও আখ্যা দিলেছে যুদ্ধাপরাধীদের দাবিতে সোচ্চার থাকা এই জোট।

বুধবার দুপুরে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় ১৪ দলের এক সভা শেষে এমন প্রতিক্রিয়া জানান জোটের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম।

মোহাম্মদ নাসিম বলেন, “১৪ আশা করেছিল দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হবে। তবে সর্বোচ্চ আদালত যে রায় দিয়েছে তার প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা আছে।”

‘জনশ্রুতি আছে এই রায় আঁতাতের, আপনারা কিভাবে নিচ্ছেন, আদৌ কি এটা আঁতাতের রায়? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন। ক্ষোভের সঙ্গে তিনি বলেন, “আঁতাতের কথা যারা বলে তাদের জ্ঞানপাপী। তারা না বুঝে এসব কথা বলে।”

বিরোধীদের সমালোচনা করে নাসিম আরো বলেন, “তারা অনেক সময় অনেক কথা বলে। এটা অহেতুক ও অযৌক্তিকভাবে বলে। আদালত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ। তাদের (আদালত) ওপর হস্তক্ষেপ করা শোভন নয়। অনেক বাধা সত্ত্বেও বিচার চালিয়ে যাচ্ছি। ১৪ দল সমস্ত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবে।”

জামায়াতের হরতাল নিয়ে তিনি বলেন, “হরতালে মানুষের সমর্থন নেই। এটা মানুষ রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করবে। আইনও তার গতিতে চলবে।”

ষোড়শ সংশোধনীর বিষয়ে ১৪ দলেল মুখপাত্র বলেন, “দেশের স্বাধীনতার পর ৭২ এর সংবিধান সবচেয়ে বড় অর্জন। সেই ৭২ এর সংবিধান ক্ষত বিক্ষত করা হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য ৭২ এর সংবিধানে ফিরে যাওয়া। তারই অংশ হিসেবে আজ (১৭ সেপ্টেম্বর বুধবার) সংসদে বিচারপতিদের অভিসংসনের ক্ষমতা সংসদে দেওয়ার জন্য সংবিধান সংশোধনী বিল আকারে সংসদে উঠবে, আশা করছি এটি পাশও হবে। এ ধরণের উদ্যোগের জন্য শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।”

এসময় ১৪ দলের এ শীর্ষ নেতা বলেন, “ফিলিস্তিনে আহত ১০ জন মেডিকেল ছাত্রকে বাংলাদেশে চিকিৎসার জন্য নিয়ে এসেছি। আমরা তাদের সহায়তায় একটি প্রতিনিধি দল পাঠানোর কথা ছিল, আমরা যথাযথ প্রদক্ষেপ নিয়েছি।”

১৪ দলের পক্ষ থেকে দর্গাপূজা ও ঈদ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীকেও ‘শান্তিবৃক্ষ’ পাওয়ায় অভিনন্দন জানিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ অটিজমের উপর পুরস্কার পাওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানিয়েছে।

সকাল সাড়ে ১১ টায় শুরু হওয়া ওই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন মোহাম্মদ নাসিম। এতে উপস্থিতি ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, ডা. দীপু মনি, জাহাঙ্গীর কবির নানক, ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা এমপি, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক নূরুর রহমান সেলিম, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সাধারণ সম্পাদক শরিফ নূরুল আম্বিয়া, কার্যকরী সভাপতি মঈনুদ্দিন খান বাদল এমপি, তরিকতের মহাসচিব লায়ন এম এ আউয়াল, আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী প্রমুখ।
               

 
 
 
 
 
 

নিউজডেস্ক: যুদ্ধাপরাধ মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ কামারুজ্জামানের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে করা আপিলের যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে। বুধবার দুপুরে সুপ্রিম কোর্টের আপলি বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বে ৪ সদস্যের বেঞ্চ উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক গ্রহণ শেষে রায়টি অপেক্ষমান রেখেছেন। যুক্তিতর্ক শেষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, রায়টি আদালত অপেক্ষমান রেখেছেন, অর্থাৎ যে কোনো দিন রায় ঘোষণা করা হবে। কামারুজ্জামানের পক্ষে সমাপনী যুক্তি উপস্থাপন করেন এডভোকেট মোঃ নজরুল ইসলাম।               

 
 
 
 
যোগাযোগ করুন..
01712 247 900

dainiksylhet@gmail.com