Home Home Page Rank NTV ONLINE ETV ONLINE BANGLA  VISION ONLINE CHANEL I ONLINE EKATTOR TV ONLINE
২৯-০১-২০১৫ বৃহস্পতিবার

 দৈনিক সিলেট ডটকম সিলেট বিভাগের সর্বাধিক জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল-আমাদের সাথে থাকুন, নিজেকে আপডেট রাখুন...

 
 
এই জনপদ
 
 
 
 
 

সিলেট, ২৮ জানুয়ারি: কানাইঘাটের ঐতিহ্যবাহী গাছবাড়ি মর্ডাণ একাডেমির ৮১ বছরপূর্তি ও বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। ৮১ বছরপূর্তি উপলক্ষে একাডেমিতে বুধবার দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কানাইঘাট থানা নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া বলেন- শুধু শিক্ষিত হলে চলবে না, শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে কর্মক্ষেত্রে নিজেদেরকে মেলে ধরতে হয়। শিক্ষিত বেকার না হয়ে নিজেদের উদ্যোগেই কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। শিক্ষার যোগ্যতা কাজে লাগিয়ে নিজের ও  দেশ এবং জাতির জন্য সকলকে কাজ করতে হবে।

স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ছালিক আহমদের সভাপতিত্বে ও সহকারী শিক্ষক হানিফ আহমদ, প্রাক্তন ছাত্র আহমদ সালেহ বিন মালিক এবং প্রাক্তন ছাত্র কামাল উদ্দিনের যৌথ সঞ্চালনায় দ্বিতীয়পর্ব পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোলাপগঞ্জ উপজেলার সাবেক প্রকল্প কর্মকর্তা আলতাফুল হক চৌধুরী।

বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র, বশির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মখলিছ-উর-রহমানের স্বাগত বক্তব্যে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন ৮নং ঝিঙ্গাবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান রফিক আহমদ চৌধুরী, এডভোকেট আব্দুস সাত্তার, গাছবাড়ি মর্ডাণ একাডেমির প্রধান শিক্ষক মোঃ মিফতাহুল বর চৌধুরী, শিক্ষানুরাগী এখলাছুর রহমান, গাছবাড়ি সমাজ কল্যাণ সমিতির সভাপতি মাস্টার মাহমুদ হোসেন। বক্তব্য রাখেন শাহ্ নেওয়াজ খছরু, সাব্বির আহমদ, হাফিজুর রহমান, আব্দুর রহিম, এডভোকেট সরফ, এমদাদুর রহমান, মাস্টার ফয়েজ উদ্দিন, তাওহীদুল ইসলাম, হামজা হেলাল, হারুন রশিদ, খালেদ আহমদ সুমন, ডালিম আহমদ প্রমুখ।

 
 
 
 
 
 
 

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্টপুত্র আরাফাত রহমান কোকোর রুহের মাগফেরাত কামনা করে সিলেট জেলা ও মহানগর জিয়া পরিষদের উদ্যোগে খতমে কোরআন, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। বুধবার বাদ মাগরিব বন্দর বাজার কালেক্টার মসজিদ প্রাঙ্গনে এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর আত্মার শান্তি ও বেগম খালেদা জিয়া , তারেক রহমানের সুস্থতা এবং দেশের শান্তি কামনা করে মোনাজাত করেন কালেক্টার মসজিদের ইমাম মাওলানা শাহ আলম ।

এসময় জিয়া পরিষদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক প্রকৌশলী আশফাক আহমদ, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সভাপতি আলহাজ মাওলানা এম এ রকিব এডভোকেট , মুক্তিযুদ্ধা দলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মালেক খান, জিয়া পরিষদ সিলেট মহানগর শাখার সভাপতি অধ্যাপক ড. মোজাম্মেল হক, সাধারন সম্পাদক ডাঃ আরিফ আহমেদ মোমতাজ রিফা , সিনিয়র সহ-সভাপতি নিজাম উদ্দিন , সহ-সভাপতি সৈয়দ রেজাউল করিম আলো ,হেলাল আহমদ, মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী আব্দুল জলিল খান , মোঃ ছালিক আহমদ চৌধুরী, রায়হান আহমেদ,সাহেদ আহমদ, ফরিদ উদ্দিন , ডাঃ জালাল আহমদ, আব্দুল আজিজ লাকী, নাহিদ চৌধুরী, মাছুম আহমদ চৌধুরী,আজাদ আহমদ, সমছু উদ্দিন, হৃদয় হাসান রাজ, খালেদ আহমেদ , আল আমিন, আমিরুল ইসলাম প্রমুখ ।

 
 
 
 
 
 
 

সিলেট মহানগর আওয়ামীলীগের ২৭নং ওয়ার্ড শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত হয়েছে। সিলেট মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান ও সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ স্বাক্ষরিত পত্রে মাধ্যমে এ কমিটি অনুমোদন লাভ করে।
২৭নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ নিজাম উদ্দিন ইরান, সহ-সভাপতি মোঃ মুজিবুর রহমান খান, আব্দুল জলিল ময়না, মুহিবুর রহমান শাহজাহান, এডভোকেট বিপ্লব কান্তি দে মাধব, আব্দুল মান্নান, সাধারণ সম্পাদক মোঃ ছয়েফ খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জুয়েল আহমদ, বিলাল আহমদ, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট প্রতাব চন্দ্র নাথ, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল আহাদ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আবুল খান, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক লক্ষণ কর, দপ্তর সম্পাদক রাসেল আহমদ, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আমিনুর রহমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মস্তাক খান, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক জন্টু ঘোষ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মাহতাব উদ্দিন জয়েন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক নমিতা কর, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ গুলজার খান, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সামাদ, শিক্ষা ও মানব বিষয়ক সম্পাদক লিটন ভট্টাচার্য্য, শ্রম সম্পাদক মোঃ আলমগীর, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মইনুল হোসেন, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ সুভাষ বৈধ্য, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম উজ্জল, আপ্তাব মিয়া, সহ-দপ্তর সম্পাদক আব্দুল জলিল, সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পংকজ কর মিটু, কোষাধ্যক্ষ শামীম আহমদ, সদস্য- কবির উদ্দিন আহমদ, মোঃ আজম খান, রিয়াজ উদ্দিন, আছমা বেগম, আমিরুল ইসলাম দুলাল (প্রিন্সিপাল), ছালিক খান, মতিন চৌধুরী, রফিকুল ইসলাম, সামছুল ইসলাম, আব্দুল মুক্তাদির, কয়েছ খান, বিনেশ কর দুলু, মোছাদ্দেক হোসেন পাপ্পু, মাসুমুল হক, কাশেম খান, কিনু মিয়া, ইকবাল খান, জহির উদ্দিন কুনু, সহির উদ্দিন, ফয়ছল আহমদ, নোমান আহমদ, মগনি, নজির আহমদ, রুনু মিয়া, আব্দুল আজিজ হাবান, আব্দুস সালাম, কবিন্দ্র বিশ্বাস, শ্রীধান পাল, শাহজাহান খান, শায়েদ আলী ময়না, গিয়াস মিয়া, প্রভাষক সত্যরঞ্জন দেব, শামীম আহমদ, শাবাজ মিয়া, এনাম আহমদ, মানিক রায়, রাখাল বাবু, জয়নাল আহমদ জানু, দুলাল মিয়া, আহমেদ আফজাল পাবেল, মঈন উদ্দিন, আব্দুল বাছিত, মাহমদ আলী, শাহাব উদ্দিন, মোঃ জামাল উদ্দিন।
উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্যরা হচ্ছেন- আব্দুল মজিদ খান, শৈলেন কর, সিরাজ মিয়া, মানিক মিয়া, প্রদিপ কুমার দে মনা, মানিক মিয়া, কৃষ্ণ ঘোষ, আব্দুর রহমান, মানিক লাল ধর, নিতি ভুষণ দত্ত, অনিল চন্দ্র কুটু, ইউনুছ বকস, মনু মিয়া, আব্দুস সত্তার, ছাদ মিয়া, ফজলুল হক, ফারুক মিয়া, গিয়াস মিয়া। বিজ্ঞপ্তি
               

 
 
 
 
 
 
 

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বিএনপি চেয়ারপার্সন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র ক্রীড়া সংগঠক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আরাফাত রহমান কোকোর অকাল মৃত্যুতে দক্ষিণ সুরমা উপজেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল সহ অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে এক শোক সভা বুধবার উপজেলা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
দক্ষিণ সুরমা উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী শাহাব উদ্দিন এর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমদ এর পরিচালনায় শোক সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বজলুর রহমান ফয়েজ, বিএনপি নেতা আব্দুল হান্নান, হাজী আছাদ উদ্দিন, শাহ মাহমদ আলী, আব্দুল লতিফ খান, আব্দুল মুমিন ছৈল। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- আব্দুর রহিম, সামসুল ইসলাম, আশরাফ বাহার, ময়নুল ইসলাম মঞ্জু, আব্দুল মুক্তাদির খান, মোঃ খলিল আহমদ, আলী আহমদ, ইসলাম উদ্দিন, ফয়জুল রাহমান বেলাল, নজরুল ইসলাম, মঈন উদ্দিন, বাবর আহমদ, লয়লু মিয়া, মতছির আলী, জয়নুল আহমদ প্রমুখ।
শোক সভায় বক্তরা বলেছেন, আরাফাত রহমান কোকো একজন ভালোমানের ক্রীড়া সংগঠক ছিলেন। তার নেতৃত্বে ক্রীড়া ক্ষেত্রে গতির সঞ্চার হয়েছিল। তাকে হারিয়ে দেশবাসী একজন নিবেদিত প্রাণ ক্রীড়া ব্যক্তিত্বকে হারালো। তার মৃত্যুতে যে শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে তা সহজেই পূরণ হওয়ার নয়। বক্তারা কোকোর বিদেহী আত্মার মাগফেরা কামান করে শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। বিজ্ঞপ্তি
               

 
 
 
 
 
 
 

ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন (ইমজা)’র ২০১৫ সালের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন সিলেট জেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দ।
বুধবার এক যৌথ অভিনন্দন বার্তায় নবনির্বাচিত ইমজা সভাপতি ময়নুল হক বুলবুল, সাধারণ সম্পাদক শাহাব উদ্দিন শিহাব ও কোষাধ্যক্ষ শ্যামানন্দ শ্যামলসহ নির্বাচিত ১১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির সবাইকে অভিনন্দন জানিয়ে বিএনপি নেতৃবৃন্দ বলেন, সিলেটে দীর্ঘ দিনের লালিত সাংবাদিকতার ঐতিহ্য রক্ষা ও বস্তুনিষ্ট সংবাদ প্রচারে নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ অগ্রনী ভুমিকা পালন করবেন বলে আমাদের প্রত্যাশা।
               

 
 
 
 
 
 
 

মুহাম্মদ আব্দুল বাছির সরদার, দিরাই উপজেলা সংবাদদাতা : ভাতিজি ধর্ষণের ঘটনায় আটক হলেন ধর্ষক সালেহ আহমদ (৪০), সে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের কালিনগর গ্রামের মৃত মনফর উল্লার ছেলে। দিরাই থানা সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ ডিসেম্বর দুপুর ২টার দিকে আড়াই বছরের ভাতিজি শিশুকে একা পেয়ে তার নিজ ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে। তার চিৎকার শুনে বাড়ির লোকজন গিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করলেও ধর্ষক পালিয়ে যায়। এ ব্যাপারে ২১ ডিসেম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯-এর-১ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়, মামলা নং-৫। সূত্র জানায়, দিরাই থানার সার্কেল এফএম ফয়সালের নেতৃত্বে গত মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে জামালগঞ্জ উপজেলার একটি গ্রাম থেকে গ্রামবাসির সহযোগিতায় তাকে আটক করা হয়। দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ বায়েছ আলম বলেন, দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর মোবাইল ট্রাকিংয়ের মাধ্যমে জামালগঞ্জের একটি গ্রাম থেকে মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে সালেহ আহমদকে গ্রেফতার করে সুনামগঞ্জ জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।
               

 
 
 
 
 
 
 

সুনামগঞ্জ, ২৮ জানুয়ারি :
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর সীমান্তে ৩লক্ষ ৬০হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় মদ জব্দ করেছে বিজিবি। কিন্তু চোরাচালানীদের আটক করতে পারেনি। বিজিবি জানায়,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার ভোরারাতে উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের লাউড়েরগড় সীমান্তের ১২০৫নং পিলার সংলগ্ন মোকশেদপুর এলাকা দিয়ে ভারত থেকে স্থানীয় চোরাচালানীরা বিপুল পরিমান অফিসার চয়েজ মদ পাচাঁর করা সময় অভিযান চালিয়ে ২৪০বোতল আটক করা হয়। এসময় চোরাচালানীরা পালিয়ে যায়। সুনামগঞ্জ ৮ ব্যাটালিয়নের বিজিবি অধিনায়ক গোলাম মহিউদ্দিন এঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
                              

 
 
 
 
 
 
 

প্রবীণ শিক্ষাবিদ কবি কালাম আজাদ বলেছেন, কবি আফজাল চৌধুরী একজন ধ্রুপদী ধারার কবি ছিলেন। কাব্যিক ভাষার আঙ্গিকগত দিক থেকে তিনি অনন্য ছিলেন। তাঁর পরিচিতি মূলত একজন বিশ্বাসী কবি হিসেবে । ‘হে পৃথিবী নিরাময় হও’ কাব্য নাটকটি ছিলো কবির অনবদ্য সৃষ্টি। তিনি সিলেটের কবি হয়ে পুরো পৃথিবীর নিরাময় কামনা করতেন। আমাদের সকলের উচিত এ কবির কথামালাকে মানুষের ঠোঁটে পৌছে দেয়া।
কবি আফজাল চৌধুরী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত কবি আফজাল চৌধুরী’র মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে কবির কাব্যনাটক ‘হে পৃথিবী নিরাময় হও’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
মঙ্গলবার নগরীর শিবগঞ্জস্থ ইন্টারন্যাশনাল ল্যাংগুয়েজ একাডেমী (আইএলএ)-এর হলরুমে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
বিশিষ্ট লেখক ও ইসলামী চিন্তাবিদ মাওলানা শাহ নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও প্রভাষক কবি নাজমুল আনসারীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট লেখক, চিত্রশিল্পী প্রফেসর মোঃ আজিজুর রহমান লস্কর।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর মোঃ আজিজুর রহমান লস্কর  বলেন ষাটের দশকের অগ্রগণ্য কবি হলেন কবি আফজাল চৌধুরী। তার কবিতার ভাষা অন্যান্য কবিদের থেকে সম্পূর্ন আলাদা। বাংলা কাব্যনাট্যের পটভূমিতে আফজাল চৌধুরীর অবদান অসামান্য।
ক্বারী মাওলানা সাদিকুর রহমানের পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কবি-গবেষক মুসা আল হাফিজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দৈনিক সিলেট সংলাপের সম্পাদক মোহাম্মদ ফয়জুর রহমান। আলোচনায় অংশ নেন কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের সহ সাধারণ সম্পাদক গল্পকার সেলিম আউয়াল, অধ্যক্ষ কবি বাছিত ইবনে হাবীব, ড. এ এইচ এম সুলায়মান হোসাইন, প্রভাষক কবি খালেদ উদ-দীন। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিলেট সংস্কৃতি কেন্দ্র-এর পরিচালক প্রাবন্ধিক জাহেদুর রহমান চৌধুরী ও শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন কবি পুত্র বাহরাইন দুতাবাসের সাবেক কর্মকর্তা ও বর্তমানে কানাডা প্রবাসী মোঃ যুলকারনাইন চৌধুরী। দোয়া পরিচালনা করেন সরকারী পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষক হাফিজ মাওলানা মাসউদ চৌধুরী। সভার শেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন কবি পুত্র মদন মোহন কলেজের প্রভাষক জুন্নুরাইন চৌধুরী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর মোঃ আজিজুর রহমান লস্কর বলেন, কবি আফজাল চৌধুরী একজন চিরন্তন সত্যের কবি ছিলেন। তার সাহিত্যকে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের স্বার্থে সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে।
মূল প্রবন্ধে কবি মুসা আল হাফিজ বলেন, বাংলা সাহিত্যে ষাটের দশকের অন্যতম খ্যাতিমান কবি হিসাবে তার আবির্ভাব হয়। কল্যাণব্রতের কবি হিসেবে সমসাময়ীক যুগের কবিদের মধ্যে তিনি ছিলেন স্বমহিমায় উজ্জ্বল। এধরণের গুনী ব্যক্তিত্ব সমাজে সবসময় জন্মেনা। তাই তরুণ প্রজন্মের মধ্যে তার সৃষ্ট সাহিত্যকর্মকে তুলে ধরতে হবে। এর মাধ্যমে সমাজে আফজাল চৌধুরীর মত গুনীজনের সৃষ্টি হবে।
সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা শাহ নজরুল ইসলাম বলেন, বিশ্বাসী-অবিশ্বাসী সকলের মুখেই উচ্চারিত একটি নাম বিশ্বাসের কবি আফজাল চৌধুরী। ‘হে পৃথিবী নিরাময় হও’ কাব্য নাটকটির মাধ্যমে প্রমাণিত হয় তিনি এই পৃথিবীর মূল ধারার কবি ছিলেন।

 
 
 
 
 
 
 

বড়লেখা প্রতিনিধি: সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি’র চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকো’র মৃত্যুতে বড়লেখা উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে সারা দেশের ন্যায় ২৭ জানুয়ারি মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় স্থানীয় উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে এক গায়েবানা জানাযা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাযায় ইমামতি করেন পৌর মেয়র ও উপজেলা যুবদল সভাপতি প্রভাষক ফখরুল ইসলাম।
জানাযায় পৌর মেয়র প্রভাষক ফখরুল ইসলাম, বিএনপি নেতা মুহিবুর রহমান ফারুক, তুতিউর রহমান, পৌর বিএনপি সভাপতি মালিকুর রহমান মায়ন, হাজী নুর হোসেন, মঈন উদ্দিন মেম্বার, সরফ উদ্দিন মেম্বার, পৌর যুবদল সভাপতি সাইফুল ইসলাম খোকন, ছাত্রদল নেতা আসুক আহমদ প্রমুখ অংশ নেন। এছাড়া কোকো’র মৃত্যুতে বড়লেখা উপজেলা বিএনপির রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে শোক বইও খোলা হয়েছে।
               

 
 
 
 
 
 
 

এ.জে লাভলু, বড়লেখা প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের বড়লেখায় গত ২১ জানুয়ারি রাতে উপজেলার রতুলি বাজার এলাকার কুমারপাড়ায় সিএনজি অটোরিকশা পুড়ানোর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মাদ্রাসা অধ্যক্ষ ও জামায়াত নেতা মুজাহীদুল ইসলাম (৪৪) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মুজাহীদুল ইসলাম সুজানগর ক্যাডেট মাদ্রাসার অধ্যক্ষ। বড়লেখা থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত মোহাম্মদ আকবর হোসেন ও এসআই মেহেদী হাসানের নের্তৃত্বে পুলিশ ২৬ জানুয়ারি রাতে সুজানগর থেকে তাকে গ্রেফতার করে। 
বড়লেখা থানার অফিসার ইনচার্জ মো: মনিরুজ্জামান গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গ্রেফতারকৃত মুজাহীদুল ইসলাম জামায়াতের রাজনীতির সাথে জড়িত। তিনি জামায়াতের রুকন।
               

 
 
 
জনমত জরিপ

অর্থমন্ত্রী এ এম এ মুহিত বলেছেন, ১ ও ২ টাকার মুদ্রা এখন অপ্রয়োজনীয় হয়ে গেছে। আপনি কি তার এ বক্তব্য সঠিক মনে করেন?       

 
হ্যাঁ না
 
 

ফলাফল দেখুন

 
 

সিলেট, ২৮ জানুয়ারি : সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের উদ্বোধন হচ্ছে আগামীকাল বৃহস্পতিবার। উদ্বোধনী দিনে স্বাগতিক বাংলাদেশ দল মুখোমুখি হবে মালয়েশিয়ার। ম্যাচের আগে বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয় সিলেট নগরীর রোজভিউ হোটেলে। সেখানে উভয় দলের কোচ, অধিনায়ক ও কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ দলের কোচ ও অধিনায়ক উড়ন্ত সূচনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

অসুস্থ্যতার কারণে বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ লোডভিক ডি ক্রুইফ আসতে পারেননি। তার পরিবর্তে সংবাদ সম্মেলনে আসেন বাংলাদেশ দলের সহকারী কোচ সাইফুল বারী টিটু।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমরা গেল এক বছর ধরে আমাদের দর্শন ও খেলার ধরন নিয়ে কাজ করেছি। সেখানে নানা দিক নির্দেশনা ছিল প্রধান কোচের। সেখান থেকে যে ধরনটা আমরা রপ্ত করার চেষ্টা করেছি সেটার পূর্ণতা দেওয়ার চেষ্টা থাকবে এই টুর্নামেন্টে। আমরা কয়েকটি অনুশীলন ম্যাচ খেলেছি। শেখ জামালের সঙ্গে যে ম্যাচটা আমরা খেলেছি সেটা থেকে বোঝা গেছে আমরা ভালো অবস্থানে আছি। ম্যাচে ও টুর্নামেন্টে পারফর্ম করাটাই আমাদের মূল লক্ষ্য থাকবে। যে দলের সঙ্গেই খেলাটা হোক, আন্তর্জাতিক ম্যাচ জেতাটা খুব জরুরি। আর জেতার জন্য যেটা করতে হয় সেটা হচ্ছে গোল করা। গত অনুশীলন ম্যাচ থেকে আমরা বেশ অনুপ্রাণিত। সেখানে আমাদের দল তিনটা গোল করেছে। আমার মনে হয় দলটা গেল এক বছরে উত্তর উত্তর উন্নতি করেছে। সেটা খেলার ধরনে, দ্রুত পাস দেওয়ার ক্ষেত্রে, বল হারানোর পর কমপ্যাক্ট ডিফেন্ডিংয়ের মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে খেলতে না দেওয়া। এ জিনিসগুলোতে আমাদের খেলোয়াড়রা বেশ সফল। তারপর দেখা যাক। টুর্নামেন্টে শুরু হচ্ছে। আশা করছি আমরা ভালো কিছু করব।’

মালয়েশিয়া দলের বিষয়ে সহকারী কোচ বলেন, ‘মালয়েশিয়ার যে দলটি খেলতে এসেছে সেটা যুব দল হলেও সিঙ্গাপুরের পেশাদার লিগে গেল তিন বছর ধরে তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এখনো খেলছে। তারা অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডের লিগেও অংশ নিয়েছে। তাদের বিপক্ষে আমাদের প্রথম ম্যাচ। তাই ম্যাচটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পরবর্তী রাউন্ড কিংবা সেমিতে যাওয়ার জন্য। টুর্নামেন্টে ভালো করতে হলে সবগুলো দলের সঙ্গেই লড়াই করতে হবে। তারপরও আমাদের টার্গেট থাকবে ভালো ফল করা। যেটাকে বলে ফ্লাইং স্টার্ট। আমাদের আত্মবিশ্বাস আছে। আশা করছি ইতিবাচক ফুটবল খেলতে পারব এবং ইনশাল্লাহ জিতব। অবশ্য তাদের আমরা সমীহ করছি। আমরা আমাদের নিজেদের খেলাটা খেলার চেষ্টা করব।’

ম্যাচকে সামনে রেখে অধিনায়ক মামুনুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা খেলোয়াড়রা মানসিকভাবে প্রস্তুত। কালকে আমাদের টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচ। কিন্তু আমরা প্রথম ম্যাচ হিসেবে ধরেছি শেখ জামালের বিপক্ষে অনুশীলন ম্যাচটাকে। কালকের ম্যাচে ভালো রেজাল্ট এবং পয়েন্ট অর্জন করার জন্য খেলোয়াড়রা প্রস্তুত। চেষ্টা করব আমরা আমাদের বেস্ট ফুটবল খেলার জন্য। সর্বশেষ প্রস্তুতি ম্যাচে আমরা যেটা করতে পারিনি সেটা এখানে করার চেষ্টা করব। শারীরিক ও মানসিকভাবে আমরা বেশ ফিট। কোনো ইনজুরি সমস্যা নেই। নিজেদের সেরাটা দিতে চেষ্টা করব।’

মালয়েশিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ। জিতলে সেমিফাইনাল অনেকটাই নিশ্চিত। এই ম্যাচ নিয়ে কোনো চাপ অনুভব করছেন কিনা জানতে চাইলে মামুনুল বলেন, ‘প্রতিটা টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এই ম্যাচটি জিততে পারলে আমাদের সেমিফাইনাল নিশ্চিত হবে। সূচনাটা ভালো হলে টুর্নামেন্টটা বেশ ভালো যায়। চাপ মনে করব না। টুর্নামেন্টটা উপভোগ করব। আমরা সব খেলোয়াড়রাই চেষ্টা করব প্রথম ম্যাচে কিছু করে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করতে।’
               

 
 
 
 

সিলেট, ২৮ জানুয়ারি : সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান বলেছেন, সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠা একটি সময় উপযোগি সিদ্ধান্ত। বস্তুনিষ্ট সাংবাদিকতার বিকাশে অনলাইন প্রেসক্লাবকে বলিষ্ট ভূমিকা রাখতে হবে। সিলেটের সাংবাদিকতার একটি গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস রয়েছে, তাই অনলাইন গণমাধ্যমের প্রত্যেক সাংবাদিককে সে ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা রেখে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করতে হবে।
তিনি বুধবার সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের প্রথম পূর্ণাঙ্গ কমিটির নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক সিলেট ডটকম’র সম্পাদক কবি মুহিত চৌধুরী, সহ-সভাপতি ও সিলেটের খবর টোয়েন্টিফোর ডটকম’র সম্পাদক গোলজার আহমদ হেলাল, সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা-বাসস’র সিলেট ব্যুরো প্রধান মকসুদ আহমদ মকসুদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক ও আজকের সিলেট ডটকম’র প্রধান সম্পাদক এম.সাইফুর রহমান তালুকদার, কোষাধ্যক্ষ ও সিলেটের সময় ডটকম’র সম্পাদক মেহেদী কাবুল, তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ও ডেইলি সিলেট ডটকম’র সম্পাদক কে.এ রহিম, কার্যকরি সদস্য ও ডেইলি আমার বাংলা ডটকম’র সম্পাদক শিব্বির আহমদ ওসমানী।
অনলাই প্রেসক্লাবের সভাপতি মুহিত চৌধুরী সাবেক এই নগরপিতাকে আশ্বস্থ করে বলেন, অনলাইন গণমাধ্যম এখন সবচেয়ে শক্তিশালী গণমাধ্যম। তাই এই মাধ্যমের সাংবাদিকরা অত্যন্ত সচেতনতা ও দ্বায়িত্বশীলতার সহিত সংবাদ পরিবেশন করেন। ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে অনলাইন গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করছে।
               

 
 
 

সিলেট, ২৮ জানুয়ারি : অবরোধ চলাকালে ও হরতালের সমর্থনে বুধবার বিকাল ৩টায় সিলেট নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ করেছে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল। মিছিলটি নগরীর নয়াসড়ক পয়েন্ট থেকে শুরু হয়ে জেলরোড পয়েন্ট হয়ে পূর্ব জিন্দাবাজার বারুতখানা পয়েন্টে এসে সড়ক অবরোধ করে রাখে।
নয়াসড়ক পয়েন্টে অনুষ্ঠিত মিছিল পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি এবং সিলেট জেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক এডভোকেট সামসুজ্জামান জামান বলেন, বাংলাদেশে আজ রক্তের নহর বইছে। শিক্ষক থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, নিরীহ মানুষকে ঠান্ডা মাথায় গুম হত্যা করা হচ্ছে। আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী আজ দানবের ভুমিকায় অবতীর্ন হয়েছে।
আওয়ামী দুঃশাসনের মাধ্যমে সারাদেশের মানুষের বাকস্বাধীনত কেড়ে নেয়া হয়েছে। গনতন্ত্র ও মানবাধিকার আজ ভু-লুন্ঠিত। রক্তের এই হোলিখেলা যতদিন বন্ধ না হবে এবং গনতন্ত্র পুনরুদ্ধার না হবে ততদিন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকো’র মৃত্যুতে সমগ্র দেশ ও জাতি যখন শোকাহত, সর্বস্থরের জনতা যখন বেগম খালেদা জিয়া ও তার পরিবারের পাশে এসে দাড়িয়েছে ঠিক সেই মুহুর্তে শেখ হাসিনা তার স্বভাবসুলভ আচরন অনুযায়ী সমবেদনা নাটকের পর বেগম খালেদা জিয়াকে হুকুমের আসামী করে ষড়যন্ত্রমুলক মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। যা এদেশের জনগন ঘৃনাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা জনতার রক্ত ও লাশের সাথে গনতন্ত্রকে সমাহিত করছেন। কিন্তু তাদের মনে রাখা উচিত, শহীদের রক্ত বৃথা যায় না, আন্দোলন এখন বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে। জনগনের বিজয় হবেই হবে।
তিনি কৌশল, ধৈর্য ও সাহসিকতার সহিত বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবেলা করে সর্বত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানান।
   সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক অধ্যাপক আজমল হোসেন রায়হানের সভাপতিত্বে এবং ইলিয়াস মুক্তি ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক, ছাত্রদল নেতা লিটন কুমার দাশ নান্টু’র পরিচালনায় মিছিল পূর্ববর্তী সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক জাকির হোসেন, যুগ্ম আহবায়ক মওদুদুল হক মওদুদ, আলতাফ হোসেন বিলাল, আব্দুল হান্নান, রায়হাদ বকস রাক্কু, সৈয়দ লোকমানুজ্জামান লোকমান, তসির আলী, আমিনুল ইসলাম সাজু, আবদুল কাইয়ুম, দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী, আলতাফ হোসেন টিটু, দেওয়ান নিজাম খান, এমরান উদ্দিন, রাজিব হোসেন, ফাহিম রহমান মৌসুম, ইফতেখার আহমদ সোহেল, ইউনুস আলী, হোসেন মাহমুদ তালুকদার, নিজাম উদ্দিন, নুমান মাহমুদ কাওসার, আবু আম্বিয়া, মোঃ মাকসুদ আলম, মইনুল ইসলাম, দেলোয়ার হোসেন, জুবের আহমদ, সদরুল ইসলাম লোকমান, শেখ মোঃ সামসুদ্দিন, এস এম ফখরুল ইসলাম, জাকির হোসেন, সোবহান আহমদ, নুরুল ইসলাম, রাশেদ আহমদ, মাইদুল ইসলাম মিঠু, সোলেমান চৌধুরী, সায়েক চৌধুরী, ফাহাদ মাহফুজ চৌধুরী, রাসেল আহমদ, ইকবাল হোসেন, আতিকুল ইসলাম নাঈম, কয়সর আহমদ সাহেদ, সৈয়দ মিনহাজ, সাইফুল আলম জয়, জুবায়ের আহমদ, মুহিবুর রহমান, ইকবাল হোসেন, ফয়সল আহমদ, ফিরুজ মিয়া প্রমূখ।       

 
 
 

সিলেট, ২৮ জানুয়ারি : ২০ দলীয় জোট বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে ষড়যন্ত্রমুলক মিথ্যা মামলা দায়েরের প্রতিবাদে, কারাগারে আটক সকল রাজবন্দীর মুক্তির দাবীতে ২০ দলীয় জোট আহুত সিলেট বিভাগে আজ বৃহস্পতিবারের সকাল-সন্ধ্যা হরতাল সর্বাত্মকভাবে সফলের আহ্বান জানিয়েছেন সিলেট জেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দ।
বুধবার এক যৌথ বিবৃতিতে জেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দ বলেন, চলমান অবরোধের জনসম্পৃক্ততা দেখে আওয়ামী বাকশালীদের পায়ের তলার মাটি সরে গেছে। তারা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেফতারের পায়তারা করছে। এর পরিনতি শুভ হবেনা। কোন ষড়যন্ত্রই ফ্যাসিস্ট আওয়ামী শক্তির পতন ঠেকাতে পারবেনা। গনবিষ্ফোরনে অবৈধ সরকারকে বিদায় নিতে হবে। গনতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলন চলছে এবং চলবে। যতই গণগ্রেফতার ও হামলা-মামলা, জুলুম-নির্যাতন হোকনা কেন মুক্তিকামী জনতার ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার এই আন্দোলন চুড়ান্ত বিজয় ছাড়া বন্ধ করার সাধ্য কারো নেই। শান্তিপুর্ন হরতাল সফলের জন্য পরিবহন মালিক, শ্রমিক, ব্যাবসায়ী নেতৃবৃন্দসহ সিলেটবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তারা।
বিবৃতি প্রদান করেন, সিলেট জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এডভোকেট নুরুল হক, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক এমপি দিলদার হোসেন সেলিম, যুগ্ম আহ্বায়ক এডভোকেট আব্দুল গাফ্ফার, যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক, যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহমদ, যুগ্ম আহ্বায়ক এডভোকেট শামসুজ্জামান জামান, যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মান্নান ও যুগ্ম আহ্বায়ক এমরান আহমদ চৌধুরী প্রমুখ।
               

 
 
 

এম এ আহমদ আজাদ, নবীগঞ্জ থেকে: নবীগঞ্জের পল্লীতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নাতির দায়ের কূপে দাদী আলেকজান বিবি(৬৫) নামে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। ঘাতকের এলোপাতাড়ি কূপে ভাই ও ভাবি সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার সকালে উপজেলার ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের সাবাজপুর গ্রামে। 

এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, উপজেলার সাবাজপুর গ্রামের মৃত মর্তুজা মিয়ার ছেলে ইউসুফ মিয়া সকালে তার ভাবি তছলিমা বেগম(৩০) এর সাথে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়ায় লিপ্ত হয়। এ পর্যায়ে উত্তেজিত ইউসুফ দা দিয়ে তার ভাবির উপর চড়াও হয়। এ সময় তছলিমা বেগম দৌড়ে দাদি শাশুড়ী নিহত আলেকজান বিবির কাছে আশ্রয় নেয়। আলেকজান বিবি নাতি ইউসুফকে বাধা দিলে হাতে থাকা দা দিয়ে কূপ দেয়। আলেকজান বিবির মাথা কুপে ক্ষত বিক্ষত হয়। আলেকজান বিবি মাঠিতে লুঠিয়ে পড়লে তছলিমাকে দা দিয়ে কূপিয়ে গুরুতর আহত করে। এ খবর পেয়ে ভাই রাজা মিয়া (৩৫) বাড়ীতে আসলে সে ও আক্রান্ত হয়। গ্রামের লোকজন তাদের উদ্ধার করে আশংকাজনক অবস্থায় সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে বৃদ্ধা দাদি আলেকজান বিবি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।  আহত ভাই রাজা মিয়া ও ভাবি তছলিমা বেগমকে সিলেট ওসামনী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানা গেছে।

খবর পেয়ে থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্যে হবিগঞ্জ আধুনিক হাসাপাতালে পাঠিয়েছে।               

 
 
 

সিলেট, ২৮ জানুয়ারি : সিলেট-কোম্পানীগঞ্জ-ভোলাগঞ্জ রাস্তা সংস্কারের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।
বুধবার সিলেট প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়। কোম্পানীগঞ্জ ছাত্র পরিষদ (সিসিপি) এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন-সিসিপি’র সভাপতি আনোয়ার হোসেন।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, সিলেট-কোম্পানীগঞ্জ-ভোলাগঞ্জ রাস্তা দীর্ঘ ৮ বছর ধরে বিপর্যস্ত। রাস্তা সংস্কারের দাবিতে গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমল থেকে আন্দোলন করে আসছে কোম্পানীগঞ্জের আপামর জনতা। বহুবার দাবি জানিয়েও সংশ্লিষ্টদের সাড়া মিলেনি। বারবার শুধু আশ্বাসেই তা থেমে রয়েছে। বছরের পর বছর ভোগান্তিতে পড়ে আছেন এ উপজেলার পৌনে দুই লাখ মানুষ। বর্তমানে সড়কটির জীর্ণ দশার কারণে ভোলাগঞ্জ পাথর পরিবহন তো দূরের কথা যাত্রী পরিবহনও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এ দুর্গতির যেন অন্ত নেই।

এতে বলা হয়, ভোলাগঞ্জের পাথর দেশের সর্বত্র নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। জাতীয় অর্থনীতিতে ভোলাগঞ্জের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। ভোলাগঞ্জ থেকে সরকার প্রতিমাসে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব আয় করছে। অথচ সড়কটির উন্নয়নে কারোরই ভ্রুক্ষেপ নেই।  এ অবস্থায় এ উপজেলার সর্বস্তরের জনগণের মাঝে প্রচন্ড ক্ষোভ বিরাজ করছে। যেকোনো সময় এ ক্ষোভ গণবিস্ফোরণে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

লিখিত বক্তব্যে আরো বলা হয়, এ সড়কে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হাজার হাজার স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রী যাতায়াত করেন। বর্ষার মৌসুমে রাস্তায় পানি জমে থাকার কারণে আর শুষ্ক মৌসুমে ধুলোবালুই আচ্ছন্ন থাকার কারণে সারা বছরই শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি পোহাতে হয়। এ রাস্তার পাশে এম, সাইফুর রহমান ডিগ্রী কলেজ, সালুটিকর ডিগ্রী কলেজ, উপজেলা সদর উচ্চ বিদ্যালয়, টুকেরবাজার উচ্চ বিদ্যালয়, পাড়ুয়া আনোয়ারা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজসহ অসংখ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। প্রতিদিন এসব প্রতিষ্ঠানের কয়েক হাজার ছাত্র-ছাত্রী বহু কষ্ট করে চলাচল করছে। তাদের ঘর থেকে বের করে দিয়ে কোন বাবা-মা নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন না।  প্রায়শই রাস্তায় গর্তে পাথরবোঝাই ট্রাক দেবে যাওয়ায় দীর্ঘ যানজটের কবলে পড়তে হয় শিক্ষার্থীদের। এসময় দুর দুরান্তের শিক্ষার্থীরা কয়েক মাইল হেঁটে বিদ্যালয়ে পৌছান।

তারা বলেন, কৃষিজ, প্রাকৃতিক ও খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা দেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় অঞ্চল। প্রয়োজনীয় উন্নয়ন পরিকল্পনার অভাব, জাতীয় পর্যায়ের মনোযোগের ঘাটতি, ভৌগোলিক প্রতিবন্ধকতা এ অঞ্চলের সম্ভাবনাকে পিছিয়ে রেখেছে যুগের পর যুগ। বালু-পাথর ও আমদানীকৃত কয়লা-চুনাপাথর এই এলাকার অর্থনীতির রক্তসঞ্চালনকারী ধমনী। এই খাতগুলোতেও রয়েছে নানামুখি সমস্যা। বিপর্যস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা এ অঞ্চলের গতিকে রুদ্ধ করে রেখেছে পদে পদে। পর্যটন খাতে বিকাশ লাভের অবারিত সুযোগ রয়েছে এ উপজেলার। এখানকার ভোলাগঞ্জ-বড়পুঞ্জির নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক দৃশ্য যে কাউকেই বিমোহিত করে।

সবমিলিয়ে এ উপজেলার প্রধান সমস্যা সিলেট-ভোলাগঞ্জ রাস্তাটিকে মহাসড়কে উন্নীত করা গেলে উপজেলাবাসীর দুর্ভোগের যেমন অবসান হবে। তেমনি সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশের পথে আরো একধাপ এগিয়ে যাবে বলে এ অঞ্চলের লোকজনদের বিশ্বাস।
তারা বলেন, কোম্পানীগঞ্জের পৌনে দুই লাখ মানুষের পক্ষে দ্রুত বিপর্যস্ত সিলেট-কোম্পানীগঞ্জ সড়কটির সংস্কার ও মহাসড়কে উন্নীত করতে প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করছি। সেই সাথে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, সড়ক ও সেতু পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ সংশ্লিষ্টদের নিকট সড়কটি দ্রুত সংস্কারের জোর দাবি জানাচ্ছি। সকলের কাছে মিনতি- কোম্পানীগঞ্জবাসীর প্রাণের দাবি সিলেট ভোলাগঞ্জ সড়ক মেরামত করে এ উপজেলাবাসীকে নরক যন্ত্রণা থেকে বাঁচান।

পাশাপাশি দ্রুত সড়কটির নির্মাণ কাজ শুরু না হলে কোম্পানীগঞ্জের ছাত্রসমাজকে সাথে নিয়ে কোম্পানীগঞ্জ ছাত্র পরিষদের ডাকে মানববন্ধনসহ দুর্বার আন্দোলন শুরু করা হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে সিসিপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান মিন্টু, সাবেক নেতা সৈয়দ আলী ও নজরুল ইসলাম, সিসিক-এর সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

               

 
 
 

সিলেট, ২৮ জানুয়ারি : বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ গোল্ড কাপ উপলক্ষে  সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে ২০টি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। আগত খেলোয়ার বৃন্দ ও দর্শকদের নিরাপত্তার জন্য সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ এই সিসি ক্যামেরাগুলো স্থাপন করেছে।  চুরি, ছিনতাই, নাশকতামূলক অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ২৪ ঘন্টা এই ক্যামেরাগুলো চালু থাকবে।

প্রথমবারের মতো সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক গোল্ডকাপ টূর্নামেন্ট শুরু হচ্ছে আগামীকাল বৃহস্পতিবার। এই টূর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী দলগুলোও ইতোমধ্যে সিলেট এসে পৌঁছেছে। বিশেষ করে সিলেট জেলা স্টেডিয়াম ও আশপাশ এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য বুধবার সকালে স্থাপন করা হয়েছে ২০টি সিসি ক্যামেরা।
সিলেট জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন উদ্দিন সেলিম বলেন, ফুটবল আমাদের প্রাণের খেলা। সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের ফলে স্টেডিয়াম এলাকায় যে কোন ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো যাবে এবং দেশের বিভিন্ন স্থান হতে আগত খেলোয়ার সহ দর্শনাথীবৃন্দ নিরাপত্তার সাথে খেলা উপভোগ করতে পারবে।

সহকারী পুলিশ কমিশনার নুরুল হুদা আশরাফী (সিটি স্পেশাল ব্রাঞ্চ) বলেন, আর্ন্তজাতিক এই ফুটবল ফুটবল টূর্নামেন্ট উপলক্ষে উন্নত প্রযুক্তির পিটিজেড ২০টি সিসি ক্যামেরা মাঠের ভিতরে ও বাইরে লাগানো হয়েছে। এছাড়াও নিরাপত্তার স্বার্থে সকল গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে গোপনীয় ক্যামেরা লাগানো থাকবে। এতে যেকোনো প্রকার নাশকতা রোধ করা সম্ভবপর হবে।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার কামরুল আহসান বলেন, ঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ গোল্ড কাপ উপলক্ষে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ উন্নত প্রযুক্তির পিটিজেড ক্যামেরা স্টেডিয়াম এলাকায় স্থাপন করেছে। এতে যেকোনো ধরনের নাশকতামূলক কর্মকান্ড আমরা সহায়তা পাবো।
           

 
 
 

সিলেট, ২৮ জানুয়ারি : সিলেট জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও জেলার সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আলী আহমদ বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে ষড়যন্ত্রমুলক মিথ্যা মামলা দিয়ে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী অপশক্তি চলমান গনতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলন দমাতে চায়। কিন্তু এই মিথ্যা মামলায় আন্দোলন তো দমবেইনা বরং চলমান আন্দোলন আরো বেগবান হয়ে অবৈধ সরকারের পতনকে ত্বরান্বিত করবে। দেশনেত্রীকে গ্রেফতার করার চেষ্টার পরিনতি হবে খুবই ভয়াবহ। বিএনপি চেয়ারপার্সন সহ সকল কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করুন এবং কারাগারে আটক মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহরিয়ার হোসেন চৌধুরী ও সদস্য সচিব বদরুজ্জামান সেলিম সহ কারান্তরিন সকল রাজবন্দীদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে। বৃহস্পতিবারের সকাল-সন্ধ্যা হরতাল সর্বাত্মকভাবে সফলের জন্য সিলেটবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
 বুধবার ২০ দলীয় জোট আহুত টানা অবরোধ চলাকালে ও বৃহস্পতিবারের সকাল-সন্ধ্যা হরতালের সমর্থনে সিলেট বিএনপি অঙ্গসংগঠন আয়োজিত মিছিল পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন। বুধবার বিকেলে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর অংশগ্রহনে মিছিলটি নগরীরর মেহেন্দীবাগ থেকে শুরু হয়ে উপশহর পয়েন্ট সংলগ্ন গার্ডেন টাওয়ারের সামনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয়। মিছিলে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ সুরমা উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক শামীম আহমদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক বজলুর রহমান ফয়েজ, জেলা বিএনপি নেতা আব্দুল লতিফ খান, জেলা যুবদল নেতা শাহ মাহমুদ আলী, মহানগর ছাত্রদলের ১ম যুগ্ম সাধারন সম্পাদক রুমেল শাহ, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক মিজানুর রহমান নেছার, যুবদল নেতা মইনুল ইসলাম মঞ্জু, আশরাফ বাহার, ফখরুল আলম, মোশতাক আহমদ, আব্দুল মুক্তাদির খান, সোহেল মিয়া, সুমন আহমদ বিপ্লব, সেবুল আহমদ, খলিল আহমদ, জেলা ছাত্রদল নেতা মোবারক হোসেন তুহিন, জাহাঙ্গীর আলম বাবুল, মাসুম পারভেজ, সোহেল ইবনে রাজা, জিয়াউল ইসলাম রাজন, জাবের আহমদ, আলা উদ্দিন, বিলাল আহমদ, পারভেজ আহমদ, নুরুল হক এহিয়া, মনসুর খান, শামসুদ্দিন শুভ, হেলাল আহমদ, রিপন আহমদ, জামিল আহমদ জমির, শাহেদ আহমদ, স্বপন মিয়া, মিসবাহ উদ্দিন প্রমুখ।
               

 
 
 

সিলেট, ২৮ জানুয়ারি : ২০ দলীয় জোটের সারাদেশে সহিংসতা, হরতাল অবরোধ প্রতিবাদে নগরীতে মিছিল-সমাবেশ করেছে জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগ।  বুধবার দুপুরে সিলেট নগরীর কোর্ট পয়েন্ট থেকে  মিছিল বের করে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। মিছিলটি নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে গিয়ে মিছিলটি শেষ হয়। এর আগে কোর্ট পয়েন্টে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে করে তারা।
এসময় বক্তারা বলেন- সিলেটে এই প্রথম বারে মতো একটি আর্ন্তজাতিক ফুটবল ম্যাচ অনুষ্টিত হচ্ছে যার সাথে সিলেটবাসীর ভাবর্মূতি জড়িত, ঠিক সেই মুহুর্তে সিলেটের ভাবমূতি নষ্ট করতে হরতাল আহবান করেছে বিএনপি জামায়াত জোট। তারা বলেন আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ছাত্রলীগ বৃহস্পতিবারের হরতালে মাঠে থেকে তা প্রতিহত করবে।
সিলেট মহনাগর আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরানরে সভাপতিত্বে অনুষ্টিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুজ জহির চৌধুরী সুফিয়ান, জেলা সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী, মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আশফাক আহমদ সহ যুবলীগ, শ্রমিকলীগ, ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।           

 
 
 

সুনামগঞ্জ, ২৮ জানুয়ারি :
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজারে পাওনা টাকা নিয়ে দুইগ্রামবাসীর মধ্যে দুই দফা সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশসহ অর্ধশতাধিক লোকজন আহত হয়েছে। আহতদেরকে সুনামগঞ্জ,ছাতক ও দোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, বুধবার সকাল ৮টায় উপজেলার দোহালিয়া মাদ্রাসা মাঠে মাইকিং করে কাঞ্চনপুর ও রাজানপুর গ্রামের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ থামাতে ৭ রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেছে পুলিশ। প্রায় ২ঘন্টা ব্যাপী সংঘর্ষে পুলিশসহ ৩৫জন আহত হয়। এরআগে গত মঙ্গলবার রাত ৯টায় উপজেলার দোহালিয়া ইউনিয়নের কাঞ্চনপুর গ্রামের কর্নেল আলী ও রাজনপুর গ্রামের তাজির উদ্দিনের মধ্যে পাওনা টাকার লেনদেন নিয়ে কথা কাটাকাটি একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে হাতাহাতি। স্থানীয়রা এঘটনাটি তাৎক্ষনিকভাবে সমাধান করে দিলেও প্রায় আধাঘন্টা পরে ওই দুই ব্যক্তির পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ এসে সংঘর্ষ থামাতে গেলে তারাও সংঘর্ষকারীদের হামলার শিকার হয়। প্রায় ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে পুলিশ কনস্টেবল মঞ্জুসহ উভয়পক্ষের ২৫জন আহত হয়। দোয়ারাবাজার থানার ওসি সেলিম নেওয়াজ এঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,আবারো সংঘর্ষের আশংকায় ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে,এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
               

 
 
 

সিলেট, ২৮ জানুয়ারি : হরতাল, অবরোধের সমর্থনে ও বিএনপি চেয়ারপার্সন খাদেলা জিয়ার উপর মামলা মামলা দায়েরের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ করেছে সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীরা।

বুধবার বেলা ১টার দিকে নগরীর জিন্দাবাজার জল্লারপাড় এলাকা থেকে মিছিলটি বের হয়ে রাজা ম্যানশনের সামনে এসে শেষ হয়।

সিলেট জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে ও মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মিফতা সিদ্দিকীর পরিচালনায় মিছিলপূর্ব সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন- মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশিদ মামুন, মহানগর বিএনপি নেতা মামুনুর রহমান মামুন, রুহুল কুদ্দুস হামজা, সিরাজুল ইসলাম, সাব্বির আহমদ, জুনেদ আহমদ চৌধুরী ফাত্তাহ, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য লিটন আহমদ, হোসেন আহমদ রুহুল, জাহেদ আহমদ তালুকদার, মঈনুল ইসলাম মঞ্জু, হোসেন খান ইমাদ, রুবেল আহমদ, হৃদয় দাশ, সেবুল আহমদ, বিল­াল, দুলাল আহমদ প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘খালেদা জিয়ার উপর মিথ্যা মামলা দায়ের করে সরকার প্রমাণ করেছে তারা বাকশালী কায়দায় রাষ্ট্র পরিচালনা করতে চায়। এই বাকশাল সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত জিয়ার আর্দশের সৈনিকরা ঘরে ফিরে যাবে না। হামলা, মামলা আর গুলি উপেক্ষা করে বিএনপি নেতাকর্মীরা রাজপথে থেকে আন্দোলন চালিয়ে যাবে।                              

 
 
 
 
 
কবিতা
শিল্প-সাহিত্
মিডিয়া
ইসলাম
Image Missing
 
 
বিনোদন
বিনোদন
বিচিত্রা
বিচিত্রা
মুক্তমঞ্চ
Image Missing
 
 
খেলাধুলা
খেলাধুলা
স্বাস্থ্য
স্বাস্থ্য
তথ্য-প্রযুক্তি
তথ্য-প্রযুক্তি
 
 
সংবাদদাতা
জীবন সদস্য
সম্পাদক
 
দেশ বিদেশ
 
 
 

        ঢাকা : রাজধানীর মিরপুরে ককটেল বিস্ফোরণে আসাদুজ্জামান (৩৫) নামের একজন সহকারী জজ গুরুতর আহত হয়েছেন।
বুধবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে কালশীর ২২ তলা গার্মেন্টস এর সামনে এ ঘটনা ঘটে।

গুরুতর আহত ওই বিচারককে ঢামেকে নেয়া হয়েছে। সেখানে তার ভাই নুরুজ্জামান জানান, বাস থেকে নামার পর ককটেল বিস্ফোরণে তিনি গুরুতর আহত হন।

ঘটনাসূত্রে জানা যায়, আহত আসাদুজ্জামানকে প্রথমে কালশীর স্থানীয়রা উদ্ধার করে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে ভর্তি করে। পরে উন্নত চিকিৎস্বার্থে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

আহত সহকারী জজের বড় ভাই নুরুজ্মামান জান‍ান, তার ভাই আসাদুজ্জামান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ও এলএলএম সম্পন্ন করেছেন। তিনি সহকারী জজ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন কিন্তু এখনও তার পোস্টিং হয়নি।

পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আমি এরকম একটি ঘটনা শুনেছি। খোঁজ নেয়ার জন্য ঢাকা মেডিকেলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
       

 
 
 
 
 
 

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বাড়ছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা এশিয়ান হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এএইচআরসি)।
বুধবার এক বিবৃতিতে হংকং ভিত্তিক সংস্থাটি বলেছে, ‘বাংলাদেশে রাজনৈতিক সংকটের মধ্যে গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বাড়ছে। গত ৫ জানুয়ারি থেকে ২৭ জানুয়ারির মধ্যে নয়জন নিখোঁজ হয়েছেন যাদের মধ্যে দুজন নারীও রয়েছেন। এ সময় বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন সাতজন।’

সংস্থাটি স্পষ্ট করেই বলেছে যে পুলিশের ডিবি, র‌্যাব ও যৌথবাহিনী এই ১৬ জনকে ধরে নিয়ে যাওয়ার পর  তারা নিখোঁজ কিংবা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হন।

বিবৃতিতে বলা হয়, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার সাতজন বেশ কিছুদিন নিখোঁজ থাকার পর তাদের লাশ পাওয়া যায়।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এসব হত্যাকাণ্ডের জন্য ‘বন্দুকযুদ্ধের’ কথা বলেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, এএইচআরসি জানতে পেরেছে যে উপরের ১৬ জন ছাড়াও আরো সাতজনকে জানুয়ারি মাসে তুলে নিয়ে যায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, যাদেরকে অনেক দিন পর মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এখনো আল-আমিন কবির (৩৫), মিসেস বিউটি বেগম (৩২) এবং মৌসুমী বেগম (৩০) কোথায় আছে তা জানা যায়নি। যৌথবাহিনী তাদের ধরে নিয়ে যায়। আল-আমিনকে গ্রেপ্তারের পর লোকজনের সামনেই বর্বর নির্যাতন করা হয়। তাদের জীবন নিয়ে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের হেফাজতে থাকা নারীদের ধর্ষণ করে বলে কুখ্যাতি আছে। বিরোধী দলের কর্মীদের নারী আত্মীয়রা এভাবে স্বেচ্ছাচারী গ্রেপ্তারের শিকার হচ্ছেন। নারীদের এভাবে নিখোঁজ হওয়ায় ঘটনায় সমাজে ভীতি ছড়িয়ে পড়ছে।

এতে র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদের সাম্প্রতিক বক্তৃতা তুলে ধরে বলা হয় যে তিনি বলেছেন,  ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অস্ত্র দেয়া হয়েছে কেন? হাডুডু কিংবা ডাঙ্গুলি খেলার জন্য? অস্ত্রের কাজ কি? এটা একটা বিপজ্জনক জিনিস। এর কাজ মানুষ মারা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও পুলিশকে অস্ত্র দেয়া হয়েছে লোকদের হত্যার জন্য। লোকজনের নিরাপত্তায় কোনো সমস্যা হলে তারা (পুলিশ) গুলি করবে। তাহলে কি ঘটবে?  কিছু লোক নিশ্চয়ই মারা যাবে।’

এতে বলা হয়, বেনজীরের এই বক্তব্য বাংলাদেশের মানুষের কাছে একটি শীতল বার্তা দিচ্ছে যে যাদের হাতে অস্ত্র আছে তারা মর্জিমাফিক হত্যা করতে পারে।

বিবৃতিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনে গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের চূড়ান্ত সর্বনাশ ঘটেছে। তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আছেন। কাজেই আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে নির্দেশদাতার দায় (কমান্ড রেসপন্সিবিলিটি) তার। সরকার গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বন্ধে ব্যর্থ হলে এসব অপরাধের জন্য অদূর ভবিষ্যতে তাদের দায় নিতে হবে।


 
 
 
 
 
 

নিউজ ডেস্ক: ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুতে সমবেদনা ও সহমর্মিতা জানানোয় এবং জানাজায় শরিক হওয়ায় সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

বুধবার এক বিবৃতিতে বিএনপি চেয়ারপারসন এ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

বিবৃতিটি পাঠকের জন্য তুলে দেয়া হলো-
‘আমার এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কনিষ্ঠপুত্র আরাফাত রহমান কোকোর আকস্মিক অকাল মৃত্যুতে স্বাভাবিকভাবেই মা হিসাবে আমি গভীরভাবে শোকাহত এবং মানসিকভাবে বিপর্যন্ত।’

‘মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সেনাবাহিনীর প্রধান এবং রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানের পুত্র হিসাবে আমাদের এই সন্তানটি একটি রাজনৈতিক পরিবারে বেড়ে ওঠা সত্বেও কখনো রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হয়নি। কেবল সে ক্রীড়াঙ্গনের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত রেখেছিল।’

‘দুর্ভাগ্যের বিষয়,শুধু শহীদ জিয়া পরিবারের একজন সদস্য হবার কারণেই তাকে নানমুখী জুলুম-নির্যাতন, হেনস্তা-অপপ্রচারের শিকার হতে হয়েছে।’

‘অসুস্থ হয়ে প্রবাসে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থাতেও সে চরম প্রতিহিংসামূলক বৈরিতা থেকে নিষ্কৃতি পায়নি। ভাগ্যের এমনই নিষ্ঠুর পরিহাস যে, মা হিসাবে আমি প্রায় আট বছর ধরে এই অসুস্থ সন্তানটির মুখ দেখার সুযোগ থেকেও বঞ্চিত ছিলাম।’

‘অবশেষে আমাকে সন্তানের লাশ গ্রহণ করতে হলো। সর্বশক্তিমান আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামীনের কাছে আমি এর বিচারের ভার অর্পণ করলাম।’

‘এই গভীর বেদনা ও শোকের মুহূর্তে সকলের কাছ থেকে যে বিপুল সহানুভূতি, সহমর্মিতা ও সমবেদনা পেয়েছি তা আমার হৃদয় স্পর্শ করেছে।’

‘কুয়ালালামপুরে কোকোর প্রথম নামাজে জানাজায় অতীতের সকল রেকর্ড ভেঙ্গে যে বিপুল সংখ্যক মানুষের ঢল নেমেছে আমি তার জন্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। অন্যান্য দেশেও প্রবাসীদের বিপুল অংশগ্রহণে গায়েবানা জানাজার আয়োজনের জন্য আমি তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।’

‘দেশের প্রতিটি জেলা-উপজেলায় এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিএনপি, আমাদের অঙ্গ ও সহযোগী-সংগঠন, ২০দল সহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও সমাজিক সংগঠন এবং ব্যক্তি উদ্যোগে কোকোর বিদেহী আত্মার মাগফিরাতের জন্য গায়েবানা জানাজা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন যারা করেছেন আমি তাদেরকেও আন্তরিক মোবারকবাদ জানাচ্ছি।’


‘জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর জানাজার নামাজে দলমত ও শ্রেণী-পেশা নির্বিশেষে সর্বস্তরের লাখ লাখ মানুষ শরীক হয়ে যে অবস্মরণীয় ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন তাতে আমি গভীরভাবে অভিভূত।’

‘ধন্যবাদ প্রিয় দেশবাসীকে। জিয়া পরিবারের প্রতি গণমানুষের এই অপরিমেয় ভালবাসার বহিঃপ্রকাশ আমাকে আরো একবার নতুন করে কৃতজ্ঞতার ঋণে আবদ্ধ  করলো। বিপুল সংখ্যক মানুষের এই উপস্থিতিতে আমি গভীরভাবে অনুপ্রাণিত হলাম। শোক কাটিয়ে ওঠার শক্তি সঞ্চয়ে সর্বস্তরের দেশবাসীর এই অংশগ্রহণ আমাকে অনেক সাহায্য করবে।’

‘বিভিন্ন ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের নেতৃবৃন্দের প্রতি আমি গভীর কৃতজ্ঞতা জানাই। আমার এই দুঃখের সময়ে তারা শোকবার্তা পাঠিয়ে সহমর্মিতা জ্ঞাপন করেছেন। আমি বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা ও কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধিদের প্রতি ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তারা শোকবার্তা পাঠিয়ে এবং সশরীরে আমার কার্যালয়ে এসে সহানুভূতি জানিয়েছেন।’

‘বিএনপি ও ২০ দলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও জোটের নেতাকর্মী, পেশাজীবী, নাগরিক সমাজের সদস্য ও বিশিষ্টব্যক্তিবর্গ, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়াসংগঠক, সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিত্ববর্গসহ নর-নারী, শ্রেণী-পেশা ও বয়স নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষকে আমি ধন্যবাদ দিচ্ছি ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।


‘তারা আমার কার্যালয়ে এসে শোক প্রকাশ ও সহমর্মিতা জ্ঞাপন করেছেন। তারা এ সময়ে আমার সঙ্গে দেখা করতে না পারায় আমি গভীরভাবে দুঃখিত। আমি আশা করি পরিস্থিতির বিবেচনায় সকলেই বিষয়টিকে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।’


‘আমি কোকোর জন্য সকলের কাছে দোয়া চাই। দেশবাসীকে বলবো- আমি আপনাদের মাঝে আছি এবং যতোদিন বেঁচে আছি আপনাদের সঙ্গেই থাকবো ইনশা’আল্লাহ।’

               

 
 
 
 
 
 

ওএনবি (লন্ডন, ২৮ জানুয়ারি) : বাংলাদেশে ক্ষমতাসীন সরকারের অগণতান্ত্রিক, অসংবিধানিক ও অমানবিক কার্যকলাপের প্রতিবাদে বৃটিশ পার্লামেন্টের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে সিটিজেন মুভমেন্ট ইউকে। ২৭ জানুয়ারি  মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এই বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত হয়ে একাতœতা প্রকাশ করেছেন কয়েকজন লর্ড ও বৃটিশ এমপি। এরা হলেন বৃটিশ লর্ড সভার সদস্য লর্ড কোরবান আলী, সায়মন ডানসাক এমপি, লর্লি বাট এমপি ও টিম ইয়ো এমপি। তারা বিক্ষোভ সমাবেশে বাংলাদেশের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য দেন। সভায় বৃটিশ লর্ড ও এমপিরা বলেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র হুমকির সম্মুখীন। পদে পদে মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতায় উদ্বেগ প্রকাশ করে লর্ড ও এমপিরা বলেন, ৫ জানুয়ারী ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচনের ফলে বাংলাদেশে বর্তমানে অস্থিতিশীল অবস্থা বিরাজ করছে। এ থেকে উত্তরণের জন্য গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের বিকল্প নেই। তারা আরো বলেন,   ৫ জানুয়ারীর নির্বাচন বৃটেন, আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। এই নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছে। ভোটারবিহীন এই নির্বাচনে জনগণের আশা আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটেনি। উন্নয়ন সহযোগী দেশ হিসেবে বৃটেন বালাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা দেখতে চায়। তাই বাংলাদেশের গণতন্ত্রের স্বার্থে বাংলাদেশের মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অতীব জরুরী। বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা, মানবাধিকার লঙ্ঘন, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে নিজ কার্যালয়ে অবরুদ্ধ রাখা, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক নেতাদের নির্যাতন বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তারা বাংলাদেশে দ্রুত একটি নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন জরুরী বলে মত দেন। ।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ইউরোপভিত্তিক প্রবাসী বাংলাদেশীদের সংগঠন সিটিজেন মুভমেন্ট ইউকে‘র আহ্বায়ক এম এ মালেক। বিক্ষোভ সমাবেশে সংগঠনের নেতাকর্মীরা ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সামনে অবস্থান করে শেখ হাসিনার পদত্যাগ এবং নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন আয়োজনে চাপ প্রয়োগের জন্য বৃটিশ সরকারের প্রতি দাবি জানান।
সমাবেশে সিটিজেন মুভমেন্ট ইউকের আহ্বায়ক এম এ মালেক বলেন, দেশ এখন  এক গভীর সংকটে। গণতন্ত্র  পুনরুদ্ধার আন্দোলনের প্রধান নেত্রী বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে সরকার নানাভাবে হয়রানী করছে। তার স্বাধীন চলাফেরায় বাধার সৃষ্টি করা হচ্ছে। ৫ জানুয়ারীর প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে শেখ হাসিনা গণতন্ত্রকে হত্যা করেছেন। ক্ষমতা দখলের পর থেকেই অবৈধ শেখ হাসিনা বিএনপি এবং ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের হত্যা, খুন, গুম অব্যাহত রেখেছেন।  ধর্মপ্রাণ নাগরিকদের উপর অত্যাচারের স্টীম রোলার চালাচ্ছেন। এই সরকারকে জনগণ আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না।
এম এ মালেক বলেন, ভোটারবিহীন হাসিনার অবৈধ  সরকার এখন বেগম জিয়াকে গ্রেপ্তার করার চক্রান্ত করছে। তাদের মনে রাখা দরকার, ক্রসফায়ারের নামে বেপরোয়া বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ডের পরও আন্দোলনকারীরা যখন থামেনি এ অবস্থায় খালেদা জিয়াকে গ্রেপ্তারের অপচেষ্টা শেখ হাসিনার পতন ডেকে আনবে।
্এম এ মালেক বলেন, বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে সরকার আদালতের মাধ্যমে তার বক্তব্য গনমাধ্যমে প্রচার ও প্রকাশে বাধার সৃষ্টি করছে।  যেখানে আদালত মানুষের বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করার কথা সেখানে বাকস্বাধীনতা হরণের পক্ষে এভাবে আদালতের পক্ষে অবস্থান নেয়া নজীরবিহীন।


তিনি বলেন, বাংলাদেশে একদলীয় বাকশালী শাসন চলছে। রাষ্ট্র ও প্রশাসনকে আওয়ামীকরণ করা হয়েছে। এম এ মালেক বলেন, বিএনপি‘র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও সিনিয়র নেতাদেরসহ সারাদেশে হাজার হাজার নেতাকর্মীকে কারান্তরীণ করে বর্তমান অবৈধ সরকার গায়ের জোরে দেশকে দখলে রেখে ভয়াবহ দুঃশাসন চালিয়ে যাচ্ছে। পরিকল্পিতভাবে নাশকতা সৃষ্টি করে বিরোধী দলের ওপর দোষ চাপানো হচ্ছে। আর এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমগুলোকে কড়াকড়িভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে সরকার। তিনি অবিলম্বে শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি জানান।

বিএনপির আন্তজার্তিক বিষয়ক সম্পাদক  মাহিদুর রহমান বলেন, দেশ এখন কঠিন সংকটে। ৫ জানুয়ারীর ভোটারবিহীন প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে অবৈধ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে যে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েম করেছেন চলমান আন্দোলনে তার পতনের মাধ্যমে হাসিনা অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটবে। তিনি গণতন্ত্রের স্বার্থে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে যে আন্দোলন শুরু হয়েছে শেখ হাসিনার পতন না হওয়া পর্যন্ত তা চালিয়ে যাবার আহ্বান জানান।

ইসলামী চিন্তাবিদ মুফতি শাহ সদরুদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং অখন্ডতার বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র করছে। বাংলাদেশের অখন্ডতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র দেশপ্রেমিক জনগণ কখনো মেনে নেবে না। তিনি বলেন,  বাংলাদেশের অখন্ডতার বিরুদ্ধে যারা অবস্থান নেয়, যারা আঁতাত করে ক্ষমতায় আঁকড়ে থাকতে চায় - জনগণ তাদেরকে বাংলাদেশ বিরোধী অপশক্তি হিসেবে চিহ্নিত করবে। মুফতি শাহ সদরুদ্দিন বলেন, উচ্চ-আদালত ঘোষিত রংহেডেড শেখ হাসিনার সঙ্গে জনগণ নেই। তার ভরসা একটি বিশেষ অঞ্চলের কতিপয় র‌্যাব ও পুলিশের বন্দুক। তারা একটি বিশেষ অঞ্চলের পুলিশ দিয়ে আওয়ামী লীগ এখন জনগণকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। বর্তমানে খুনী বাহিনী হিসাবে দেশে বিদেশ পরিচিত র‌্যাব বাহিনী প্রধান একটি বিশেষ অঞ্চলের, বর্তমানে পুলিশ বাহিনীর প্রধানও একটি বিশেষ অঞ্চলের, ঢাকা মহানগর বর্তমান পুলিশ কমিশনার একটি বিশেষ অঞ্চলের, ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রায় প্রতিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অর্থাৎ ওসিও একই অঞ্চলের। তিনি বলেন, সমগ্র বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ সরকার সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। হত্যা, গুম, খুন, নির্যাতন ও মিথ্যা মামলা দিয়ে গোটা দেশকে কারাগারে পরিণত করেছে। শেখ হাসিনাকে অচিরেই এইসব অপকর্মের জন্য বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।

সেভ বাংলাদেশ ইউকের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার নজরুল ইসলাম বলেন, পেট্রোল বোমা, গান পাউডার, গাড়িতে আগুন লাগিয়ে মানুষ পোড়ানো এবং লগি-বৈঠার তান্ডবে লাশের ওপর নৃত্য ইত্যাদি সর্বনাশা মরণখেলা আওয়ামী লীগের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি। জনগণের কণ্ঠনালী কেটে গণতন্ত্রকে কবরস্থ করার ঐতিহ্য এদেশে একমাত্র আওয়ামী লীগেরই। তারা গণতন্ত্রের খোলসে আসলে বাকশালকেই কায়েম করছে। অবৈধ শেখ হাসিনা সরকার বেগম জিয়াকে বন্দী করার নানা ফন্দি করে বাকস্বাধীনতার আইনগত অধিকারকে শূলে চড়িয়ে গণমাধ্যমকে শুধুমাত্র সরকারের সকল বার্তা প্রচারের নির্দেশ দিয়েছে। ব্যারিস্টার নজরুল বলেন, সরকারের নীতিনির্ধারকরা আন্দোলনরত নেতা-কর্মীদের বুকে গুলি করতে বলেছেন। গোয়েন্দা পুলিশরা বন্দুক যুদ্ধের গল্প বানিয়ে বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মীদের হত্যার পর স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাহবা পাচ্ছেন। আন্দোলন ঠেকাতে প্রতিরোধ কমিটির নামে বেসামাল সশস্ত্র ক্যাডারদের লেলিয়ে দিয়ে আন্দোলনকারীদের লাশের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে। এতকিছুর পরেও অবরোধ অব্যাহত রয়েছে। তিনি বলেন,  এই সরকার যে ভয়ঙ্কর গণদুশমন তার আরও একটি প্রমাণ হলো-কথিত বন্দুকযুদ্ধে আন্দোলনরত নেতাকর্মীদেরকে হত্যার জন্য পুলিশকে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সমর্থন দেয়া। স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী যেনো হিটলারের সহযোগী নাৎসী আইকম্যানের ভূমিকা পালন করছেন। তিনি বলেন, নির্যাতন ও নিপীড়ন চালিয়ে কেউই ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারেনি, এ অবৈধ সরকারও পারবে না। শেখ হাসিনার  পতন সময়ের ব্যাপার মাত্র।
প্রফেসর সালেহ আহমেদ বলেন, মানুষের বাক স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের কন্ঠ রোধ করেছে এই সরকার। কোন সংবাদ ছাপানো বা প্রচার করা যাবে না, টক শোতে কি আলোচনা করা যাবে না, কাদেরকে আমন্ত্রণ জানানো যাবে না - এসবই এখন নির্ধারণ করে দিচ্ছে সরকার। তিনি এই সরকারকে ইসলামের শত্রু আখ্যায়িত করে গণতন্ত্র পুণরুদ্ধার ও  ভোটের অধিকার ফিরে পেতে জনগণের প্রতিনিধিত্বশীল সরকার গঠনের জন্য ২০ দলীয় জোট নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে যে আন্দোলন শুরু শেখ হাসিনার পতন না হওয়া পর্যন্ত সে আন্দোলন চালিয়ে যাবার আহ্বান জানান।
ব্যারিষ্টার আবু বকর মোল্লা বলেন, বর্তমান অবৈধ সরকারের দুর্নীতি, অন্যায় এবং অত্যাচার এখন সীমা ছাড়িয়ে গেছে। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা ও  দেশের শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য যেসব বাহিনী রয়েছে তাদেরকে বিরোধী দল ও মতের নেতাকর্মীদের দমনের জন্য ব্যবহার করছেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, দুঃশাসন টিকিয়ে রাখতে রাষ্ট্র এখন ভয়াল ঘাতকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও নাগরিক অধিকারহীন একদলীয় রাষ্ট্র ব্যবস্থায় সরকারী কর্মচারীদের দলের আনুগত্য করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সেখানে নিরপেক্ষতার ও জবাবদিহিতার প্রশ্ন করা যায় না। বাংলাদেশে চোখের ইশারাও যদি সরকারবিরোধী মনে হয় তাহলেও নিপীড়নের শিকার হতে হবে, সেই নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি এখন বাংলাদেশে বিরাজ করছে। বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে বৃটিশ এমপিদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যমেরন বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।



সমাবেশে আরোও বক্তব্য রাখেন তারেক রহমানের মানবাধিকার বিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিষ্টার এম এ সালাম, যুক্তরাজ্য বিএনপির সহসভাপতি আখতার হোসেন, আনোয়ার হোসেন খোকন, শরীফুজ্জামান চৌধুরী তপন, প্রফেসর ফরিদ উদ্দিন, নাসিম আহমেদ চৌধুরী, শামসুর রহমান মাতাব, আতিকুর রহমান চৌধুরী, জাভেদ ইকবাল, কামাল উদ্দিন, খসরুজ্জামান খসরু,প্রমুখ
উপস্থিত ছিলেন ব্যারিষ্টার হামিদুল হক আফিন্দি লিটন, ড. সাইফুল আলম চৌধুরী, জাহিদ চৌধুরী, রহিম উদ্দিন, আফজল হোসেন, মুজিব চৌধুরী, মসুদ আহমেদ, মাহমুদ আলী, খলিলুর রহমান, টিপু আহমেদ,  হাসিম মিয়া, সোহেল মিয়া, নুরুল হক, সেলিম আহমেদ, খোকন মিয়া, আব্দুল বাছিত বাদশা, মঞ্জুর আশরাফ খান, শাহরিয়ার হোসেন জুনেদ, মুনিম ইমন, মাহবুবুল আলম লাহিন, ময়না মিয়া, টিপু আহমেদ, বাবর চৌধুরী, তাজ উদ্দিন, কেন্দ্রীয় ছাত্রদল সহসভাপতি শফিকুল ইসলাম রিবলু, সালেহ গজনবী, তপু শেখ, সুজাত আহমেদ, সাবেক ছাত্রদল নেতা নাসির আহমেদ শাহীন, আমিনুর রহমান আকরাম, রিয়াজ আহমেদ,  এমাদুর রহমান এমাদ, জিল্লুর রহমান, রওশন , এম এ সালাম,নাজমুল হোসেন চৌধুরী,  মোঃ জাহিদুল আলম, শহিদুল ইসলাম স্বপন, রাজিব আহমেদ খান, ইউসুফ রায়হান গোলাপ, টিটু আহমেদ, আরমানুল আরোফিন, মোঃ সুলেমান খান, মীর জুবায়ের আহমেদ, মৌলানা মোঃ শামীম, সেলিম আহমেদ, মিছবাহুল ইসলাম বাবু, হাসনাত কবির খান রিপন, মোঃ আলিম আল রাজি, মাহমুদ হোসেন সুজন, জুয়েল রহমান, আতাউর রহমান, জুনেদ আহমেদ চৌধুরী,  সিদ্দিকুর রহমান সোহাগ, জিয়াউর রহমান, আকমল হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম শিমু, সৈয়দ মুহিবুল ইসলাম রিপন, রাজু আহমেদ খান, আসাদুজ্জামান মুকুল, শাহাব উদ্দিন মজুমদার সাবু, সাইফুল ইসলাম মেরাজ, ইমতিয়াজ এনাম তানিম, মাসুদুর রহমান, হুমায়ুন কবির হিমু, নওমি,  আবু নাসের শেখ, শেখ নাসের, হেলাল উদ্দিন, মীর মাসুদ শেজান,জুল আফরোজ মজুমদার, রনি আহমেদ, খান পাবেল, আমিনুল হাসান, মাহবুবুর রহমান, সুহেল রানা, সুহেল সরকার, শফিউল আলম প্রমূখ।

 
 
 
 
 
 

নিউজ ডেস্ক: বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ‘বার্ন ইউনিটের আর্তনাদ আল্লাহর আরশ কাঁপিয়ে দিয়েছে। নইলে হঠাৎ আপনার ছেলের মৃত্যু হবে কেন?’

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের এ সদস্য বলেন, ‘আমাদের মতো মানুষদের এসব কথা বলা উচিত না, তার পরও বলতে হলো।’

বুধবার বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয় শ্রমিক লীগের সমাবেশে তোফায়েল আহমেদ এসব কথা বলেন। হরতাল অবরোধে সহিংসতার প্রতিবাদে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

তোফায়েল আহমেদ খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘জাতিসংঘের নীতিমালা অনুযায়ী এসব হত্যাকাণ্ড মানবতাবিরোধী অপরাধ। এর জন্য জনতার আদালতে আপনার বিচার হবে।’

শেখ হাসিনার গুলশান কার্যালয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মায়ের স্নেহ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শোক জানাতে গিয়েছিলেন। দেশের মানুষ বুঝতে পেরেছে, আপনি যে কতটুকু কী? সন্তান মারা গেল, তার পরও আপনি অবরোধ প্রত্যাহার করলেন না।’

এতে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, ‘এরপর যদি পেট্রলবোমা সন্ত্রাস করে মানুষ পুড়িয়ে মারেন, তাহলে আপনার নেতাদেরও পেট্রলবোমা দিয়ে বাংলার মানুষ পুড়িয়ে মারবে। কেউ রেহাই পাবে না। ’

খালেদা জিয়ার উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, ‘আল্লাহকে ভয় করুন, অবরোধ কর্মসূচি প্রত্যাহার করুন।’

জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি শুক্কুর মাহমুদের সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তিবিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ।               

 
 
 
 
 
 

নিউজ ডেস্ক: চলমান সংকট নিরসনে একটি জাতীয় ঐক্যমতের সরকার প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দিয়েছেন বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমেদ। তিনি বলেছেন, এই সরকারের প্রধান কাজ হবে প্রজাতন্ত্রের সব কর্মকাণ্ড যথাযথভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে সবার অংশগ্রহণমূলক একটি নির্বাচন অনুষ্ঠান। বিশ্বাসযোগ্য স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনই জাতিকে বর্তমান মহাসংকট থেকে উত্তরণে সহায়তা করতে পারে।

বুধবার সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ প্রস্তাব উত্তাপন করেন।

এ প্রস্তাবে বিএনপি জামায়াতপন্থি হিসেবে পরিচিত নাগরিক সমাজের কয়েকজন প্রতিনিধিও সমর্থন জানিয়েছেন।

তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ফরহাদ মজহার বলেন, শুধু নির্বাচনের মাধ্যমে সঙ্কটের কোনো সমাধান হবে না। আরাফাত রহমান কোকোর জানাজায় হাজার হাজার মানুষ উপস্থিত হয়েছে। যদিও জানাজা রাজনৈতিক কিছু নয়। কিন্তু নিগৃহিত মানুষ নিঃশব্দ প্রতিবাদের উপকরণ হিসেবে এটিকে ব্যবহার করেছে।

তিনি বলেন, বিএনপির নেতৃত্বের ব্যর্থতার কারণে এই বিপুল মানুষকে আন্দোলনে সম্পৃক্ত করা যায়নি। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ভয়ঙ্কর পরিণতির দিকে এগোচ্ছে। ধীরে ধীরে আমরা আফগানিস্তান ইরাকের মতো পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছি। এ অবস্থায় ভেতর অথবা বাইর থেকে তৃতীয় শক্তির আর্ভিভাব ঘটতে পারে।

সুশীল সমাজের ব্যানারে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন আইনজীবী নেতা খন্দকার মাহবুব হোসেন।
               

 
 
 
 
 
 

নিউজ ডেস্ক: ভবিষ্যতে বিচারের মুখোমুখি করার ইঙ্গিত দিয়ে দেশের কারাগারগুলোকে সংস্কার করে রাখতে ক্ষমতাসীনদের প্রতি ইঙ্গিত দিয়েছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
তিনি বলেন, ‘নুরেমবার্গ ট্রায়ালের মতো বাংলাদেশের মাটিতেও যে দেশের নাৎসি সহযোগীদের বিচার হবে না, এটা যেন কেউ মনে না করে। সুতরাং এখন থেকেই কারাগারগুলো সংস্কার করে রাখলে ভালো হয়।’
বুধবার দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

সম্প্রতি বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নাশকতার একাধিক মামলা এবং তাকে গ্রেফতারের বিষয়ে সরকারের মন্ত্রী-এমপিদের আলোচনার পর বিএনপির পক্ষ থেকে এই ধরনের বক্তব্য এল।

ক্ষমতাসীনদের উদ্দেশ করে রিজভী বলেন, ‘বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা ও তাকে গ্রেফতারের ষড়যন্ত্র বন্ধ না হলে, চলমান গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে আক্রমণ বন্ধ না হলে এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে প্রসারিত না করলে বিরোধী দল লড়াই ব্যতিরেকে নতিস্বীকার করবে না।’

সরকার বর্তমানে দেশকে জাহান্নামের দ্বারপ্রান্তে টেনে নিয়ে গেছে মন্তব্য করে বিএনপির এই যুগ্ম-মহাসচিব বলেন, ‘একটি সুসংঘবদ্ধ রাষ্ট্রের বন্ধনগুলোকে ছিঁড়ে ফেলে বাংলাদেশকে একটি ভঙ্গুর রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য যা যা করা দরকার, তার সবকিছুই করে ফেলা হয়েছে।’

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘২০০৯ সালে রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেই জ্যেষ্ঠতা ও দক্ষতাকে ডিঙিয়ে আওয়ামী লীগপন্থি পুলিশ ও অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন করা হয়েছে। মাত্রাতিরিক্ত রাষ্ট্রানুকূল্য পেয়ে তারাই এখন বেপরোয়া বেআইনি এখতিয়ারবহির্ভূত কাজ করছে।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘দেশের বিরোধী দলের আন্দোলন দমাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বনাশা নির্মূল যুদ্ধে নেমে পড়েছে। রাষ্ট্রের কর্মচারীরা নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করবে, কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে সরকারের বেআইনি রাজনৈতিক এজেন্ডা সফল করার কাজে তারা উঠেপড়ে লেগেছে।’

দেশব্যাপী নাশকতার জন্য সরকারকে দায়ী করে রিজভী বলেন, ‘রাজপথে মানুষের ধেয়ে আসা স্রোতকে আটকাতে না পেরে পেট্রোল বোমা ছুড়ে তাদের পুড়িয়ে মারার এক অমানবীয় নাশকতার মরণখেলায় তারা মেতে উঠেছে।’

সরকার গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘দ্বিতীয় পর্যায়ের বাকশালের চূড়ান্ত রূপ দিতে এই অবৈধ নাছোড়বান্দা সরকার রেডিও, টেলিভিশন ও সংবাদপত্র দখল করে নিয়েছে। অবিরাম কুৎসার ধারাবর্ষণ ছাড়া গণমাধ্যমে এখন ন্যায়সংগত প্রতিবাদ বা আন্দোলনের খবর প্রকাশিত হয় না।’
রিজভী বলেন, ‘তথ্যমন্ত্রী বলেছেন, বেগম জিয়ার জন্য নাকি কাশিমপুর কারাগারে জায়গা করে রাখা হয়েছে। বেগম জিয়াকে গ্রেফতার ও বিচারের অহর্নিশ হুমকি দিয়ে হাসানুল হক ইনুরা দেশকে নিয়ে যেতে চাচ্ছেন চরম সংঘাতের দিকে। বিদ্যমান সংকটকে তারা আরো বেশি ঘনীভূত করতে চাচ্ছেন।               

 
 
 
 
 
 

নিউজ ডেস্ক: বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ জ্যেষ্ঠ নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রিমান্ড এবং সারা দেশে নেতা-কর্মীদের হত্যা, নির্যাতন, গুম-খুন ও মামলার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক দিয়েছে বিএনপি নেতৃত্বধীন ২০ দলীয় জোট।

ঢাকা মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন এই হরতালের ডাক দিয়েছেন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন, ঢাকাসহ গাজীপুর, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ ও মানিকগঞ্জ-এই নয় জেলায় বৃহস্পতিবার সর্বাত্মক হরতাল পালিত হবে।

                

 
 
 
 
 
 

ঢাকা : ২০ দলের অবরোধ প্রত্যাহার না হলে নির্ধারিত সময়েই এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। এ ছাড়া এবার পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস হবে না বলেও জানান তিনি।
বুধবার সচিবালয়ে নিজ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০১৫ সুষ্ঠু, নকলমুক্ত ও ইতিবাচক পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিসহ সার্বিক বিষয়ে প্রস্তুতি ও অগ্রগতি বিষয়ক সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

আগামী ২ ফেব্রুয়ারি থেকে সারা দেশে একযোগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে। তবে হরতাল থাকলে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ১ ফেব্রুয়ারি জানানো হবে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নাহিদ বলেন, ‘নির্ধারিত সময়েই পরীক্ষা হবে। আসন্ন মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার আগেই অবরোধ-হরতাল, জ্বালাও-পোড়াও, ভীতি সৃষ্টিকারী কর্মসূচি প্রত্যাহারের আহ্বান জানাচ্ছি।’

পরীক্ষার আগে ফেসবুকমুখি না হওয়ার জন্য শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে নাহিদ বলেন, ‘পরীক্ষার জন্য সবধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রশ্ন ছাপানোর যথাযথ ব্যবস্থা নিয়েছি। সম্ভাব্য যারা প্রশ্ন ফাঁস করতে পারেন তারা সবাই নজরদারিতে রয়েছে।’

সভায় পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ফেসবুক, বিজি প্রেস এবং কোচিং সেন্টার নজরদারির মধ্যে রয়েছে। প্রশ্ন বা এ ধরনের কোন বিভ্রান্তি সৃষ্টি করলে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অবরোধকারীদের ষড়যন্ত্র সফল হবে না দাবি করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আশা করছি, তাদের যদি ন্যূনতম মূল্যবোধ থাকে সেটি জাগ্রত হবে। তবে পরীক্ষা বাধাগ্রস্ত করতে তাদের কোনো ষড়যন্ত্র কাজে আসবে না, সফল হবে না। পরীক্ষা সফল করতে যা যা প্রস্তুতি নেওয়া দরকার, তা নেওয়া হয়ে গেছে।’


সভায় শিক্ষা সচিব নজরুল ইসলাম খান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফাহিমা খাতুন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য মন্ত্রণালয়, বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

                

 
 
 
 
 
 

নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর কুলখানি শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে। কেন্দ্রীয়ভাবে গুলশানের আজাদ মসজিদে এর আয়োজন করা হচ্ছে। এ ছাড়া সারা দেশে একই দিনে ধর্মীয় এই কর্মসূচির আয়োজন করবে বিএনপি। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে অবহিত করা হবে।

গুলশান কার্যালয়ের একটি সূত্রে এ বিষয়ে জানা গেছে।

মঙ্গলবার জানাজা শেষে কোকোর মরদেহ বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় সমাহিত করা হয়েছে। বনানী কবরস্থানের ১৮ নম্বর ব্লকের ১৮৩৮/১৪৭ নম্বর কবরে তাকে দাফন করা হয়। এ দিন বাদ আসর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে কোকোর দ্বিতীয় জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে কোকোর মরদেহ মালেয়শিয়া এয়ারলাইন্স এমএইচ-১০২ এ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। বিমানবন্দর থেকে কোকোর লাশ সরাসরি মা খালেদা জিয়ার কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়। প্রায় ঘণ্টাখানেক লাশ রাখার পর দুপুর ২টা ৪৬ মিনিটে লাশ গুলশান কার্যালয় থেকে দ্বিতীয় জানাজার নামাজের জন্য জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জানাজা শেষে দাফনের জন্য বনানী কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হয় কোকোর মরদেহ।

১৯৭০ সালে যখন মুক্তিযুদ্ধের আন্দোলন দানা বেঁধে উঠছিল, ঠিক ওই সময়ে কুমিল্লা সেনানিবাসে আরাফাত রহমান কোকো জন্ম নেন। ছোট বলে মায়ের কাছে সবচেয় প্রিয় ছিলেন কোকো। যে কোনো আবদার নিমিষেই পুরণ করতে হতো। আজ সেই প্রিয় পুত্রকে হারিয়ে বেগম জিয়া যেন কথা বলার শক্তি হারিয়ে ফেলেছেন।

সাত বছর ধরে মালয়েশিয়ায় থাকা আরাফাত গত শনিবার বাংলাদেশ সময় দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মালয়েশিয়ায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান। তার মৃত্যুতে সোমবার থেকে তিনদিন বিএনপি দেশব্যাপী শোক দিবস পালন করছে। এ উপলক্ষে দেশের সকল দলীয় কার্যালয়ে সোমবার থেকেই কালো পতাকা উত্তোলন ও নেতা-কর্মীরা কালো ব্যাজ ধারণ করেছে।

সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর সেনানিবাসের বাড়ি থেকে খালেদা জিয়ার সঙ্গে গ্রেফতার হন কোকো। ২০০৮ সালের ১৭ জুলাই জামিনে মুক্তি পাওয়ার পরদিন চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ড যান তিনি। সঙ্গে ছিলেন তার স্ত্রী শর্মিলা রহমান, দুই মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমান। থাইল্যান্ড যাওয়ার পর মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকায় সেখান থেকে মালয়েশিয়ায় চলে যান কোকো।

                

 
 
 
 
যোগাযোগ করুন..
01712 247 900

dainiksylhet@gmail.com