অন্যায়ভাবে প্রশাসনের উপর প্রভাব বিস্তার করে বিএনপি করা যাবে না: জি কে গউছ
ব্যক্তির চেয়ে দল বড় এই নীতিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক (সিলেট বিভাগ) মো. জি কে গউছ এমপি। তিনি বলেন, ত্যাগী ও জনপ্রিয় নেতাকর্মীদের মধ্য থেকে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত করা হবে, কাউন্সিলের মাধ্যমে সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায়। নতুন নেতৃত্ব সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত হবে আর মেয়াদোত্তীর্ণ কোনো কমিটিই মাঠে থাকবে না এটাই দলের প্রধানের বার্তা বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আহ্বায়কদের দায়িত্ব হবে সম্মেলনের মাধ্যমে দলকে সুসংগঠিত করা। কিন্তু কাউন্সিলে কোন আহ্বায়ক অংশ নিতে পারবেন না।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সুনামগঞ্জ পৌর শহরের একটি হোটেলে হল রুমে সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলনের সভাপতিত্ব ও জেলা বিএনপির সদস্য (স্বাক্ষর ক্ষমতাপ্রাপ্ত) অ্যাডভোকেট আব্দুল হকের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ—সাংগঠনিক সম্পাদক (সিলেট বিভাগ) মিফতাহ সিদ্দিকী, সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম, সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ।
জি কে গউছ বলেন, তারেক রহমানের জনপ্রিয়তা আমাদের ধরে রাখতে হবে। তারেক রহমানের চলাফেরা, কথাবার্তা ও রাষ্ট্র পরিচালনার ধরন লক্ষ্য করতে হবে। আপনি যতই ত্যাগী বা নির্যাতিত কর্মী হোন না কেন, কোনো নেতাকর্মী ইউএনও, ওসি, ডিসি বা এসপির কার্যালয়ে গিয়ে দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে নিজের অন্যায় সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করলে বিএনপি তার দায় নেবে না, রাষ্ট্রও বহন করবে না। অন্যায়ভাবে প্রশাসনের উপর প্রভাব বিস্তার করে বিএনপি করা যাবে না। যারা নিজেদের দলীয় সিদ্ধান্তের উর্ধ্বে মনে করেছেন, তাদের পরিণতি সবাই দেখেছেন। কেউ যেন নিজেকে দলের চেয়ে বড় মনে না করেন তার জন্য আহবান জানিয়েছেন।







