বিশ্বম্ভরপুরে দেবরের শাবলের আঘাতে ভাবির মৃত্যু
সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে দেবর রুবেল মিয়ার শাবলের আঘাতে তারই ভাবি জামেনা খাতুনের (২৭) নামে তিন সন্তানের জননীর মৃত্যু হয়েছে।
এই ঘটনায় মামলা দায়ের করলেও মামলার আসামীরা এখনোও রয়েছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। তবে পুলিশ বলছে আসামীরা ঘা ডাকা দেয়ায় দিয়েছে তবে আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন জামেনা খাতুন।
এরপূর্বে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার বাদাঘাট দক্ষিণ ইউনিয়নের সিরাজপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।
জানাগেছে, উপজেলার বাদাঘাট দক্ষিণ ইউনিয়নের সিরাজপুর গ্রামে শামীম মিয়ার বাড়িতে টয়লেটের পানি রাখাকে কেন্দ্র করে আপন ভাই রুবেল মিয়ার সাথে কথা-কাটাকাটি হয়। এ সময় রুবেল মিয়া তার ভাই শামিম মিয়ার স্ত্রী জামেনা খাতুনের শরীরে সাবল দিয়ে আঘাত করেন। এতে গুরুতর আহত হয় জামেনা খাতুন।
এসময় প্রতিবেশী ও তার স্বজনরা উদ্ধার করে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কতব্যরত চিকিৎসকগন উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিলেট এমএজি উসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করলে রাতেই নিয়ে যায়৷ সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে মৃত্যুবরণ করে। পরে ময়না তদন্ত শেষে উপজেলার পলাশ ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামে (পিতার বাড়িতে) এলাকার কবরস্থানে জামেনা খাতুন (২৭) এর দাফন সম্পন্ন করা হয়।
এ ঘটনায় মৃত জামেনার ভাই আব্দুল কাদির বোনকে হত্যার দায়ে বিশ্বম্ভরপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করে বিশ্বম্ভরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহমদ উল্ল্যাহ ভূঁইয়া বলেন, হত্যায় ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামীদের গ্রেফতার চেষ্টা অব্যাহত আছে।







