নৌ দূর্ঘটনায় আহত তাহিরপুরের শাহিনুর বাঁচতে চায়

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের শাহিনুর মিয়া (২০) নৌকা দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন স্বজনেরা।
উপজেলার বালিজুরি ইউনিয়নের দক্ষিণকুল গ্রামের বাসিন্দা সেলেম মিয়ার ছেলে ও দীগ্রেন্দ্র বর্মন ডিগ্রি কলেজের ২য় বর্ষের ছাত্র।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,পড়াশুনা ও পরিবারের সচ্ছলতার জন্য দিনমজুরের কাজ করে শাহিনুর। প্রতিদিনের মতো কাজের জন্য সম্প্রতি নৌকাতে গিয়েছিল। কাজ করার জন্য নৌকার ভিতরে গিয়ার আর মেশিন মাঝামাঝি বেল্ট মাঝে পড়ে মারাত্মক ভাবে বুকে আগাত পায়। সাথে সাথে সাথে থাকা লোকজন তাকে উদ্ধার করে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরে সুনামগঞ্জ সর্বশেষ ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। কিন্তু পরিবারটি গরীব হওয়ার অর্থ সংকটের কারনে জীবন বাঁচানো কঠিন হয়ে পরেছে। এই অবস্থায় তার বাবা মা পরিবারের সদস্যরা সমাজের বিত্তবান ও সমাজ সেবকদের সহযোগিতা চাচ্ছেন। সাহায্য পাঠানোর জন্য শাহিনুরের ভাই 01799628970 বিকাশ 01567994205 নগদ।
স্বজনরা জানিয়েছেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে তিনি আইসিইউতে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন। হতদরিদ্র পরিবারের পক্ষে চিকিৎসার ব্যয় বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। মানুষের আর্থিক সহায়তায় তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে। এদিকে আহত শাহীনের চিকিৎসায় সহযোগিতার জন্য দেশ-বিদেশের হৃদয়বান মানুষের কাছে আর্থিক সহায়তা ও দোয়া চেয়েছেন স্বজন ও স্থানীয়রা। তাদের দাবি, সামান্য সহযোগিতাও অসহায় পরিবারটির জন্য অনেক বড় সহায়তা হতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দা মেহেদী হাসান জয় জানান,আমাদের গ্রামের অত্যন্ত দরিদ্র ও দিনমজুর পরিবারের একটি তরুণ ছেলে আজ চরম বিপদের মুখে। অর্থের অভাবে চিকিৎসা বন্ধ হবার উপক্রম হয়েছে। আমরা কয়েকজন বন্ধু মিলে কিছু টাকা তুলেছি কিন্তু টাকার পরিনান আরও বেশী। সবাই এগিয়ে আসলে তাকে বাচানো সহজ হবে।
শাহিনুর বাবা সেলেম মিয়া জানান,আমার সন্তানকে বাঁচাতে অনেক টাকার দরকার কিন্তু আমি গরীব এই ছেলের উপার্জনের টাকাই সংসার চলতো। আমার সন্তানকে বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান ও সমাজ সেবকদের সহযোগিতা চাই, সহযোগীতা পেলে আমার সন্তানকে বাঁচাতে পারবো।






